ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক , আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬ , আজকের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

নিত্যপণ্যের চড়া দামে দিশেহারা স্বল্প আয়ের মানুষ

নিত্যপণ্যের চড়া দামে দিশেহারা স্বল্প আয়ের মানুষ

মোহাম্মদ আককাস আলী :
নিত্যপণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে স্বল্প ও সীমিত আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা চরম সংকটে পড়েছে। চাল, ডাল, তেল, ডিম, মুরগি ও সবজিসহ প্রায় সব প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তি থাকায় সাধারণ মানুষের দৈনিক আয় দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে,পটল বিক্রি হচ্ছে ৭০টাকা কেজি, কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি, বরবটি ১২০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, কাঁকরোল ১০০ টাকা এবং বেগুন ১২০ টাকা কেজি দরে।
সবচেয়ে বেশি দাম কাঁচা মরিচের। বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে।
কয়েক সপ্তাহ আগেও ভালো মানের পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও বর্তমানে সেই পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। মাঝারি মানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি।
সবজির পাশাপাশি মাছের বাজারেও দাম চড়া রয়েছে। বড় রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজিতে। পাবদার দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৬০০ টাকা কেজি।
ডিমের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বর্তমানে ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কয়েক দিন আগেও যার দাম ছিল ১৩০ টাকা, আর দুই সপ্তাহ আগে পাওয়া যেত ১২০ টাকায়।
ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে প্রায় ২০ টাকা বেড়ে বর্তমানে ১৯০ থেকে ২১০ টাকার মধ্যে রয়েছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা কেজি দরে।
গরুর মাংসের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও তা এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা। অন্যদিকে খাসির মাংস কিনতে কেজিপ্রতি খরচ করতে হচ্ছে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, আবহাওয়া অনুকূলে এলে এবং কৃষিপণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক হলে বাজারে দাম কিছুটা কমতে পারে। প্রতিদিনের বাজার করতে গিয়ে সীমিত আয়ের মানুষের ব্যয় আরও বাড়ছে, যা তাদের সংসার পরিচালনায় নতুন চাপ তৈরি করছে।