শশুরের বিরুদ্ধে পুত্রবধুর শ্লীলতাহানীর অভিযোগ

গাংনী প্রতিনিধি: এবার শশুরের বিরুদ্ধে পুত্রবধুর শ্লীলতাহানীর অভিযোগ উঠেছে। শাশুড়ির অবর্তমানে শশুর শহিদুল ইসলাম বিভিন্নভাবে পুত্রবধুর শ্লীলতাহাহনী করে। শেষ পর্যন্ত ঐ পুত্রবধু পালিয়ে স্থানীয় ইউপি মেম্বর আনারুল ইসলামের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। সংবাদ পেয়ে হেমায়েতপুর ক্যাম্প পুলিশের একটি টিম ঐ গৃহবধু ও শশুরকে গাংনী থানায় নিয়ে আসে। ঘটনাটি ঘটেছে মেহেরপুরের গাংনী থানার রাজার পাড়া হেমায়েতপুর গ্রামে। গৃহবধু জানান, দীর্ঘ দিন যাবৎ হেমায়েতপুর বাজারের সার ও কীটনাশক ব্যাবসায়ী শশুর শহিদুল ইসলাম শহিদ তাকে নানান ভাবে উত্যক্ত করত।

সুযোগ পেলে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিত। সেই সাথে দিত কু-প্রস্তাব এতে রাজি না হওয়ায় কারণে অকারণে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হত। গৃহবধু আরো জানায়, তার স্বামী কিঞ্চিত মানসিক ভারসাম্যহীন। এ সুযোগে নানানভাবে শ্লীলতা হানী করলেও স্বামী আশরাফুল কোন প্রতিবাদ করেনি। শুক্রবার রাতে পাষন্ড শশুর শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়। শনীবার সকালে তাকে একা পেয়ে জাপ্টে ধরে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা চালালে তিনি চিৎকার দিয়ে পালিয়ে স্থানীয় ইউপি দস্য আনারুল ইসলামের বাড়িতে আশ্রয় নেয়।

সংবাদ পেয়ে স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঐগৃহবধু ও শশুর শহিদুল ইসলামকে জিজ্ঞাসা বাদের জন্য থানা হেফাজতে নেয়। স্থানীয় লোকজন জানান, ব্যাবসায়ী শহিদুলের বিরুদ্ধে পুত্রবধুর প্রতি অনৈতিক আচরণের অভিযোগ অনেক আগের। ইতোপূর্বে তার দুই পুত্রবধুকে যৌন হয়রানির কারণে তারা সংসার ছেড়েছে। শহিদু ইসলাম প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয় সমাজপতিরা তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে পারেনা। গাংনী থানা পুলিশ জানায়, বাদী বিবাদী উভয়কে থানা হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সাথে আলোচনা সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।