ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার মৌলীবাজার মডেলনথানার ওসি সাইফুলের উক্তি ১৯ সালে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি হলে ও থানার অফিসার ইনচার্জ ভাগ্যে জোটেছে২৫ সালে এক লাখ টাকা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কম্বোডিয়ায় মানবপাচারের দম্পতি গ্রেফতার বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন

বাঘায় তথ্য সংগ্রহ কালে সাংবাদিককে প্রাণ নাশের হুমকি

বাঘায় তথ্য সংগ্রহ কালে সাংবাদিককে প্রাণ নাশের হুমকি

রাজশাহী ব্যুরো: রাজশাহীর বাঘায় তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার রোষানলে পড়তে হয়েছে এক সাংবাদিককে। ঐ সাংবাদিকের নাম আবুল হাসেম। তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার (১০ জুলাই) বিকাল ৪ টায় বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের সাথে দেখা ও কথা বলতে যান সাংবাদিক আবুল হাসেম। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর ভিতরে চারদিকে ময়লা আর্বজনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকায় সেখানকার কর্তব্যরত লোকের সাথে কথা বললে তারা কিছু জানে না বলে জানায়। সেখানকার এই নোংরা পরিবেশের ভিডিও গ্রহনের সময় ডা. আসাদুজ্জামান আসাদের লোকজন বাধা প্রদান করেন এবং ফোন কেড়ে নেয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আসাদ সেখানে এসে উপস্থিত হয় এবং সাংবাদিক আবুল হাশেমকে জোর পূবর্ক তার অফিস কক্ষে নিয়ে যায়। এবং তাকে প্রায় ১ ঘন্টার মতো তার রুমে অবরুদ্ধ করে রাখেন। তাকে গলা কেটে নেওয়ার হুমকি দেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আসাদ। এই আসাদের বিরুদ্ধে এর আগেও বহুবার বহু অভিযোগ থাকলে অলৌকিক ক্ষমতা বলে ঐ চেয়ার দখলে রেখেছেন বহাল তবিয়তে। ব্যাপারটি নিয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনর্চাজ খায়রুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এই বিষয়ে আমরা অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্তে সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানতে চাইলে ডা: আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, আবুল হাসেম আমার পূর্ব পরিচিত। তাঁর বাসা আর আমার বাসা একই গ্রামে। সামান্য ভুলবোঝাবুঝি হয়েছে। অনিয়ম দুর্নীতি বা নোংরা পরিবেশ থাকলে সে আমাকে বলতে পারতো। আমাকে না বলে সে ভিডিও ধারণ করেছে, তা ঠিক করেননি। একারণে আমার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লোকজন তাকে বাধা দিয়েছে। পরে অবশ্য সেই ভুলবোঝাবুঝি ঠিক করে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কাজ করলে কাজের ভুলত্রুটি থাকতেই পারে। তাই বলে কি ভিডিও করা লাগবে। আমাকে বললেই তো হতো। উল্লেখ্য যে, বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিম্নমানের খাবার ও সরকারি ঔষুধ বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের থাকলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এই আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে।/

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাঘায় তথ্য সংগ্রহ কালে সাংবাদিককে প্রাণ নাশের হুমকি

আপডেট টাইম : ০৪:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০২৩

বাঘায় তথ্য সংগ্রহ কালে সাংবাদিককে প্রাণ নাশের হুমকি

রাজশাহী ব্যুরো: রাজশাহীর বাঘায় তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার রোষানলে পড়তে হয়েছে এক সাংবাদিককে। ঐ সাংবাদিকের নাম আবুল হাসেম। তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার (১০ জুলাই) বিকাল ৪ টায় বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের সাথে দেখা ও কথা বলতে যান সাংবাদিক আবুল হাসেম। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর ভিতরে চারদিকে ময়লা আর্বজনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকায় সেখানকার কর্তব্যরত লোকের সাথে কথা বললে তারা কিছু জানে না বলে জানায়। সেখানকার এই নোংরা পরিবেশের ভিডিও গ্রহনের সময় ডা. আসাদুজ্জামান আসাদের লোকজন বাধা প্রদান করেন এবং ফোন কেড়ে নেয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আসাদ সেখানে এসে উপস্থিত হয় এবং সাংবাদিক আবুল হাশেমকে জোর পূবর্ক তার অফিস কক্ষে নিয়ে যায়। এবং তাকে প্রায় ১ ঘন্টার মতো তার রুমে অবরুদ্ধ করে রাখেন। তাকে গলা কেটে নেওয়ার হুমকি দেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আসাদ। এই আসাদের বিরুদ্ধে এর আগেও বহুবার বহু অভিযোগ থাকলে অলৌকিক ক্ষমতা বলে ঐ চেয়ার দখলে রেখেছেন বহাল তবিয়তে। ব্যাপারটি নিয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনর্চাজ খায়রুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এই বিষয়ে আমরা অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্তে সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানতে চাইলে ডা: আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, আবুল হাসেম আমার পূর্ব পরিচিত। তাঁর বাসা আর আমার বাসা একই গ্রামে। সামান্য ভুলবোঝাবুঝি হয়েছে। অনিয়ম দুর্নীতি বা নোংরা পরিবেশ থাকলে সে আমাকে বলতে পারতো। আমাকে না বলে সে ভিডিও ধারণ করেছে, তা ঠিক করেননি। একারণে আমার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লোকজন তাকে বাধা দিয়েছে। পরে অবশ্য সেই ভুলবোঝাবুঝি ঠিক করে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কাজ করলে কাজের ভুলত্রুটি থাকতেই পারে। তাই বলে কি ভিডিও করা লাগবে। আমাকে বললেই তো হতো। উল্লেখ্য যে, বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিম্নমানের খাবার ও সরকারি ঔষুধ বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের থাকলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এই আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে।/