ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর একটি শাখা খাল থেকে এক শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মান্দায় চারটি রাস্তা এইচবিবিকরণ  কাজের উদ্বোধন করলেন ডা.টিপু এমপি মহাদেবপুরে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠির সুফলভোগীদের ছাগল ও খাদ্য উপকরণ বিতরণ লালপুরে ট্রাকের চাপায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত তানোরের লব্ব্যাতলা ব্রীজ উদ্বোধন করলেন মুজিবুর রহমান এমপি ঘোড়াঘাটে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেনের সহযোগিতায় বিদ্যুৎ ফিরে পেল ২৫০ পরিবার ভেড়ামারা হার্ডিঞ্জ ব্রিজ সংলগ্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ভেড়ামারায় ভ্রাম্যমান অভিযানে ক্লিনিকে জরিমানা ও কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ মাদারীপুরের কালকিনিতে ককটেল হামলা: বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট, আহত ১ গোদাগাড়িতে খোলা স্থানে মুরগির বিষ্ঠা ফেলায় জনদুর্ভোগ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসি

লক্ষ্মীপুর আদালতের মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজা

লক্ষ্মীপুর আদালতের মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজা

সোহেল হোসেন লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি। লক্ষ্মীপুরে ইয়াবা ট্যাবলেট রাখার দায়ে খোরশেদ আলম এক মাদক ব্যবসায়ীর ৫ পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। একই সাথে তার ১০দশ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ছয় মাসের কারাদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচার মো. রহিবুল ইসলাম এই রায় দেন। একই মামলায় জসিম নামে এক আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। রায়ের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত খোরশেদ আলম উপস্থিত ছিলেন না, জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছেন তিনি। অপর আসামি জসিম আদালতে উপস্থিত ছিল। খোরশেদ চাঁদপুর হাজীগঞ্জ পৌরসভার বান্ধুনীমুড়া গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে। জসিম রামগঞ্জ পৌরসভার কলছমা গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে। লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০১৮ইং সালের ২১ জুন রাতে পৌরসভার কলছমা গ্রামের মান্দার বাড়িতে অভিযান চালায় রামগঞ্জ থানা পুলিশ। এই সময় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়কালে খোরশেদ আলম ও তার ছোট ভাই সোহেল আলমকে আটক করা হয়। তাদের দুইজনের কাছ থেকে ১১০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় জসিম নামে আরেকজন৷ এই ঘটনায় রামগঞ্জ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মদ কাওসারুজ্জামান বাদি হয়ে আটককৃত খোরশেদ, মোঃ সোহেল ও পলাতক জসিমের নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) পংকজ কুমার সাহা। তিন আসামিকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ইং সালের ২৭ আগষ্ট তিনি আদালতে প্রতিবেদন দেন। পরে মামলায় দ্বিতীয় আসামি সোহেল আলম মারা গেলে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আদালত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামি খোরশেদ আলমের সাজা এবং অপর আসামি জসিমকে খালাস দিয়েছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর একটি শাখা খাল থেকে এক শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

লক্ষ্মীপুর আদালতের মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজা

আপডেট টাইম : ০৬:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪

লক্ষ্মীপুর আদালতের মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজা

সোহেল হোসেন লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি। লক্ষ্মীপুরে ইয়াবা ট্যাবলেট রাখার দায়ে খোরশেদ আলম এক মাদক ব্যবসায়ীর ৫ পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। একই সাথে তার ১০দশ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ছয় মাসের কারাদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচার মো. রহিবুল ইসলাম এই রায় দেন। একই মামলায় জসিম নামে এক আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। রায়ের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত খোরশেদ আলম উপস্থিত ছিলেন না, জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছেন তিনি। অপর আসামি জসিম আদালতে উপস্থিত ছিল। খোরশেদ চাঁদপুর হাজীগঞ্জ পৌরসভার বান্ধুনীমুড়া গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে। জসিম রামগঞ্জ পৌরসভার কলছমা গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে। লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০১৮ইং সালের ২১ জুন রাতে পৌরসভার কলছমা গ্রামের মান্দার বাড়িতে অভিযান চালায় রামগঞ্জ থানা পুলিশ। এই সময় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়কালে খোরশেদ আলম ও তার ছোট ভাই সোহেল আলমকে আটক করা হয়। তাদের দুইজনের কাছ থেকে ১১০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় জসিম নামে আরেকজন৷ এই ঘটনায় রামগঞ্জ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মদ কাওসারুজ্জামান বাদি হয়ে আটককৃত খোরশেদ, মোঃ সোহেল ও পলাতক জসিমের নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) পংকজ কুমার সাহা। তিন আসামিকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ইং সালের ২৭ আগষ্ট তিনি আদালতে প্রতিবেদন দেন। পরে মামলায় দ্বিতীয় আসামি সোহেল আলম মারা গেলে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আদালত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামি খোরশেদ আলমের সাজা এবং অপর আসামি জসিমকে খালাস দিয়েছেন।