ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
কুষ্টিয়া-১-এ ধানের শীষের ঝড়- ৮০ হাজার ভোটে রেজা আহমেদ বাচ্চুর জয় দৌলতপুরে ভোটগ্রহণ শুরু, এজেন্ট সংকট নিয়ে অভিযোগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন রাজশাহীর ৬ আসনে ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন, ভেড়ামারায় বিএনপি’র বিশাল জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত বাগমারায় জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে না থাকলে প্রাণনাশের হুমকি ও সহিংসতার অভিযোগ উঠেছে ভেড়ামারায় হোমিও দোকানের আড়ালে ভারতীয় মদ, ৩৬০ বোতল উদ্ধার পঞ্চগড় ২ আসনে বিএনপি জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১৫, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক  নওগাঁয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সমন্বয়  সভা আমরা দায়িত্ব পেলে পাঁচ বছরে দেশের চেহারা পাল্টে যাবে: সিলেটে জামায়াত আমির  প্রকাশ্যে সহযোগিতা করলেও, গোপনে বিদ্রোহ” বোয়ালমারীতে বিএনপির তিন নেতা বহিষ্কৃত: দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার কঠোর বার্তা

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার


শম্ভু সাহা পটুয়াখালী প্রতিনিধি: রাস্তার পাসেই সাজানো থাকে ইফতার। রোযাদার কিক্সাচালকরা যে যার মতো করে তুলে নিচ্ছেন ইফতারের প্যাকেট । পটুয়াখালী সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে প্যাকেটগুলো ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে রেখে দাড়িয়ে আছেন পটুয়াখালীবাসী সংগঠনের ৬ জন সদস্য।

আজ রবিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫ টার দিকে এ খাবার প্যাকেট দেয়া হবে। গত তিন দিন থেকে ইফতারি দেয়া হচ্ছে। এভাবে আজও দেয়া হবে।

দেখা যায় , বিকেল ৪ টার দিকে ৫০ টি প্যাকেট তৈরির কাজ শুরু করে সংগঠনের সদস্যরা । বিকেল ৫ টার দিকে শহরের সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে ইফতারির প্যাকেট সাজিয়ে দেয়া হয়। ওই রাস্তা দিয়ে রিক্সা চালক গেলে তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হয় রোজা আছেন কিনা। রোযা থাকলে এক প্যাকেট ইফতার ও ১ টি পানির বোতল নিয়ে যান । ইফতারের প্রত্যিক প্যাকেটে রয়েছে বুট, মুড়ি, পিয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, খেজুর ও জিলাপি ও সাথে একটি পানির বোতল। এ সব কার্যক্রম পরিচালনা করেন পটুয়াখালী বাসী নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

পটুয়াখালী বাসী সংগঠনের সভাপতি রায়হান আহমেদ বলেন, করোনার মধ্যে হোটেল বন্ধ রোজাদার রিস্কাচালকরা কোথায় ইফতার করবে একথা ভেবে আমারা এ আয়োজন করি। প্রতিদিন ৫০ টি ইফতারের প্যাকেট রোযাদার রিক্সা চালকদেও মাঝে বিতরন করি আমরা । আজকেও বিতরন করা হবে।

বিত্তবানদের সহায়তায় এ কার্যক্রম করা হয়। আমরা ৬ জন খাবার প্যাকেট করে সার্কিট হাউজের সামনের রাস্তায় সাজিয়ে রেখে দেই। রিক্সা চালক ছারা আর কেউ যাতে খাবার নিতে না পারে সেজন্য আমরা দাড়িয়ে থাকি। অনেক সংগঠনই খাবার দেয়ার সময় ছবি তোলে। কিন্তু রিক্সা চালকরা খাবার নেয়ার সময় এখানে কোন ছবি তোলা হয় না।

রিস্কা চালক রহিম বলেন, আমি রিক্সা চালিয়ে যে টাকা আয় হয় তাতে ভালো ইফতারি কিনে ইফতার করতে পারিনা। বিগত বছর গুলোতে বিভিন্ন মসজিদে ইফতার করতাম। এবছর করোনার কারনে মসজিদে মানুষে ইফতারি দেয়না হোটেনও বন্ধ। যারা এই আয়োজন করছে তাদের জন্য ইফতারি করে দোয়া করবো।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়া-১-এ ধানের শীষের ঝড়- ৮০ হাজার ভোটে রেজা আহমেদ বাচ্চুর জয়

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার

আপডেট টাইম : ১০:১৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার


শম্ভু সাহা পটুয়াখালী প্রতিনিধি: রাস্তার পাসেই সাজানো থাকে ইফতার। রোযাদার কিক্সাচালকরা যে যার মতো করে তুলে নিচ্ছেন ইফতারের প্যাকেট । পটুয়াখালী সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে প্যাকেটগুলো ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে রেখে দাড়িয়ে আছেন পটুয়াখালীবাসী সংগঠনের ৬ জন সদস্য।

আজ রবিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫ টার দিকে এ খাবার প্যাকেট দেয়া হবে। গত তিন দিন থেকে ইফতারি দেয়া হচ্ছে। এভাবে আজও দেয়া হবে।

দেখা যায় , বিকেল ৪ টার দিকে ৫০ টি প্যাকেট তৈরির কাজ শুরু করে সংগঠনের সদস্যরা । বিকেল ৫ টার দিকে শহরের সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে ইফতারির প্যাকেট সাজিয়ে দেয়া হয়। ওই রাস্তা দিয়ে রিক্সা চালক গেলে তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হয় রোজা আছেন কিনা। রোযা থাকলে এক প্যাকেট ইফতার ও ১ টি পানির বোতল নিয়ে যান । ইফতারের প্রত্যিক প্যাকেটে রয়েছে বুট, মুড়ি, পিয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, খেজুর ও জিলাপি ও সাথে একটি পানির বোতল। এ সব কার্যক্রম পরিচালনা করেন পটুয়াখালী বাসী নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

পটুয়াখালী বাসী সংগঠনের সভাপতি রায়হান আহমেদ বলেন, করোনার মধ্যে হোটেল বন্ধ রোজাদার রিস্কাচালকরা কোথায় ইফতার করবে একথা ভেবে আমারা এ আয়োজন করি। প্রতিদিন ৫০ টি ইফতারের প্যাকেট রোযাদার রিক্সা চালকদেও মাঝে বিতরন করি আমরা । আজকেও বিতরন করা হবে।

বিত্তবানদের সহায়তায় এ কার্যক্রম করা হয়। আমরা ৬ জন খাবার প্যাকেট করে সার্কিট হাউজের সামনের রাস্তায় সাজিয়ে রেখে দেই। রিক্সা চালক ছারা আর কেউ যাতে খাবার নিতে না পারে সেজন্য আমরা দাড়িয়ে থাকি। অনেক সংগঠনই খাবার দেয়ার সময় ছবি তোলে। কিন্তু রিক্সা চালকরা খাবার নেয়ার সময় এখানে কোন ছবি তোলা হয় না।

রিস্কা চালক রহিম বলেন, আমি রিক্সা চালিয়ে যে টাকা আয় হয় তাতে ভালো ইফতারি কিনে ইফতার করতে পারিনা। বিগত বছর গুলোতে বিভিন্ন মসজিদে ইফতার করতাম। এবছর করোনার কারনে মসজিদে মানুষে ইফতারি দেয়না হোটেনও বন্ধ। যারা এই আয়োজন করছে তাদের জন্য ইফতারি করে দোয়া করবো।