ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ভেড়ামারায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ দৌলতপুরে বাংলা নববর্ষ উদযাপনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত গোদাগাড়ীতে জ্বালানি তেল বণ্টনে এসিল্যান্ডের কঠোর নজরদারি মান্দায় ভ্রাম্যমান আদালতের অবিযানে ৪টি গাড়িকে জরিমানা দৌলতপুরে রাতের আঁধারে মজুদ তেল বিক্রির অভিযোগ; অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বেই রণক্ষেত্র, দুজনের অবস্থা গুরুতর গৌরনদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ৩ ব্যবসায়ীকে জরিমানা, বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল জব্দ দশমিনায় ট্রান্সফর্মারে ব্যবহারিত চোরাই তৈল উদ্ধার, মালিক পালাতক। দশমিনায় স্কাউট দিবস পালন রাজশাহীতে হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু আত্রাইয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে গিয়ে পুলিশ সদস্যের দুই-পা বিচ্ছিন্ন

নওগাঁয় বিলুপ্তির পথে খেজুর গাছ

মো.আককাস আলী,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁয় শীতের সকালে রসের হাঁড়ি নিয়ে গাছিরা রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াতেন। এখন আর সেই দৃশ্য চোখে পড়ে না। অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও এক হাঁড়ি রস মেলে না। বিকেলে চোখে পড়ে না খেজুর গাছ কাটার দৃশ্য। একসময় এ অঞ্চলের খেজুর গাছ পোড়ানো হতো ইটভাটায়।

এর ফলে দিন দিন খেজুর গাছের সংখ্যা শুধুই কমেছে, নতুন করে খেজুর গাছের চারা রোপণে নেওয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ। এর ফলে প্রায় বিলুপ্তির পথে খেজুর গাছ। আর রস সংগ্রহ করা গাছিরাও পরিবর্তন করেছে তাঁদের পেশা।

এখন খেজুর রসের স্বাদ সবার ভাগ্যে জোটে না। একসময় গ্রামীণ জনপদে মৌসুমী খেজুরের রস দিয়েই শুরু হয় শীতের আমেজ। শীতকালে নতুন ধানের চাল দিয়ে বিভিন্ন রকমের পিঠা পায়েস তৈরিতে খেজুরের রস ও গুড়ের কোন জুড়ি নেই। এখন গাছিরা তাদের শীতকালের এই পেশা ছেড়ে নেমে গেছে অন্য কাজে।

বর্তমান কয়েক গ্রাম ঘুরেও একজন গাছি পাওয়া যায় না। উপজেলার ঈশ^রপুর গ্রামের বাবু বলেন, ‘আগের মত এলাকায় খেজুর গাছ নেই। আর খেজুর গাছ কেটে এখন পেট চলে না। বয়স হয়েছে, তাই আমি ওই পেশা ছেড়ে দিয়েছি।’ এ নিয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ বাবু অরুন চন্দ্র দেবনাথ জানান, খেজুর গাছ রোপণ ও সংরক্ষণের বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

নওগাঁয় বিলুপ্তির পথে খেজুর গাছ

আপডেট টাইম : ০৩:৫৪:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১

মো.আককাস আলী,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁয় শীতের সকালে রসের হাঁড়ি নিয়ে গাছিরা রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াতেন। এখন আর সেই দৃশ্য চোখে পড়ে না। অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও এক হাঁড়ি রস মেলে না। বিকেলে চোখে পড়ে না খেজুর গাছ কাটার দৃশ্য। একসময় এ অঞ্চলের খেজুর গাছ পোড়ানো হতো ইটভাটায়।

এর ফলে দিন দিন খেজুর গাছের সংখ্যা শুধুই কমেছে, নতুন করে খেজুর গাছের চারা রোপণে নেওয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ। এর ফলে প্রায় বিলুপ্তির পথে খেজুর গাছ। আর রস সংগ্রহ করা গাছিরাও পরিবর্তন করেছে তাঁদের পেশা।

এখন খেজুর রসের স্বাদ সবার ভাগ্যে জোটে না। একসময় গ্রামীণ জনপদে মৌসুমী খেজুরের রস দিয়েই শুরু হয় শীতের আমেজ। শীতকালে নতুন ধানের চাল দিয়ে বিভিন্ন রকমের পিঠা পায়েস তৈরিতে খেজুরের রস ও গুড়ের কোন জুড়ি নেই। এখন গাছিরা তাদের শীতকালের এই পেশা ছেড়ে নেমে গেছে অন্য কাজে।

বর্তমান কয়েক গ্রাম ঘুরেও একজন গাছি পাওয়া যায় না। উপজেলার ঈশ^রপুর গ্রামের বাবু বলেন, ‘আগের মত এলাকায় খেজুর গাছ নেই। আর খেজুর গাছ কেটে এখন পেট চলে না। বয়স হয়েছে, তাই আমি ওই পেশা ছেড়ে দিয়েছি।’ এ নিয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ বাবু অরুন চন্দ্র দেবনাথ জানান, খেজুর গাছ রোপণ ও সংরক্ষণের বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।