ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার মৌলীবাজার মডেলনথানার ওসি সাইফুলের উক্তি ১৯ সালে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি হলে ও থানার অফিসার ইনচার্জ ভাগ্যে জোটেছে২৫ সালে এক লাখ টাকা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কম্বোডিয়ায় মানবপাচারের দম্পতি গ্রেফতার বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

পলিনেট পদ্ধতিতে মরিচের চারা  উৎপাদন ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা 

পলিনেট পদ্ধতিতে মরিচের চারা  উৎপাদন ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা 

 (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার সোনাতলায় আগাম মরিচ চাষে পলিনেট পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। ইতিমধ্যে এই উপজেলায় ১২০টি স্থানে মরিচের চারা উৎপাদনের কাজ চলছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর এ উপজেলায় এক হাজার ১০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়, যা গত বছর ছিল ৯৬০ হেক্টর। গত বছরের তুলনায় এবার ৫০ হেক্টর জমিতে বেশি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে মরিচের চারা প্রস্তুতে কৃষক পলিনেট পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন। জানা গেছে, এ উপজেলার ১২০টি স্থানে কৃষক আগাম জাতের মরিচের চারা উৎপাদন ও পরিচর্যা শুরু করেছেন। গতকাল সোমবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে এই পদ্ধতিতে কৃষকদের চারা উৎপাদন ও পরিচর্যা করতে দেখা গেছে। বিশেষ করে উঁচু জায়গা, বাড়ির আঙ্গিনায়, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, পরিত্যক্ত জায়গায় এ পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন করতে দেখা গেছে। পাকুল্লা এলাকার কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, তার ১৭ শতক জমিতে আগাম জাতের হাইব্রিড বিজলী ও বিজলী প্লাস জাতের মরিচের চারা বপণ করেছেন। খাটিয়ামারী এলাকার কৃষক তুহিন মিয়া বলেন, পলিনেট পদ্ধতিতে চারা উৎপাদনে কোন ঝুঁকি নেই। নেই রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণের ভয়। গত বছর একই পরিমাণ জমিতে চারা উৎপাদন  ও প্রায় ৯ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করে পৌণে তিন লাখ টাকা আয় করেছি। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন জানান  এ উপজেলায় কৃষক দিন দিন পলিনেট পদ্ধতিতে চারা উৎপাদনে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। বীজ বপণের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে চারা রোপণের উপযোগী হয়। পলিনেট পদ্ধতিতে চারা উৎপাদনে নষ্ট হয় না। পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা পায়।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার মৌলীবাজার মডেলনথানার ওসি সাইফুলের উক্তি ১৯ সালে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি হলে ও থানার অফিসার ইনচার্জ ভাগ্যে জোটেছে২৫ সালে

পলিনেট পদ্ধতিতে মরিচের চারা  উৎপাদন ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা 

আপডেট টাইম : ০৭:৫৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪

পলিনেট পদ্ধতিতে মরিচের চারা  উৎপাদন ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা 

 (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার সোনাতলায় আগাম মরিচ চাষে পলিনেট পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। ইতিমধ্যে এই উপজেলায় ১২০টি স্থানে মরিচের চারা উৎপাদনের কাজ চলছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর এ উপজেলায় এক হাজার ১০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়, যা গত বছর ছিল ৯৬০ হেক্টর। গত বছরের তুলনায় এবার ৫০ হেক্টর জমিতে বেশি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে মরিচের চারা প্রস্তুতে কৃষক পলিনেট পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন। জানা গেছে, এ উপজেলার ১২০টি স্থানে কৃষক আগাম জাতের মরিচের চারা উৎপাদন ও পরিচর্যা শুরু করেছেন। গতকাল সোমবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে এই পদ্ধতিতে কৃষকদের চারা উৎপাদন ও পরিচর্যা করতে দেখা গেছে। বিশেষ করে উঁচু জায়গা, বাড়ির আঙ্গিনায়, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, পরিত্যক্ত জায়গায় এ পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন করতে দেখা গেছে। পাকুল্লা এলাকার কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, তার ১৭ শতক জমিতে আগাম জাতের হাইব্রিড বিজলী ও বিজলী প্লাস জাতের মরিচের চারা বপণ করেছেন। খাটিয়ামারী এলাকার কৃষক তুহিন মিয়া বলেন, পলিনেট পদ্ধতিতে চারা উৎপাদনে কোন ঝুঁকি নেই। নেই রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণের ভয়। গত বছর একই পরিমাণ জমিতে চারা উৎপাদন  ও প্রায় ৯ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করে পৌণে তিন লাখ টাকা আয় করেছি। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন জানান  এ উপজেলায় কৃষক দিন দিন পলিনেট পদ্ধতিতে চারা উৎপাদনে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। বীজ বপণের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে চারা রোপণের উপযোগী হয়। পলিনেট পদ্ধতিতে চারা উৎপাদনে নষ্ট হয় না। পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা পায়।