ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান — অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম কুষ্টিয়ায় বিজিবির মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানে ৩৩ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য আটক বোয়ালমারীতে সংবাদকর্মীদের সাথে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীর মতবিনিময়  ভেড়ামারায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় দফায় দফায় ডেকে হয়রানি-পুলিশের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা চাওয়ার অভিযোগ ফরিদপুর-১ আসনে ১৫ জনের মধ্যে ৭ জন প্রার্থী বৈধ” দলীয়রা টিকলেন, বাদ পড়লেন অধিকাংশ স্বতন্ত্র ফরিদপুর-১ আসনে মনোনয়ন যাচাইয়ে ব্যতিক্রমী চিত্র” ১৫ প্রার্থীর কেউই প্রাথমিকভাবে বৈধ নন, বাতিল ৭-স্থগিত ৮ নওগাঁয় পুলিশের অভিযানে ডাকাতির মালামালসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতার হোসেনপুরে খাদ্য বিভাগের ধান ক্রয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি: সিন্ডিকেটের মাধ্যম ছাড়া গুদামে ধান দিতে পারছেনা কৃষকেরা কুষ্টিয়া-১ আসনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ দু’জন বাদ

গোয়ালন্দে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ড্রেজার মেশিন ধ্বংস

রাজবাড়ী প্রতিনিধি: রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার মরা পদ্মা নদী হতে অবৈধ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করায় ড্রেজার মেশিনের শতাধিক পাইপ ধ্বংস করেছে স্থানীয় প্রশাসন। ২৬ অক্টোবর সোমবার দুপুরে গোয়ালন্দ উপজেলায় কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রফিকুল ইসলাম এ অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করা ড্রেজিং মেশিনের শতাধিক পাইপ ধ্বংস করেন। যার আথিক মূল্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ এর আগেও প্রসাশনের লোকজন অবৈধ ড্রেজিং মেশিন ধ্বংস করলেও কয়েক দিনের মধ্যে সেখানে নতুন মেশিন বসিয়ে প্রভাবশালীরা নির্বিচারের বালু তুলে রমরমা বাণিজ্য করে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গোয়ালন্দে মরা পদ্মা নদীর উজানচর ইউনিয়নের ৭ নং ফৈজদ্দিন মাতুব্বর পাড়া এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরে ড্রেজার দিয়ে বালু তুলছে স্থানীয় লাভলু ফকির, শমসের, জহিরুল মুন্সি, ইউসুফ সহ প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তি। উত্তোলিত বালু দীর্ঘ পাইপের মাধ্যমে তারা পাশ্ববর্তী ফরিদপুর সদর উপজেলার গোয়ালটিলা নামক জায়গায় ফেলে বালুর স্তুপ করছেন। সেখান থেকে চড়া দামে ট্রাকে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছে উত্তোলিত হওয়া বালু। এভাবে বালু উত্তোলনের ফলে হুমকির মুখে পড়েছে নদী পাড়ের মানুষেরা।

তাছাড়া শুষ্ক মৌসুমে ওই এলাকায় বোরো ধানের চাষ করতেন জমির মালিকরা। প্রাণ ভয়ে তারা তাদের নাম প্রকাশ না করারও অনুরোধ করেছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে লাভলু ফকিরের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, ড্রেজার মেশিনটি আমার নিজের। তবে সেটা আমি জহিরুল মুন্সির নিকট ভাড়া দিয়ে দিয়েছি। জহিরুল ফরিদপুর সীমান্তের মধ্যে তাদের নিজস্ব জমি ও শরীকদের জমি হতে বৈধভাবে মাটি কাটছে। ওই জমি সরকারি খাস নয়, ব্যক্তি মালিকানাধীন। এছাড়া আমরা কাউকে কোনরূপ হুমকি বা ভয়ভীতি দেখাইনি।

এটা উদ্দেশ্যমূলক অভিযোগ। এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, অবৈধ ভাবে মরা পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ড্রেজার মেশিনের শতাধিক পাইপ ধ্বংস করা হয়েছে। এ কাজের সাথে জড়িতে কাউকে ধরতে না পাড়ায় তাদের শাস্তির আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। তবে এখন থেকে শুধু এখানে নয় উপজেলার কোথায় ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধ ভাবে কেউ বালু উত্তোলন করতে না পারে সে দিকে বিশেষ নজর রাখা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান — অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম

গোয়ালন্দে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ড্রেজার মেশিন ধ্বংস

আপডেট টাইম : ০৯:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০

রাজবাড়ী প্রতিনিধি: রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার মরা পদ্মা নদী হতে অবৈধ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করায় ড্রেজার মেশিনের শতাধিক পাইপ ধ্বংস করেছে স্থানীয় প্রশাসন। ২৬ অক্টোবর সোমবার দুপুরে গোয়ালন্দ উপজেলায় কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রফিকুল ইসলাম এ অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করা ড্রেজিং মেশিনের শতাধিক পাইপ ধ্বংস করেন। যার আথিক মূল্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ এর আগেও প্রসাশনের লোকজন অবৈধ ড্রেজিং মেশিন ধ্বংস করলেও কয়েক দিনের মধ্যে সেখানে নতুন মেশিন বসিয়ে প্রভাবশালীরা নির্বিচারের বালু তুলে রমরমা বাণিজ্য করে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গোয়ালন্দে মরা পদ্মা নদীর উজানচর ইউনিয়নের ৭ নং ফৈজদ্দিন মাতুব্বর পাড়া এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরে ড্রেজার দিয়ে বালু তুলছে স্থানীয় লাভলু ফকির, শমসের, জহিরুল মুন্সি, ইউসুফ সহ প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তি। উত্তোলিত বালু দীর্ঘ পাইপের মাধ্যমে তারা পাশ্ববর্তী ফরিদপুর সদর উপজেলার গোয়ালটিলা নামক জায়গায় ফেলে বালুর স্তুপ করছেন। সেখান থেকে চড়া দামে ট্রাকে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছে উত্তোলিত হওয়া বালু। এভাবে বালু উত্তোলনের ফলে হুমকির মুখে পড়েছে নদী পাড়ের মানুষেরা।

তাছাড়া শুষ্ক মৌসুমে ওই এলাকায় বোরো ধানের চাষ করতেন জমির মালিকরা। প্রাণ ভয়ে তারা তাদের নাম প্রকাশ না করারও অনুরোধ করেছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে লাভলু ফকিরের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, ড্রেজার মেশিনটি আমার নিজের। তবে সেটা আমি জহিরুল মুন্সির নিকট ভাড়া দিয়ে দিয়েছি। জহিরুল ফরিদপুর সীমান্তের মধ্যে তাদের নিজস্ব জমি ও শরীকদের জমি হতে বৈধভাবে মাটি কাটছে। ওই জমি সরকারি খাস নয়, ব্যক্তি মালিকানাধীন। এছাড়া আমরা কাউকে কোনরূপ হুমকি বা ভয়ভীতি দেখাইনি।

এটা উদ্দেশ্যমূলক অভিযোগ। এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, অবৈধ ভাবে মরা পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ড্রেজার মেশিনের শতাধিক পাইপ ধ্বংস করা হয়েছে। এ কাজের সাথে জড়িতে কাউকে ধরতে না পাড়ায় তাদের শাস্তির আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। তবে এখন থেকে শুধু এখানে নয় উপজেলার কোথায় ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধ ভাবে কেউ বালু উত্তোলন করতে না পারে সে দিকে বিশেষ নজর রাখা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।