ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
গৌরনদীতে খাল দখল করে দোকান নির্মাণ: মুচলেকা দিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ভেড়ামারায় প্রতিবেদনের এক মাসেই গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো অবৈধ স্থাপনা গৌরনদীতে প্রশাসনের অভিযানে বিপুল পরিমাণ জাটকা জব্দ রাজশাহী প্রেসক্লাবের দুই সদস্যকে শোকজ নোটিশ মহাদেবপুর-বদলগাছীতে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত  বরেন্দ্রে অঞ্চলে খরার প্রভাব কমছে ফলন, বাড়ছে পানির সংকট তেল নিয়ে কোনো বিশৃঙ্খলা মেনে নেওয়া হবে না,এসিল্যান্ড শামসুল আখাউড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত, আহত ৪ কসবায় ৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ী ও চশমা জব্দ করেছে ৬০ বিজিবি। রাজশাহীতে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলায় আটক সাংবাদিক মিশাল মন্ডল জামিনে মুক্ত

রাণীশংকৈলে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর থেকেই ধ্বংসের পথে রাজা টংকনার্থের রাজবাড়িটি

মাহাবুব আলম রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁওয়ে রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নে কুলিক নদীর তীরে অবস্থিত মালদুয়ার জামিদার টংক নাথের রাজবাড়ি। যা ১৯১৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেন। টংকনাথের পিতার নাম বুদ্ধি নাথ চৌধূরী,বুদ্ধিনাথ চৌধূরী ছিলেন মৈথিলি ব্রাক্ষণ এবং কাতিহারের ঘোষ বাগোয়ালা বংশীয় জমিদারের শ্যামরাই মন্দিরের সেবায়েত।

নিঃসন্তান বৃদ্ধগোয়ালা জমিদার কাশিবাসে যাওয়ার সময় সমস্ত জমিদারি সেবায়েতের তত্ত্বাবধানে রেখে যান এবং তাম্রপাতে দলিল করে যান । তিনি কাশি থেকে ফিরে না এলে শ্যামরাই মন্দিরের সেবায়েত এই জমিদারির মালিক হবেন। পরে বৃদ্ধ জমিদার ফিরে না আসার কারণে বুদ্ধিনাথ চৌধুরী জমিদারী পেয়ে যান। তবে অনেকে মনে করেন এই ঘটনা বুদ্ধিনাথ চৌধুরীর দু-এক পুরুষ পূর্বেরও হতে পারে।

রাজবাড়ি নির্মাণের কাজ বুদ্ধিনাথ চৌধূরী শুরু করেলও শেষ করতে পারেনি । এটির কাজ সমাপ্ত করেন রাজা টংকনাথ। বৃটিশ সরকারের কাছে টংকনার্থ রাজা উপাধী পান। উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে রাজ বাড়িটি নির্মিত হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর পর থেকেই ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়় রাজবাড়িটি। যা কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে ইতিহাসের পাতা থেকে । অযত্নে অবহেলায় পড়ে রয়েছে রাজবাড়ীটি সংস্কারের অভাবে এখন ধ্বংসস্তূপ প্রায়। স্থানীয় সুশীল সমাজের দাবী রাজা টংকনাথের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এটির সংস্কার ও সংরক্ষণ করা অতি জরুরী ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদীতে খাল দখল করে দোকান নির্মাণ: মুচলেকা দিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

রাণীশংকৈলে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর থেকেই ধ্বংসের পথে রাজা টংকনার্থের রাজবাড়িটি

আপডেট টাইম : ০৪:৫৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২০

মাহাবুব আলম রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁওয়ে রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নে কুলিক নদীর তীরে অবস্থিত মালদুয়ার জামিদার টংক নাথের রাজবাড়ি। যা ১৯১৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেন। টংকনাথের পিতার নাম বুদ্ধি নাথ চৌধূরী,বুদ্ধিনাথ চৌধূরী ছিলেন মৈথিলি ব্রাক্ষণ এবং কাতিহারের ঘোষ বাগোয়ালা বংশীয় জমিদারের শ্যামরাই মন্দিরের সেবায়েত।

নিঃসন্তান বৃদ্ধগোয়ালা জমিদার কাশিবাসে যাওয়ার সময় সমস্ত জমিদারি সেবায়েতের তত্ত্বাবধানে রেখে যান এবং তাম্রপাতে দলিল করে যান । তিনি কাশি থেকে ফিরে না এলে শ্যামরাই মন্দিরের সেবায়েত এই জমিদারির মালিক হবেন। পরে বৃদ্ধ জমিদার ফিরে না আসার কারণে বুদ্ধিনাথ চৌধুরী জমিদারী পেয়ে যান। তবে অনেকে মনে করেন এই ঘটনা বুদ্ধিনাথ চৌধুরীর দু-এক পুরুষ পূর্বেরও হতে পারে।

রাজবাড়ি নির্মাণের কাজ বুদ্ধিনাথ চৌধূরী শুরু করেলও শেষ করতে পারেনি । এটির কাজ সমাপ্ত করেন রাজা টংকনাথ। বৃটিশ সরকারের কাছে টংকনার্থ রাজা উপাধী পান। উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে রাজ বাড়িটি নির্মিত হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর পর থেকেই ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়় রাজবাড়িটি। যা কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে ইতিহাসের পাতা থেকে । অযত্নে অবহেলায় পড়ে রয়েছে রাজবাড়ীটি সংস্কারের অভাবে এখন ধ্বংসস্তূপ প্রায়। স্থানীয় সুশীল সমাজের দাবী রাজা টংকনাথের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এটির সংস্কার ও সংরক্ষণ করা অতি জরুরী ।