ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দৌলতপুরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, বন্ধ তিন ফিলিং স্টেশন ভেড়ামারায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, মহড়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দৌলতপুরে টেকসই প্রকল্পের মূল্যায়ণ ও পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা ভেড়ামারা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে উত্তাল রাজশাহীর মোহনপুর রাজশাহীতে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত রেখে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন আ: রাজ্জাক ভেড়ামারায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত পবা’র নওহাটায় প্রাননাশের হুমকিসহ ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মোহনপুরে ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের হট্টোগোলে একজনের মৃত্যু ভেড়ামারায় বিএনপির নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীদের  বোম ও গুলি, গুলিতে আহত ১জন

যশোরে জানুয়ারির শুরুতেই বিভিন্ন জলাভূমিতে শীতের অতিথি পাখির সমাগম

যশোরে জানুয়ারির শুরুতেই বিভিন্ন জলাভূমিতে শীতের অতিথি পাখির সমাগম

নজরুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি: শীতের মৌসুম শুরু হতেই যশোরে জানুয়ারির শুরু থেকে বিভিন্ন জলাভূমিতে শীতের অতিথি পাখির সমাগম লক্ষ্য করা যাচ্ছে।বিভিন্ন জলাভূমি, যেমন কেশবপুর, শার্শার পদ্মবিল, বুকভরা বাওড়, প্যাঁচের বাওড়সহ বিস্তীর্ণ জলাশয় এলাকায় সুদূর সাইবেরিয়া ও হিমালয় অঞ্চল থেকে পরিযায়ী পাখিরা উষ্ণতার খোঁজে ছুটে আসছে। এসব অতিথি পাখির আগমনে পুরো অঞ্চলজুড়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভোরের কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশে দল বেঁধে উড়ে বেড়ানো পাখির কলরব ও জলাশয়ের বুকে ভেসে থাকা নানা প্রজাতির হাঁস, জলপাখি ও ছোট পরিযায়ী পাখি শীতের যশোরকে করে তুলেছে আরও মনোমুগ্ধকর। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, জানুয়ারির শুরুতে এবছর পাখির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যাচ্ছে।পরিবেশবিদরা জানান, শীতপ্রধান দেশগুলোতে তীব্র ঠান্ডা ও খাদ্যের সংকট দেখা দিলে এসব পাখি নিরাপদ আশ্রয় ও খাদ্যের সন্ধানে বাংলাদেশে আসে। যশোর অঞ্চলের জলাভূমি ও বাওড়গুলো তাদের জন্য নিরাপদ বিচরণভূমি হওয়ায় প্রতিবছর এখানে অতিথি পাখির উপস্থিতি বাড়ে।
তবে শীতের অতিথি পাখির আগমনের পাশাপাশি পাখি শিকার ও অবাধ বিচরণে বিঘ্ন একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোথাও কোথাও অবৈধভাবে পাখি শিকার, জাল ফেলা ও ফাঁদ পেতে পাখি ধরার অভিযোগ উঠেছে। এতে করে অতিথি পাখিদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
প্রকৃতিপ্রেমী ও পরিবেশকর্মীরা শীতের অতিথি পাখি সংরক্ষণে প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি, শিকার বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থানীয় জনগণকে সচেতন করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেন, অতিথি পাখির সুরক্ষা নিশ্চিত করা গেলে যশোরের প্রাকৃতিক পরিবেশ, পর্যটন সম্ভাবনা ও জীববৈচিত্র্য আরও সমৃদ্ধ হবে।শীত শেষে ফেব্রুয়ারি-মার্চের দিকে এসব অতিথি পাখি আবার নিজ নিজ আবাসস্থলে ফিরে যাবে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতপুরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, বন্ধ তিন ফিলিং স্টেশন

যশোরে জানুয়ারির শুরুতেই বিভিন্ন জলাভূমিতে শীতের অতিথি পাখির সমাগম

আপডেট টাইম : ০৮:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

যশোরে জানুয়ারির শুরুতেই বিভিন্ন জলাভূমিতে শীতের অতিথি পাখির সমাগম

নজরুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি: শীতের মৌসুম শুরু হতেই যশোরে জানুয়ারির শুরু থেকে বিভিন্ন জলাভূমিতে শীতের অতিথি পাখির সমাগম লক্ষ্য করা যাচ্ছে।বিভিন্ন জলাভূমি, যেমন কেশবপুর, শার্শার পদ্মবিল, বুকভরা বাওড়, প্যাঁচের বাওড়সহ বিস্তীর্ণ জলাশয় এলাকায় সুদূর সাইবেরিয়া ও হিমালয় অঞ্চল থেকে পরিযায়ী পাখিরা উষ্ণতার খোঁজে ছুটে আসছে। এসব অতিথি পাখির আগমনে পুরো অঞ্চলজুড়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভোরের কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশে দল বেঁধে উড়ে বেড়ানো পাখির কলরব ও জলাশয়ের বুকে ভেসে থাকা নানা প্রজাতির হাঁস, জলপাখি ও ছোট পরিযায়ী পাখি শীতের যশোরকে করে তুলেছে আরও মনোমুগ্ধকর। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, জানুয়ারির শুরুতে এবছর পাখির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যাচ্ছে।পরিবেশবিদরা জানান, শীতপ্রধান দেশগুলোতে তীব্র ঠান্ডা ও খাদ্যের সংকট দেখা দিলে এসব পাখি নিরাপদ আশ্রয় ও খাদ্যের সন্ধানে বাংলাদেশে আসে। যশোর অঞ্চলের জলাভূমি ও বাওড়গুলো তাদের জন্য নিরাপদ বিচরণভূমি হওয়ায় প্রতিবছর এখানে অতিথি পাখির উপস্থিতি বাড়ে।
তবে শীতের অতিথি পাখির আগমনের পাশাপাশি পাখি শিকার ও অবাধ বিচরণে বিঘ্ন একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোথাও কোথাও অবৈধভাবে পাখি শিকার, জাল ফেলা ও ফাঁদ পেতে পাখি ধরার অভিযোগ উঠেছে। এতে করে অতিথি পাখিদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
প্রকৃতিপ্রেমী ও পরিবেশকর্মীরা শীতের অতিথি পাখি সংরক্ষণে প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি, শিকার বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থানীয় জনগণকে সচেতন করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেন, অতিথি পাখির সুরক্ষা নিশ্চিত করা গেলে যশোরের প্রাকৃতিক পরিবেশ, পর্যটন সম্ভাবনা ও জীববৈচিত্র্য আরও সমৃদ্ধ হবে।শীত শেষে ফেব্রুয়ারি-মার্চের দিকে এসব অতিথি পাখি আবার নিজ নিজ আবাসস্থলে ফিরে যাবে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।