মো.জাকির হোসেন হাওলাদার, দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধ
পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় ট্রান্সফর্মারে ব্যবহারিত চোরাই তৈল উদ্ধার মালিক পালাতকের ঘটনা ঘটে।
বুধবার দুপুর ২ ঘটিকার সময় উপজেলার বেতাগীসানকিপুর ইউনিয়নের ০১ নম্বর ওয়ার্ড সরদার বাড়ির মোঃ মজানুর রহমান মৃধার বসত ঘর থেকে ট্রান্সফর্মারের ব্যবহারিত তৈল উদ্ধার করে জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন।
জব্দকৃত তৈল ট্রান্সফর্মামে ব্যবহার করা হয় এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজলা
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আল আমিন।
স্থানী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বেতাগীসানকিপুর ইউনিয়নের সরদার বাড়ির মিজানুর রহমান মৃধার বসতঘর থেকে ১শত ২০ লিটার ট্রান্সফর্মারে ব্যবহাটিত তৈল উদ্ধার করে স্থানীয়রা। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে ফোন করলে তারা ঘটনা স্থলে গিয়ে ঐ ১শত ২০ লিটার ট্রান্সফর্মামের তৈল উদ্ধার করে জব্দ করেন।
স্থানীয়দের ধরনা ঐ তৈল বিদ্যুৎ ট্রান্সফর্মার থেকে মিজানুর রহমান রাতের আধারে চুরি করে মজুদ করেছে। ঐ তৈল কোন সাধারন পেট্রোল তৈল নয়। এ তৈল একমাত্র ট্রান্সফর্মারে ব্যবহার করা হয়। তৈল উদ্ধার করার পর থেকে মিজানুর রহমান মৃধা পরলাতক।
উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আল আমি জানান, ঘটনার বিষয়টি জানার পর আমি ঘটনা স্থলে যাই। উদ্ধার কৃত তৈল ট্রান্সফর্মামে ব্যবহার করা হয়। মিজানুর রহমান মৃধাকে পেলে আসল ঘটনা জানতে পারতাম তৈল কোথা থেকে কি ভাবে সংগ্রহ করছেন। পরে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়কে ফোন করলে ঘটনা স্থলে গিয়ে তৈল জব্দ করে মামালা দেওয়ার পরামর্শ দেন।
উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রকৌশলী জাকির হোসেন জানান, আমি চিকিৎসার জন্য ঢাকা আছি। খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে অফিস থেলে ইঞ্জিনিয়ার কে পাঠানো হয়েছে। বিগত এক বছরে উপজেলার কোন ট্রান্সমিটার থেকে তৈল চুরি হয়নি। মিজানুর রহমান মৃধা অন্য কোন বিদ্যুৎ অফিস থেকে আনতে পারে। আমি উধর্বতন কতৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহন করবো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, তৈল মজুদের খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে যাই। উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ইঞ্জিনিয়ার আবহিত করেন এ তৈল বিদ্যুৎ এর ট্রান্সফর্মারে ব্যবহার করা হয়। তৈল মজুদ কারী পলাতক থাকায়। তৈল জব্দ করে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের জিম্মায় রাখা হয়। পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক 






















