ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক

বাউফলে ০২ জুয়েলার্স ব‍্যবসায়ী সহ ৪  ডাকাত গ্রেফতার.

 মাসুদ রানা (বাউফল):  পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের চার সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (৪ জুলাই) দুপুরে বরিশালের কাউনিয়া এলাকার মরকখোলা থেকে রিয়াজ হাওলাদার (৩৫) ও অরুণ দাসকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়। পরে বিকেলে তাদের দেওয়া তথ্যমতে বাউফলের কেশবপুর গ্রাম থেকে ইসমাইল গাজী (৫৫) ও নুরাইনপুর গ্রাম থেকে হেমায়েদ সিকদারকে (৪৭) গ্রেফতার করা হয়।
এছাড়াও ডাকাতির সোনা ক্রয়ের জন্য বাউফলের রাজনগর এলাকার জুয়েলার্সের মালিক গৌতম কর্মকার (৪৪) ও মনোজ কর্মকার (৩৮) কে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুরে পটুয়াখালী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ সব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল হাসান। গ্রেফতারকৃত সকলের বাড়ি বাউফল উপজেলায় বলে জানা গেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল হাসান জানান, গত ১ জুলাই দিবাগত রাতে বাউফলের নুরাইনপুর এলাকার রুহুল আমিন সিকদারের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়। এ সময় ৮ থেকে ১০ জনের মুখোশধারী ডাকাত জানালার গ্রিল কেটে তার ঘরে প্রবেশ করে। পরে পরিবারের সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ মোট ১৩ লাখ ১৩ হাজার টাকার মালামাল লুটে নেয়।
এ ঘটনায় গত রোববার (৩ জুলাই) রুহুল আমিন বাদী হয়ে বাউফল থানায় অজ্ঞাত ১০ জনের বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার পরই বাউফল থানা পুলিশের তৎপরতায়  চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যমতে দুই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও ডাকাত ইসমাইলের বাড়ি থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রুহুল আমিনের বাড়িতে ডাকাতির বিষয়টি স্বীকার করেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  মাইনুল হাসান আরও প্রতিবেদককে জানান, “গ্রেফতার চার জন পেশাদার ডাকাত। ইসমাইল ডাকাতি মামলায় ৭ বছর জেল খেটেছে। রিয়াজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় ৬টি ডাকাতি মামলা রয়েছে, হেমায়েতের বিরুদ্ধে ৪টি ডাকাতি মামলা এবং অরুন দাসের বিরুদ্ধে ঝালকাঠিতে একটি মামলা রয়েছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হবে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন

বাউফলে ০২ জুয়েলার্স ব‍্যবসায়ী সহ ৪  ডাকাত গ্রেফতার.

আপডেট টাইম : ০৯:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২
 মাসুদ রানা (বাউফল):  পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের চার সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (৪ জুলাই) দুপুরে বরিশালের কাউনিয়া এলাকার মরকখোলা থেকে রিয়াজ হাওলাদার (৩৫) ও অরুণ দাসকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়। পরে বিকেলে তাদের দেওয়া তথ্যমতে বাউফলের কেশবপুর গ্রাম থেকে ইসমাইল গাজী (৫৫) ও নুরাইনপুর গ্রাম থেকে হেমায়েদ সিকদারকে (৪৭) গ্রেফতার করা হয়।
এছাড়াও ডাকাতির সোনা ক্রয়ের জন্য বাউফলের রাজনগর এলাকার জুয়েলার্সের মালিক গৌতম কর্মকার (৪৪) ও মনোজ কর্মকার (৩৮) কে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুরে পটুয়াখালী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ সব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল হাসান। গ্রেফতারকৃত সকলের বাড়ি বাউফল উপজেলায় বলে জানা গেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল হাসান জানান, গত ১ জুলাই দিবাগত রাতে বাউফলের নুরাইনপুর এলাকার রুহুল আমিন সিকদারের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়। এ সময় ৮ থেকে ১০ জনের মুখোশধারী ডাকাত জানালার গ্রিল কেটে তার ঘরে প্রবেশ করে। পরে পরিবারের সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ মোট ১৩ লাখ ১৩ হাজার টাকার মালামাল লুটে নেয়।
এ ঘটনায় গত রোববার (৩ জুলাই) রুহুল আমিন বাদী হয়ে বাউফল থানায় অজ্ঞাত ১০ জনের বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার পরই বাউফল থানা পুলিশের তৎপরতায়  চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যমতে দুই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও ডাকাত ইসমাইলের বাড়ি থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রুহুল আমিনের বাড়িতে ডাকাতির বিষয়টি স্বীকার করেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  মাইনুল হাসান আরও প্রতিবেদককে জানান, “গ্রেফতার চার জন পেশাদার ডাকাত। ইসমাইল ডাকাতি মামলায় ৭ বছর জেল খেটেছে। রিয়াজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় ৬টি ডাকাতি মামলা রয়েছে, হেমায়েতের বিরুদ্ধে ৪টি ডাকাতি মামলা এবং অরুন দাসের বিরুদ্ধে ঝালকাঠিতে একটি মামলা রয়েছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হবে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”