সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং চোরাচালান প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর মহাপরিচালকের নির্দেশনা— “সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক”—এই মূলমন্ত্রে অনুপ্রাণিত হয়ে ব্যাটালিয়নটি সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক দুটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়। আজ সোমবার দুপুরে এক প্রেস রিলিজ করে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার মাদলা বিওপির একটি বিশেষ টহলদল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২,৪৬৮ পিস উন্নতমানের ভারতীয় শাড়ী জব্দ করে। জব্দকৃত শাড়ির আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৬ লাখ ২১ হাজার টাকা।
অন্যদিকে, শশীদল বিওপির আরেকটি টহলদল পৃথক অভিযানে ১৭,২৯৮ পিস উন্নতমানের চশমা জব্দ করতে সক্ষম হয়, যার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৩৮ লাখ ৩৮ হাজার ৪০০ টাকা।
উভয় অভিযানে জব্দকৃত পণ্যের মোট মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৪৪ লাখ ৫৯ হাজার ৪০০ টাকা। উদ্ধারকৃত চোরাচালান সামগ্রী কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি মার্চ ২০২৬ মাসে এ ব্যাটালিয়ন ১০ জন আসামিসহ মোট ১৬ কোটি ৪৩ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৫ টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্য জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে।
এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ থেকে তেল ও লুব্রিকেন্ট পাচার রোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় টহল কার্যক্রম ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবি ৬০ ব্যাটালিয়ন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম।
ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক 






















