তিস্তার ভাঙ্গনে বিপর্যস্ত ডিমলার জনপদ, নদীগর্ভে ৭০টি পরিবারের বাড়ি-ঘর

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: ভারি বর্ষণ ও পাহড়ী ঢলে তিস্তা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে নীলফামারীর ডিমলার ৩ টি ইউনিয়নের ফল- ফলাদির গাছ, উঠতি ফসল ও বসত ভিটা। পানিতে ভেসে গেছে গবাদি পশু ও হাসমুরগী। তিস্তার নদী ভাঙ্গনে অর্থ ও খাবার অভাবে চরম বিপর্যয়ে দিন কাটছে ৭০ টি সর্বহারা পরিবারে।

ভাঙ্গনের কবল থেকে বাঁচানো দুই-একটি ঘর নিয়ে ঠাঁই নিয়েছেন অন্যের উচু জমিতে। কিন্তু অর্থ দৈন্যতায় সে ঘরও তুলতে পারছেন না। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই উপজেলার তিস্তা তীর ঘেষা ৬টি ইউনিয়নের নি¤œাঞ্চল ইতোমধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া ভাঙ্গনে পড়ে ঝুনাগাছ, চাপানি, টেপাখড়িবাড়ি, খগাখড়ি বাড়ি ইউনিয়নের উল্লেখ্য সংখ্যক পরিবার ঘর-বাড়ি, ফসলি জমিসহ সবকিছু বিলিন হয়ে যায় নদীর গর্ভে।

বর্তমানে তিস্তা নদীর পানি বিপদ সীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও ৬টি ইউনিয়নের এখনও পানি বন্ধি হয়েছে ৩ হাজার ২শ ২০ টি পরিবার। টেপাখড়ি বাড়ি ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত সেলিম, আমিনা, আক্কাস আলীসহ আরো অনেকে জানান, আগাম বর্ষায় নদী ভাঙ্গনে ঘর-বাড়িসহ সবকিছু ভেসে গেছে। অন্যের জমিতে আশ্রয় নিয়েছি। ত্রাণ হিসেবে সামান্য যে টাকা পেয়েছি তাতে কিছুই হয় না।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়শ্রী রানী বলেন, নদী ভাঙ্গনে ৭০টি পরিবারে ২ হাজার নগদ টাকাসহ ত্রাণ দেয়া হয়েছে।পানিবন্দি মানুষের জন্য ইতোমধ্যে ৪৮ মে.টন চাল বরাদ্দ হয়েছে। যা দ্রæত জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।