ঢাকা ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
আপনি কি বয়সের তুলনায় দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছেন? মিলিয়ে নিন এই ৮টি লক্ষণ ফিলিপনগরে ‘মেধাযাত্রা–২০২৬’, ৪৫০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ, সংবর্ধিত ৪০ কৃতী শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত শীঘ্রই  স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মসূচী নিয়ে আসছে অর্ধশতাধিক সামাজিক  সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা দায়িত্ব সফলভাবে শেষ করেছে বিজিবি জাতীয় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সেরা প্রতিবেদক নির্বাচিত সাংবাদিক আছানুল হক কালীগঞ্জে স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত, গ্রেফতার ০৩ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা দেখতে ডিমলায় জনতার ঢল নাগরপুরে বিজয়া দশমীর মেলার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার বিসর্জন সম্পন্ন যশোরের লালদীঘিতে ভক্তদের অশ্রুসিক্ত বিদায় আসছে বছরের অপেক্ষা, নৌকায় চড়ে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা

১৫ আগষ্টের কালরাতের বর্বরোচিত হত্যা কান্ডের ধারাবাহিকতায় ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা

বাঘা ( রাজশাহী) প্রতিনিধি: বঙ্গবন্ধুকে স্ব-পরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে এদেশে খুনের রাজনীতি শুরু করেন একাত্তরের পরাজিত শক্তি জামায়াত-বিএনপির দোসররা। ১৫ আগষ্টের ধারাবাহিকতায় ২১ আগষ্টের এই গ্রেনেড হামলা।

আজ শনিবার ২১ আগষ্ট গ্রেণেড হামলা দিবস উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগ। এ উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহেদ সাদিক কবিরের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নসিম উদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম মুন্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ সহ পৌর ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি – সাধারণ সম্পাদক সহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সহোযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুকে দৈহিকভাবে হত্যা করা হলেও তাঁর মৃত্যু নেই, তিনি চিরঞ্জীব। সমগ্র জাতিকে তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় প্রস্তুত করেছিলেন ঔপনিবেশিক শাসক-শোষক পাক-বাহিনীর বিরুদ্ধে সশ্রস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে। তাই বাঙালি জাতির চেতনায় তিনি চিরঞ্জীব।” ১৫ আগষ্ট ৭৫ সালে জাতির জনককে স্বপরিবারে হত্যা করার মাধ্যমে এই দেশে খুন,গণহত্যার রাজনীতি শুরু করেন তৎকালীন মোশতাক অনুসারী জিয়াউর রহমান।

সবগুলো হত্যাকান্ডের বৈধতা দেন ইন্ডেমিনিটি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার আমলে ২০০৪ সালের ২১ শে আগষ্ট আরেকটি নৃশংসহ ঘটনা সংগঠিত হয়।

২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট এই দিনে গ্রেনেডের বিকট বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ঢাকার বঙ্গবন্ধু এ্যাভেনিউ। শেখ হাসিনার সমাবেশে অতর্কিত গ্রেনেড হামনায় নিহত হন প্রয়াত রাষ্ট্রপতির স্ত্রী মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতাকর্মী।

আহত হন শেখ হাসিনাসহ ৫’শ নেতাকর্মীও অনেক সাংবাদিক। এ হামলা ছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের কালরাতের বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের ধারাবাহিকতা। আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশুন্য করতে তথা সংগঠনকে নিঃশেষ করতে এই হামলা।

বঙ্গবন্ধু সহ ১৫ আগষ্ট ও ২১ আগষ্ট এ নিহত সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া শেষে অসহায়, দুস্থ ও পথচারীদের মাঝে রান্নাকরা খাবার বিতরণ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আপনি কি বয়সের তুলনায় দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছেন? মিলিয়ে নিন এই ৮টি লক্ষণ

১৫ আগষ্টের কালরাতের বর্বরোচিত হত্যা কান্ডের ধারাবাহিকতায় ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা

আপডেট টাইম : ০৮:০৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ অগাস্ট ২০২১

বাঘা ( রাজশাহী) প্রতিনিধি: বঙ্গবন্ধুকে স্ব-পরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে এদেশে খুনের রাজনীতি শুরু করেন একাত্তরের পরাজিত শক্তি জামায়াত-বিএনপির দোসররা। ১৫ আগষ্টের ধারাবাহিকতায় ২১ আগষ্টের এই গ্রেনেড হামলা।

আজ শনিবার ২১ আগষ্ট গ্রেণেড হামলা দিবস উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগ। এ উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহেদ সাদিক কবিরের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নসিম উদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম মুন্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ সহ পৌর ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি – সাধারণ সম্পাদক সহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সহোযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুকে দৈহিকভাবে হত্যা করা হলেও তাঁর মৃত্যু নেই, তিনি চিরঞ্জীব। সমগ্র জাতিকে তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় প্রস্তুত করেছিলেন ঔপনিবেশিক শাসক-শোষক পাক-বাহিনীর বিরুদ্ধে সশ্রস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে। তাই বাঙালি জাতির চেতনায় তিনি চিরঞ্জীব।” ১৫ আগষ্ট ৭৫ সালে জাতির জনককে স্বপরিবারে হত্যা করার মাধ্যমে এই দেশে খুন,গণহত্যার রাজনীতি শুরু করেন তৎকালীন মোশতাক অনুসারী জিয়াউর রহমান।

সবগুলো হত্যাকান্ডের বৈধতা দেন ইন্ডেমিনিটি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার আমলে ২০০৪ সালের ২১ শে আগষ্ট আরেকটি নৃশংসহ ঘটনা সংগঠিত হয়।

২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট এই দিনে গ্রেনেডের বিকট বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ঢাকার বঙ্গবন্ধু এ্যাভেনিউ। শেখ হাসিনার সমাবেশে অতর্কিত গ্রেনেড হামনায় নিহত হন প্রয়াত রাষ্ট্রপতির স্ত্রী মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতাকর্মী।

আহত হন শেখ হাসিনাসহ ৫’শ নেতাকর্মীও অনেক সাংবাদিক। এ হামলা ছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের কালরাতের বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের ধারাবাহিকতা। আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশুন্য করতে তথা সংগঠনকে নিঃশেষ করতে এই হামলা।

বঙ্গবন্ধু সহ ১৫ আগষ্ট ও ২১ আগষ্ট এ নিহত সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া শেষে অসহায়, দুস্থ ও পথচারীদের মাঝে রান্নাকরা খাবার বিতরণ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ।