ঢাকা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
মানবতার বাহক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সোহাগ’র উপর আস্থা দু:সময়ের তৃণমূল নেতৃবৃন্দের। ভেড়ামারায় নিরাময় ক্লিনিক বন্ধ: কুষ্টিয়া সিভিল সার্জনের আকস্মিক অভিযান ও কড়া নির্দেশ রাজশাহীতে স্বর্ণের দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, কয়েক কোটি টাকার স্বর্ণ লুট দৌলতপুরের বিলপাড়ায় বখাটেদের উৎপাত, আতঙ্কে স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা শরীফ উদ্দিন মুন্সীকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চাই জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে–পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম প্রতিবন্ধী শিশুরা সমাজের বোঝা নয়, তারা আমাদের গর্বের সম্পদ — ফরিদা ইয়াসমিন এমপি স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে সাশ্রয়ী মূল্যে নিরাপদ ভোজ্যতেল নিশ্চিতের আহ্বান ক্যাবের ভেড়ামারায় আওয়ামী লীগ ও জাসদ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ঘোড়াঘাটে জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বাংলাদেশের পুনর্জন্ম- তারেক শামস্ খান হিমু

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বাংলাদেশের পুনর্জন্ম- তারেক শামস্ খান হিমু

কাজি মোস্তফা রুমি,স্টাফ রিপোর্টার : আজ ১৭ মে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। দীর্ঘ ৬ বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের এই দিনে দেশে ফেরেন তিনি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নৃশংসভাবে নিহত হওয়ার সময় শেখ হাসিনা ছিলেন জার্মানিতে তার স্বামীর কাছে। এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানাও। এ কারণে ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা। পরবর্তী সময়ে তাদের ঠাঁই হয় প্রতিবেশী ভারতে। এক পর্যায়ে শেখ রেহানা লন্ডনে চলে যান। আর ভারতের নয়াদিল্লিতে নির্বাসিত জীবন কাটে শেখ হাসিনার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে্ গণমাধ্যমে এক বিশেষ বার্তা দিয়েছেন দক্ষিণ টাঙ্গাইলের গর্ব, নাগরপুর দেলদুয়ারের গণমানুষের নেতা, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রভাবশালী কর্মীবান্ধব জননেতা তারেক শামস্ খান হিমু। তিনি বিশেষ বার্তায় উল্লেখ করেন – শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বাংলাদেশের পুনর্জন্ম। সামরিক শাসকের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ ভূমিতে ফেরেন শেখ হাসিনা। ততদিনে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার স্বদেশে ফেরার ওইদিন রাজধানী ঢাকা মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। তুমুল বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে একনজর দেখার জন্য বিমানবন্দর থেকে শেরেবাংলা নগর এলাকাজুড়ে ঢল নামে মানুষের। ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ ‘শেখ হাসিনার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ স্লোগানে মুখরিত হয় ঢাকা। জনতার কণ্ঠে সেদিন ঘোষিত হয়েছিল ‘হাসিনা তোমায় কথা দিলাম পিতৃ হত্যার বদলা নেব’; ‘ঝড়-বৃষ্টি আঁধার রাতে আমরা আছি তোমার সাথে।’ আমি নাগরপুর দেলদুয়ারবাসী এবং টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ হতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার এই দুঃসাহসিক অগ্রযাত্রাকে জানাই শ্রদ্ধা।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মানবতার বাহক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সোহাগ’র উপর আস্থা দু:সময়ের তৃণমূল নেতৃবৃন্দের।

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বাংলাদেশের পুনর্জন্ম- তারেক শামস্ খান হিমু

আপডেট টাইম : ০১:২৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ মে ২০২৩

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বাংলাদেশের পুনর্জন্ম- তারেক শামস্ খান হিমু

কাজি মোস্তফা রুমি,স্টাফ রিপোর্টার : আজ ১৭ মে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। দীর্ঘ ৬ বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের এই দিনে দেশে ফেরেন তিনি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নৃশংসভাবে নিহত হওয়ার সময় শেখ হাসিনা ছিলেন জার্মানিতে তার স্বামীর কাছে। এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানাও। এ কারণে ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা। পরবর্তী সময়ে তাদের ঠাঁই হয় প্রতিবেশী ভারতে। এক পর্যায়ে শেখ রেহানা লন্ডনে চলে যান। আর ভারতের নয়াদিল্লিতে নির্বাসিত জীবন কাটে শেখ হাসিনার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে্ গণমাধ্যমে এক বিশেষ বার্তা দিয়েছেন দক্ষিণ টাঙ্গাইলের গর্ব, নাগরপুর দেলদুয়ারের গণমানুষের নেতা, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রভাবশালী কর্মীবান্ধব জননেতা তারেক শামস্ খান হিমু। তিনি বিশেষ বার্তায় উল্লেখ করেন – শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বাংলাদেশের পুনর্জন্ম। সামরিক শাসকের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ ভূমিতে ফেরেন শেখ হাসিনা। ততদিনে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার স্বদেশে ফেরার ওইদিন রাজধানী ঢাকা মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। তুমুল বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে একনজর দেখার জন্য বিমানবন্দর থেকে শেরেবাংলা নগর এলাকাজুড়ে ঢল নামে মানুষের। ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ ‘শেখ হাসিনার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ স্লোগানে মুখরিত হয় ঢাকা। জনতার কণ্ঠে সেদিন ঘোষিত হয়েছিল ‘হাসিনা তোমায় কথা দিলাম পিতৃ হত্যার বদলা নেব’; ‘ঝড়-বৃষ্টি আঁধার রাতে আমরা আছি তোমার সাথে।’ আমি নাগরপুর দেলদুয়ারবাসী এবং টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ হতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার এই দুঃসাহসিক অগ্রযাত্রাকে জানাই শ্রদ্ধা।