1. zillu.akash@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@dailynewsbangla.com : Daily NewsBangla : Daily NewsBangla
দৌলতপুরে কাঠমিস্ত্রির কাছে আরবি পড়ে কোরআন শরিফ ধরলেন ৩০ শিক্ষার্থী - dailynewsbangla
সোমবার, ৩১ মার্চ ২০২৫, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বোয়ালমারীতে ১০ গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন বোয়ালমারীতে ১০ গ্রামে আগামীকাল ঈদ বোয়ালমারীতে ৬ শত অসহায় পরিবার পেলো চেয়ারম্যানের ঈদ খরচ নগদ অর্থ  বোয়ালমারী ভেড়ামারায় শামসুদ্দিন মাহমুদা ট্রাস্ট এর উদ্যোগে যাকাতের টাকায় গরু বিতরণ বিএনপির ভেতরে থাকা কিছু দুষ্কৃতিকারী অন্য দলের লোকদের এনে পুনরায় প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে – অভিযোগ বিএনপি নেতাদের সুনামগঞ্জ-১ আসনের সকলকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান- আনিসুল হক পশ্চিম শ্রীমদ্দি যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত গভীর রাতে সরকারি চাল চুরি, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গণধোলাই লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা লোকমান সহ ৫০ জনের ১ কোটি টাকার চাঁদাবাজি মামলা, গ্রে*ফতার -৪১ গোদাগাড়ীতে প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ, বিচারে বড় বাধা বিএনপি নেতারা

দৌলতপুরে কাঠমিস্ত্রির কাছে আরবি পড়ে কোরআন শরিফ ধরলেন ৩০ শিক্ষার্থী

ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৪

দৌলতপুরে কাঠমিস্ত্রির কাছে আরবি পড়ে কোরআন শরিফ ধরলেন ৩০ শিক্ষার্থী

রাফছান, দৌলতপুর,কুষ্টিয়া :কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার এক কাঠমিস্ত্রির পাঠদানে ৩০ জন শিক্ষার্থী  আরবি ভাষায় কোরআন শরিফ পাঠের প্রশিক্ষণ শেষে কোরআন শরিফ ধরেছেন ।

২৩ আগষ্ট শুক্রবার বাদ আসর উপজেলার পূর্বপাড়ার কাঠমিস্ত্রি আমজাদ হোসেনের বৈঠক খানায় ৩০ জন শিক্ষার্থী আরবি ভাষায় কোরআন শরিফ পাঠের প্রশিক্ষণ শেষে কোরআন শরিফ ধরেছেন।

এই উদ্যোগটি স্থানীয় মডেল মসজিদের ইমাম এর সহযোগিতায় আয়োজন করা হয় এবং এতে উপজেলা বাজারের শিলা ফার্নিচার এর স্বত্বাধিকারী স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি আমজাদ হোসেন প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।

শিক্ষার্থীদের বয়স ৭ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এবং তারা বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা থেকে এখানে আসেন। ৯ মাস প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীরা কোরআন শরিফ ধরার এবং আরবি পড়ার দক্ষতা অর্জন করেন।

উল্লেখ্য, গত বছর উপজেলা মডেল মসজিদের পেস ইমাম সাইফুল ইসলামের নিকট এক বছর দুই মাস পড়ে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করেন আমজাদ হোসেন।

কাঠমিস্ত্রি আমজাদ হোসেন বলেন, সকলের মাঝে ধর্মীয় শিক্ষা প্রচার ও প্রসারের জন্য এলাকার ছোট বড় ভাই বোনদের আমার বাড়ির বৈঠক খানায় বিনা বেতনে আরবি শিক্ষার কথা বললে অনেকে পড়তে আগ্রহ দেখায় তখন আমার দোকানের কাজের সময় থেকে এক দেড় ঘন্টা এই ধর্মীয় কাজে ব্যায় করে আজ আমি সফল হয়েছি। আগামীতে কেউ কোরআন শিক্ষা নিতে চাইলে আগের মতই শিক্ষা দেবেন বলে তিনি জানান।

ইমাম সাইফুল ইসলাম বলেন, “ফজর ও এশার নামাজের পরে অবসর টাইমে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের আরবি শিক্ষার ব্যবস্থা করেছি। আমজাদ হোসেন আমার নিকট থেকে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করে এখন বাচ্চাদের কোরআন শিক্ষায় অনুপ্রানিত করছেন। মহান রব তাকে এমন আরও ভাল কাজ করার তৌফিক দান করুন।

এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় সমাজে ধর্মীয় শিক্ষা প্রসারিত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা তাদের ধর্মীয় শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনা পাচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ