ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক , আপলোডের সময় : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ , আজকের সময় : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

ভেড়ামারায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান উপলক্ষে সচেতনতামূলক সভা

ভেড়ামারায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান উপলক্ষে সচেতনতামূলক সভা

হেলাল মজুমদার, কুষ্টিয়া
জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজনন ও মা ইলিশ রক্ষায় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’ উপলক্ষে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে এবং কুষ্টিয়া মৎস্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে বুধবার  সলেমান শাহ  মাজারে পাশে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিরুল আরাফাত।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রাশেদ হাসান এবং নৌপুলিশের অফিসার ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম।
এ ছাড়া সভায় ভেড়ামারা থানার এসআই কামরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কুষ্টিয়া মৎস্য অধিদপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক সঞ্জয় কুমারের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে সরকার নির্ধারিত ২২ দিন নদীতে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ সময় সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার জন্য জেলে ও স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন বক্তারা।
সভায় জানানো হয়, ভেড়ামারা উপজেলার চারটি ইউনিয়নের মোট ৫০০ জন নিবন্ধিত মৎস্যজেলের মধ্যে সরকারি সহায়তা হিসেবে প্রত্যেককে ২৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ৮০ জন, বাহিরচর ইউনিয়নের ৯০ জন, জুনিয়াদহ ইউনিয়নের ১৪০ জন এবং মোকারিমপুর ইউনিয়নের ১৯০ জন জেলে রয়েছেন। সব মিলিয়ে ৫০০ জন জেলের মাঝে মোট ১২ হাজার ৫০০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়।
বক্তারা বলেন, মা ইলিশ রক্ষা করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; দেশের জাতীয় সম্পদ ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে জেলে, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে হবে।