ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নির্বাচনোত্তর সহিংসতা বোয়ালমারীর ময়েনদিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণে সংঘর্ষবাড়িঘরে হামলা ভাংচুর অগ্নিসংযোগ কুষ্টিয়া-১-এ ধানের শীষের ঝড়- ৮০ হাজার ভোটে রেজা আহমেদ বাচ্চুর জয় দৌলতপুরে ভোটগ্রহণ শুরু, এজেন্ট সংকট নিয়ে অভিযোগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন রাজশাহীর ৬ আসনে ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন, ভেড়ামারায় বিএনপি’র বিশাল জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত বাগমারায় জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে না থাকলে প্রাণনাশের হুমকি ও সহিংসতার অভিযোগ উঠেছে ভেড়ামারায় হোমিও দোকানের আড়ালে ভারতীয় মদ, ৩৬০ বোতল উদ্ধার পঞ্চগড় ২ আসনে বিএনপি জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১৫, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক  নওগাঁয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সমন্বয়  সভা আমরা দায়িত্ব পেলে পাঁচ বছরে দেশের চেহারা পাল্টে যাবে: সিলেটে জামায়াত আমির 

যশোরে স্বাস্থ্য স্যানিটেশন ও আবাসন প্রকল্পের নামে ৪ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

যশোরে স্বাস্থ্য স্যানিটেশন ও আবাসন প্রকল্পের নামে ৪ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

যশোরে স্বাস্থ্য স্যানিটেশন ও আবাসন প্রকল্পের নামে ৪ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন


নজরুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি: যশোর জেলা কৃষি শ্রমিক ইউনিয়ন ও মানবসেবা ট্রেডার্স লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য স্যানিটেশন ও আবাসন প্রকল্পের নামে ৪ কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। নামমাত্র জামানতের বিনিময়ে দুই কক্ষবিশিষ্ট ঘর, বাথরুম, পানির ট্যাংকি ও সাবমারসিবল পাম্প স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় পাঁচ হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে এ টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা সোমবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী ফাতেমা খাতুন। তিনি জানান, মনিরামপুর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মুরাদ হোসেন ও স্বরূপদাহ গ্রামের শফিকুজ্জামান ২০২৪ সালের নভেম্বরে মাসে মণিরামপুর, অভয়নগরসহ ৮ উপজেলায় যশোর জেলা কৃষি শ্রমিক ইউনিয়ন ও মানবসেবা ট্রেডার্স লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান খোলেন। এরপর তাদের ২৫জনকে মাঠ কর্মী হিসেবে নিয়োগ দেন।

বিদেশী সহয়াতায় নামমাত্র মূল্যে বাড়ি, বাথরুম, সাবমারসিবল ও সোলার লাইট স্থাপনের জন্য সদস্য সংগ্রহের দায়িত্ব দেন। তারা গ্রামে গ্রামে ঘুরে পাঁচ হাজার গ্রাহক সংগ্রহ করেন। যাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় প্রায় ৪ কোটি টাকা আমানত সংগ্রহ করে প্রতিষ্ঠানে জমা দেয়া হয়। এক বছর অতিবাহিত হলেও কোন গ্রাহককে ঘর, বাথরুম, সাবমারসিবল ও সোলার লাইট কিছুই স্থাপন করে দেওয়া হয়নি।

গত দুই মাস আগে মুরাদ ও শফিকুজ্জামান আত্মগোপনে চলে যান। এখন গ্রাহকরা তাদের টাকা ফেরত পেতে তাদের উপরে চাপ সৃষ্টি করছে।তিনি আরও জানান, মুরাদ ও শফিকুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা উল্টো প্রতারণার মামলা ও ক্ষয়ক্ষতির হুমকি ধামকি দিচ্ছে।এ অবস্থায় মাঠকর্মী হিসেবে থাকা তারা ২৫ জন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ওই দুই প্রতারকের বিরুদ্ধে থানায়, সেনাবাহিনী ক্যাম্পসহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার মেলেনি। এমতাবস্থায় সংবাদ সম্মেলনে ওই দুই প্রতারকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ সহ ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা উদ্ধারে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে প্রতারণা শিকার মাঠকর্মী সালমা খাতুন, বেবি খাতুন, তিথি ইয়িসমিন, লিশা বেগম, মিনা খাতুন উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনোত্তর সহিংসতা বোয়ালমারীর ময়েনদিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণে সংঘর্ষবাড়িঘরে হামলা ভাংচুর অগ্নিসংযোগ

যশোরে স্বাস্থ্য স্যানিটেশন ও আবাসন প্রকল্পের নামে ৪ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট টাইম : ০২:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

যশোরে স্বাস্থ্য স্যানিটেশন ও আবাসন প্রকল্পের নামে ৪ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন


নজরুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি: যশোর জেলা কৃষি শ্রমিক ইউনিয়ন ও মানবসেবা ট্রেডার্স লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য স্যানিটেশন ও আবাসন প্রকল্পের নামে ৪ কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। নামমাত্র জামানতের বিনিময়ে দুই কক্ষবিশিষ্ট ঘর, বাথরুম, পানির ট্যাংকি ও সাবমারসিবল পাম্প স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় পাঁচ হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে এ টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা সোমবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী ফাতেমা খাতুন। তিনি জানান, মনিরামপুর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মুরাদ হোসেন ও স্বরূপদাহ গ্রামের শফিকুজ্জামান ২০২৪ সালের নভেম্বরে মাসে মণিরামপুর, অভয়নগরসহ ৮ উপজেলায় যশোর জেলা কৃষি শ্রমিক ইউনিয়ন ও মানবসেবা ট্রেডার্স লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান খোলেন। এরপর তাদের ২৫জনকে মাঠ কর্মী হিসেবে নিয়োগ দেন।

বিদেশী সহয়াতায় নামমাত্র মূল্যে বাড়ি, বাথরুম, সাবমারসিবল ও সোলার লাইট স্থাপনের জন্য সদস্য সংগ্রহের দায়িত্ব দেন। তারা গ্রামে গ্রামে ঘুরে পাঁচ হাজার গ্রাহক সংগ্রহ করেন। যাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় প্রায় ৪ কোটি টাকা আমানত সংগ্রহ করে প্রতিষ্ঠানে জমা দেয়া হয়। এক বছর অতিবাহিত হলেও কোন গ্রাহককে ঘর, বাথরুম, সাবমারসিবল ও সোলার লাইট কিছুই স্থাপন করে দেওয়া হয়নি।

গত দুই মাস আগে মুরাদ ও শফিকুজ্জামান আত্মগোপনে চলে যান। এখন গ্রাহকরা তাদের টাকা ফেরত পেতে তাদের উপরে চাপ সৃষ্টি করছে।তিনি আরও জানান, মুরাদ ও শফিকুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা উল্টো প্রতারণার মামলা ও ক্ষয়ক্ষতির হুমকি ধামকি দিচ্ছে।এ অবস্থায় মাঠকর্মী হিসেবে থাকা তারা ২৫ জন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ওই দুই প্রতারকের বিরুদ্ধে থানায়, সেনাবাহিনী ক্যাম্পসহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার মেলেনি। এমতাবস্থায় সংবাদ সম্মেলনে ওই দুই প্রতারকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ সহ ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা উদ্ধারে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে প্রতারণা শিকার মাঠকর্মী সালমা খাতুন, বেবি খাতুন, তিথি ইয়িসমিন, লিশা বেগম, মিনা খাতুন উপস্থিত ছিলেন।