ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার মৌলীবাজার মডেলনথানার ওসি সাইফুলের উক্তি ১৯ সালে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি হলে ও থানার অফিসার ইনচার্জ ভাগ্যে জোটেছে২৫ সালে এক লাখ টাকা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কম্বোডিয়ায় মানবপাচারের দম্পতি গ্রেফতার বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন

বগুড়ায় সওজের জায়গায় অবৈধ ভাবে দখল করে মাছের আড়ৎ         

বগুড়ায় সওজের জায়গায় অবৈধ ভাবে দখল করে মাছের আড়ৎ         

(বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়া জেলার  মোকামতলাতে সড়ক ও জনপদের জায়গায় অবৈধ ভাবে দখল করে মাছের আড়ৎ গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশাল এলাকা জুড়ে ২৫ থেকে ২৬টি আড়ৎ ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ সমস্ত  আড়ৎ ঘরে মাছ বেচাকেনা চলে। স্থানীয়সহ পাশে জয়পুরহাট নওগাঁ নাটোর রাজশাহী জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মাছের আমদানি হয়ে থাকে। আমদানি হওয়া মাছগুলো বগুড়া শহরসহ গাইবান্ধা জেলা ও সোনাতলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মৎস ব্যবসায়ীরা মাছ কিনে নিয়ে যায়। মাছ বহনের জন্য মিনি ট্রাক ভটভটি ও অটো ভ্যান গাড়ি ব্যবহার করা হয়। প্রতিদিন ওইসব গাড়ির জন্য আড়ৎ এর পাশ দিয়ে যাওয়া মোকামতলা জয়পুরহাট ও বগুড়া রংপুর মহাসড়কে অনেক সময় যানজটের সৃষ্টি হয়। কয়েকজন আড়ৎ ব্যবসায়ী জানান মাছ বহনের গাড়ির সংখ্যা দেড় থেকে পৌনে দুইশ’ হবে। প্রতিদিন আড়ৎগুলো থেকে কোটি টাকার বেশি মাছ বেচাকেনা হয়। মাছ ক্রেতা বিক্রেতা ও আড়ৎ ঘর থেকে খাজনার নামে টাকা আদায় করা হয়। যার পরিমাণ প্রতিদিন লক্ষ টাকার বেশি। স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের দাবি সড়ক ও জনপদের জায়গায় থেকে অবৈধ মাছের আড়ৎ অপসারণ করে অন্য স্থানে মাছের আড়ৎ করার  ব্যবস্থা করা হোক। বগুড়া সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আছাদুজ্জামান জানান, কয়েকবার ওইসব অবৈধ মাছের আড়ৎ ঘর উচ্ছেদ করা হয়েছিল। কিন্তু উচ্ছেদের পর আবারও তারা আড়ৎ ঘর স্থাপন করে থাকে। ওই কর্মকর্তা আরও জানান  মহাসড়কে ফোর লেন কাজ শেষ হওয়ার পর আমরা যখন সড়কটি বুঝে পাব। তখন ওইসব অবৈধ আড়ৎ ঘর স্থানীয়ভাবে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনা নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় সওজের জায়গায় অবৈধ ভাবে দখল করে মাছের আড়ৎ         

আপডেট টাইম : ০৩:০৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

বগুড়ায় সওজের জায়গায় অবৈধ ভাবে দখল করে মাছের আড়ৎ         

(বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়া জেলার  মোকামতলাতে সড়ক ও জনপদের জায়গায় অবৈধ ভাবে দখল করে মাছের আড়ৎ গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশাল এলাকা জুড়ে ২৫ থেকে ২৬টি আড়ৎ ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ সমস্ত  আড়ৎ ঘরে মাছ বেচাকেনা চলে। স্থানীয়সহ পাশে জয়পুরহাট নওগাঁ নাটোর রাজশাহী জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মাছের আমদানি হয়ে থাকে। আমদানি হওয়া মাছগুলো বগুড়া শহরসহ গাইবান্ধা জেলা ও সোনাতলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মৎস ব্যবসায়ীরা মাছ কিনে নিয়ে যায়। মাছ বহনের জন্য মিনি ট্রাক ভটভটি ও অটো ভ্যান গাড়ি ব্যবহার করা হয়। প্রতিদিন ওইসব গাড়ির জন্য আড়ৎ এর পাশ দিয়ে যাওয়া মোকামতলা জয়পুরহাট ও বগুড়া রংপুর মহাসড়কে অনেক সময় যানজটের সৃষ্টি হয়। কয়েকজন আড়ৎ ব্যবসায়ী জানান মাছ বহনের গাড়ির সংখ্যা দেড় থেকে পৌনে দুইশ’ হবে। প্রতিদিন আড়ৎগুলো থেকে কোটি টাকার বেশি মাছ বেচাকেনা হয়। মাছ ক্রেতা বিক্রেতা ও আড়ৎ ঘর থেকে খাজনার নামে টাকা আদায় করা হয়। যার পরিমাণ প্রতিদিন লক্ষ টাকার বেশি। স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের দাবি সড়ক ও জনপদের জায়গায় থেকে অবৈধ মাছের আড়ৎ অপসারণ করে অন্য স্থানে মাছের আড়ৎ করার  ব্যবস্থা করা হোক। বগুড়া সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আছাদুজ্জামান জানান, কয়েকবার ওইসব অবৈধ মাছের আড়ৎ ঘর উচ্ছেদ করা হয়েছিল। কিন্তু উচ্ছেদের পর আবারও তারা আড়ৎ ঘর স্থাপন করে থাকে। ওই কর্মকর্তা আরও জানান  মহাসড়কে ফোর লেন কাজ শেষ হওয়ার পর আমরা যখন সড়কটি বুঝে পাব। তখন ওইসব অবৈধ আড়ৎ ঘর স্থানীয়ভাবে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনা নেওয়া হবে।