দৌলতপুরে একই গ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৪০, বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।

111

ডেইলি নিউজ বাংলা ডেস্ক: দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নে দাড়েরপাড়া নামক ছোট্র একটি গ্রামে ৪০ জন নারী-পুরুষ ডেঙ্গু রোগি শনাক্তের পর সেখানে বিশেষ নজরদারী শুরু করেছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে সেখানে মশা নিধন ও জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ডেঙ্গু রোগি শনাক্তে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে টিম কাজ করছেন। নানা উদ্যোগ নেয়ার পরও ডেঙ্গু আতঙ্ক ছড়িয়েছে ছাড়ারপাড়াসহ আস-পাশের গ্রামগুলোতে। অস্থিরতা কাজ করছে অন্য গ্রামের সাধারন মানুষের মাঝেও। তাদের দাবী শুধু ছাড়ারপাড়া গ্রামই নয়, আসেপাশের গ্রামকেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ নজরদারীতে রাখা উচিৎ।

তা না হলে যে কোন সময় অন্য গ্রামেরও একই চিত্রের আশংকা রয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন দাড়েরপাড়া গ্রামে ডেঙ্গু মশা ও লাভা ধ্বংসে মশা নিরোধক স্প্রে ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার উদ্বোধন ও স্থানীয় মানুষের সাথে মত বিনিময় করেন।

এ সময় তার সাথে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন সেলিম হোসেন ফরাজী, দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. এজাজ আহমেদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: অরবিন্দ পাল দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: অরবিন্দ পাল, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজগর আলী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শাক্কির আহমেদ, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোনালী খাতুন আলেয়া, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইদুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার তৌহিদুল ইসলাম ও স্থানীয় চেয়ারম্যান সাঈদ আনছারী বিপ্লব প্রমুখ।

দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: অরবিন্দ পাল বলেন, ওই গ্রামে মোট ৪০ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে দৌলতপুর ও মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ২৫ জন। অন্যরা চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ওই গ্রামে স্বাস্থ্য বিভাগের একটি টিম কাজ শুরু করেছে। ওই টিমটি ডেঙ্গু রোগি সনাক্ত ও তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার কাজ করছে।