ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার মৌলীবাজার মডেলনথানার ওসি সাইফুলের উক্তি ১৯ সালে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি হলে ও থানার অফিসার ইনচার্জ ভাগ্যে জোটেছে২৫ সালে এক লাখ টাকা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কম্বোডিয়ায় মানবপাচারের দম্পতি গ্রেফতার বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন

মান্দায় মাতৃত্ব ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে

মান্দা ( নওগাঁ)প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় মাতৃত্ব ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নামে পাঁচ হাজার টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের ছাত্রলীগ নেতা লুৎফর রহমান বাবর এর বিরুদ্ধে । অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চক সাবাই নিচপাড়া গ্রামের মোঃ হারেজ উদ্দিনের স্ত্রী মোছাঃ শাহিনুর বেগমের কাছ থেকে মাতৃত্ব ভাতার কার্ড করে দিবে বলে তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। বিগত প্রায় একমাস আগে মাতৃত্ব ভাতা কার্ড করে দেবে বলে পাঁচ হাজার টাকা ন্যায় ছাত্রলীগ নেতা লুৎফর রহমান বাবর। শাহিনুর বেগম জানান, আমাকে মাতৃত্ব ভাতা কার্ড করে দেওয়ার নামে আমার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করে লুৎফর রহমান বাবর। কিন্তু ওই সময় আমার কাছে ২হাজার টাকা ছিল এবং আমি মানুষের কাছ থেকে তিন হাজার টাকা ধার করে মোট পাঁচ হাজার টাকা তাকে দেই এবং ঈদের আগে বাকি পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য আমাকে বলেছে কিন্তু সে আমাকে এখন পর্যন্ত কোন মাতৃত্ব ভাতা কার্ড দেয়নি পরে আমাকে আমাদের ওয়ার্ডের মেম্বার বাবুল আলী আমাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে বিনামূল্য মাতৃত্বভাতা কার্ড প্রদানের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের ডাকলে আমি সেখানে গিয়ে আমার এই ঘটনা খুলে বললে পরে মেম্বার আমাকে বুঝিয়ে বলে যে মাতৃত্ব ভাতা কার্ড নিতে কোন রকম টাকা লাগেনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা মাতৃত্ব ভাতার কার্ড বিনামূল্য করে দিচ্ছেন । পরে আমি বাসায় এসে লুৎফর রহমান বাবর এর কাছ থেকে টাকা চাইলে সে টাকা দিতে অস্বীকার করে। বিষয়টি নিয়ে লুৎফর রহমান বাবরের মুঠোফোনে ফোন দিলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ফোন কেটে দেই। পরে তাকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লায়লা আঞ্জুমান বানু’র সাথে কথা বললে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মান্দায় মাতৃত্ব ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে

আপডেট টাইম : ১১:০২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৩

মান্দা ( নওগাঁ)প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় মাতৃত্ব ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নামে পাঁচ হাজার টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের ছাত্রলীগ নেতা লুৎফর রহমান বাবর এর বিরুদ্ধে । অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চক সাবাই নিচপাড়া গ্রামের মোঃ হারেজ উদ্দিনের স্ত্রী মোছাঃ শাহিনুর বেগমের কাছ থেকে মাতৃত্ব ভাতার কার্ড করে দিবে বলে তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। বিগত প্রায় একমাস আগে মাতৃত্ব ভাতা কার্ড করে দেবে বলে পাঁচ হাজার টাকা ন্যায় ছাত্রলীগ নেতা লুৎফর রহমান বাবর। শাহিনুর বেগম জানান, আমাকে মাতৃত্ব ভাতা কার্ড করে দেওয়ার নামে আমার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করে লুৎফর রহমান বাবর। কিন্তু ওই সময় আমার কাছে ২হাজার টাকা ছিল এবং আমি মানুষের কাছ থেকে তিন হাজার টাকা ধার করে মোট পাঁচ হাজার টাকা তাকে দেই এবং ঈদের আগে বাকি পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য আমাকে বলেছে কিন্তু সে আমাকে এখন পর্যন্ত কোন মাতৃত্ব ভাতা কার্ড দেয়নি পরে আমাকে আমাদের ওয়ার্ডের মেম্বার বাবুল আলী আমাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে বিনামূল্য মাতৃত্বভাতা কার্ড প্রদানের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের ডাকলে আমি সেখানে গিয়ে আমার এই ঘটনা খুলে বললে পরে মেম্বার আমাকে বুঝিয়ে বলে যে মাতৃত্ব ভাতা কার্ড নিতে কোন রকম টাকা লাগেনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা মাতৃত্ব ভাতার কার্ড বিনামূল্য করে দিচ্ছেন । পরে আমি বাসায় এসে লুৎফর রহমান বাবর এর কাছ থেকে টাকা চাইলে সে টাকা দিতে অস্বীকার করে। বিষয়টি নিয়ে লুৎফর রহমান বাবরের মুঠোফোনে ফোন দিলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ফোন কেটে দেই। পরে তাকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লায়লা আঞ্জুমান বানু’র সাথে কথা বললে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।