ঢাকা ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
কালীগঞ্জে হোটেল ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ধরমপুরে চেয়ারম্যান প্রত্যাশী সোহেল রানার বিশাল মোটরসাইকেল র‍্যালি ও শোডাউন দৌলতপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী মহাসিন আলীর শোডাউন:কর্মী-সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড় নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেনের উঠান বৈঠক ভেড়ামারায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’-এর শুভ উদ্বোধন ‎ ভেড়ামারায় অক্সফোর্ড কিন্ডারগার্টেন স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত শ্রমিক আন্দোলনে হামলা-ভাঙচুর বন্ধে দফায় দফায় আশুলিয়ায় ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি নাগরপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচন-২০২৬ এর মনোনয়নপত্র বিক্রয় শুরু, প্রথম দিনেই হেভিওয়েট প্রার্থীদের ভিড় দৌলতপুরে নতুনকুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন করলেন এমপি বাচ্চু মোল্লা দৌলতপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তালগাছে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ১

লক্ষ্মীপুর আদালতের মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজা

লক্ষ্মীপুর আদালতের মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজা

সোহেল হোসেন লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি। লক্ষ্মীপুরে ইয়াবা ট্যাবলেট রাখার দায়ে খোরশেদ আলম এক মাদক ব্যবসায়ীর ৫ পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। একই সাথে তার ১০দশ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ছয় মাসের কারাদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচার মো. রহিবুল ইসলাম এই রায় দেন। একই মামলায় জসিম নামে এক আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। রায়ের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত খোরশেদ আলম উপস্থিত ছিলেন না, জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছেন তিনি। অপর আসামি জসিম আদালতে উপস্থিত ছিল। খোরশেদ চাঁদপুর হাজীগঞ্জ পৌরসভার বান্ধুনীমুড়া গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে। জসিম রামগঞ্জ পৌরসভার কলছমা গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে। লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০১৮ইং সালের ২১ জুন রাতে পৌরসভার কলছমা গ্রামের মান্দার বাড়িতে অভিযান চালায় রামগঞ্জ থানা পুলিশ। এই সময় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়কালে খোরশেদ আলম ও তার ছোট ভাই সোহেল আলমকে আটক করা হয়। তাদের দুইজনের কাছ থেকে ১১০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় জসিম নামে আরেকজন৷ এই ঘটনায় রামগঞ্জ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মদ কাওসারুজ্জামান বাদি হয়ে আটককৃত খোরশেদ, মোঃ সোহেল ও পলাতক জসিমের নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) পংকজ কুমার সাহা। তিন আসামিকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ইং সালের ২৭ আগষ্ট তিনি আদালতে প্রতিবেদন দেন। পরে মামলায় দ্বিতীয় আসামি সোহেল আলম মারা গেলে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আদালত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামি খোরশেদ আলমের সাজা এবং অপর আসামি জসিমকে খালাস দিয়েছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালীগঞ্জে হোটেল ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

লক্ষ্মীপুর আদালতের মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজা

আপডেট টাইম : ০৬:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪

লক্ষ্মীপুর আদালতের মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজা

সোহেল হোসেন লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি। লক্ষ্মীপুরে ইয়াবা ট্যাবলেট রাখার দায়ে খোরশেদ আলম এক মাদক ব্যবসায়ীর ৫ পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। একই সাথে তার ১০দশ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ছয় মাসের কারাদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচার মো. রহিবুল ইসলাম এই রায় দেন। একই মামলায় জসিম নামে এক আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। রায়ের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত খোরশেদ আলম উপস্থিত ছিলেন না, জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছেন তিনি। অপর আসামি জসিম আদালতে উপস্থিত ছিল। খোরশেদ চাঁদপুর হাজীগঞ্জ পৌরসভার বান্ধুনীমুড়া গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে। জসিম রামগঞ্জ পৌরসভার কলছমা গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে। লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০১৮ইং সালের ২১ জুন রাতে পৌরসভার কলছমা গ্রামের মান্দার বাড়িতে অভিযান চালায় রামগঞ্জ থানা পুলিশ। এই সময় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়কালে খোরশেদ আলম ও তার ছোট ভাই সোহেল আলমকে আটক করা হয়। তাদের দুইজনের কাছ থেকে ১১০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় জসিম নামে আরেকজন৷ এই ঘটনায় রামগঞ্জ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মদ কাওসারুজ্জামান বাদি হয়ে আটককৃত খোরশেদ, মোঃ সোহেল ও পলাতক জসিমের নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) পংকজ কুমার সাহা। তিন আসামিকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ইং সালের ২৭ আগষ্ট তিনি আদালতে প্রতিবেদন দেন। পরে মামলায় দ্বিতীয় আসামি সোহেল আলম মারা গেলে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আদালত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামি খোরশেদ আলমের সাজা এবং অপর আসামি জসিমকে খালাস দিয়েছেন।