কুষ্টিয়ায় শিব শক্তি মন্দিরে যায়গা দখল করে বাথরুম ও নর্দমা তৈরি করার অভিযোগ।

193

আলেক চাঁদ : কুষ্টিয়ার শহরের আড়ুয়াপাড়ায় দত্ত পাড়ার ভোলানাথ পাল লেন এ অবস্থিত শিবশক্তি মন্দিরের যায়গা দখল করে বাথরুম ও নর্দমা তৈরি করার অভিযোগ। অভিযোগ সূত্রে জানাযায় প্রায় ১৭-১৮ বছর আগে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকা কালীন কুষ্টিয়া শহর বিএনপির নেতা বিশ্বনাথ পাল জোর পূর্বক মন্দির এর যায়গা দখল করে বাড়ির প্রাচীর ও বাথরুম তৈরি করে।

বর্তমানে তার উত্তরসূরী রনজীত সাহা তার স্ত্রী রুপালী সাহা, ছোট ভাই মনো সাহা ও তার স্ত্রী রীতা সাহা জোরপূর্বক বাথরুম এর মলমূত্র বের করার জন্য মন্দির এর যায়গার উপরে রাতের আধারে নর্দমা তৈরির জন্য মাটি কাটতে থাকে। এক পর্যায়ে বিষয় টি শিব শক্তি মন্দির কমিটি ও সচেতন মহল জানতে পারলে তারা বাধা দিলে ভোগদখলকারি রনজিত সাহা ও তার ছোট ভাই মনো সাহার সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে।পরে রনজিত সাহা ও মনো সাহার স্ত্রীরা বাধা প্রদান কারির দের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও মারা হুমকি দেয়।

এমন কি তারা বলেন আমরা মেয়ে মানুষ তোদের মারলে কিছুই হবে না। সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায় এবং এ বিষয় এ শিব শক্তি মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক রমেশ নাথ চ্যাটার্জীর সাথে কথা বললে তিনি সাংবাদিকদের বলেন এমন অভিযোগ আমার কাছেও এসেছে আমারা বিষয় টা দেখার জন্য মন্দির এ গেলে আমাদের গালিগালাজ ও হুমকি ধামকি দেওয়া হয়।তিনি আরো বলেন পরিস্থিতি যেকোনো সময় খারাপ হতে পারে এবং বিষয় টা সমাধান না হলে হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে মন্দির কমিটির সভাপতি গৌতম চাকী ও স্থানীয় সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বেক্তি বলেন বাথরুম ব্যবহার করার সময় প্রচুর দুর্গন্ধ বের হয় যা মন্দির এর আশেপাশে থাকা কষ্ট হয়ে যায়। এ বিষয় টা যদি প্রশাসন হস্তক্ষেপ না করে তাহলে সংখ্যালঘুরা নিজেদের মধ্যেই সংঘর্ষে লিপ্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কিছু মুসলিম ধর্মের মানুষ এবং তারা আরও দাবি করেন যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আগে জেন প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এটা একটা সুস্থ সমাধান করা হোক।