ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

সিন্ডিকেটের বেড়াজালে বন্দি বরেন্দ্র অঞ্চলের  ধান চাষীরা

সিন্ডিকেটের বেড়াজালে বন্দি বরেন্দ্র অঞ্চলের  ধান চাষীরা

মোহাম্মদ আককাস আলী : সিন্ডিকেটের বেড়াজালে বন্দি বরেন্দ্র অঞ্চলে ধান চাষীরা। এ অঞ্চলের চাষীরা সিন্ডিকেটের বেড়া ভাঙতে না পারায় বছরের পর বছর তাদেরকে লোকশানের মুখে পরতে হচ্ছে।
গত এক মাসের ব্যবধানে বাজারগুলোতে ধান বিক্রি করতে আসা কৃষকের তুলনায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। যার প্রভাবে সরবরাহ সংকটে প্রায়ই টালমাটাল পরিস্থিতি বিরাজ করছে ধানের বাজারদরে। বিষয়টিকে ‘সিন্ডিকেট’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে খুব শিগগির মজুতবিরোধী অভিযানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে প্রতিমণ স্বর্ণা-৫ জাতের ধান ১ হাজার ৪৪০ টাকা থেকে ১ হাজার ৪৫০ টাকা, শুভলতা ১ হাজার ৭০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৭৫০ টাকা, ব্রিধান-৪৯ ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৫৪০ টাকা, জিরাশাইল ১ হাজার ৮৭০ টাকা থেকে ১ হাজার ৯২০ টাকা, সম্পা কাটারি ১ হাজার ৭৬০ টাকা থেকে ১ হাজার ৮৭০ টাকা এবং হাইব্রিড ১ হাজার ৩৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা মণ দরে বেচাকেনা হচ্ছে। এক মাস আগে এই হাটে মানভেদে প্রতিমণ স্বর্ণা-৫ জাতের ধান ১ হাজার ৪৮০ টাকা থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, সুভলতা ১ হাজার ৬৬০ টাকা থেকে ১ হাজার ৭১০ টাকা, ব্রিধান-৪৯ ১ হাজার ৫৮০ টাকা থেকে ১ হাজার ৫৯০ টাকা, জিরাশাইল ১ হাজার ৬৮০ টাকা থেকে ১ হাজার ৭২০ টাকা, সম্পা কাটারী ১ হাজার ৭০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং হাইব্রিড ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৩৫০ টাকা মণ দরে বেচাকেনা হয়েছে।
ঈশ্বরপুর গ্রামের ধানচাষী পাঞ্জু সরদার জানান,
 ‘বাজারে বেচাকেনা হওয়া স্বর্ণা-৫ জাতের ধান ছাড়া বাকি চারটি জাতের ধানের কোনোটিই কৃষকের হাতে নেই। মৌসুমের শুরুতেই বিভিন্ন ফড়িয়া ব্যবসায়ী ও মজুতদাররা ধান কিনে রেখেছেন। তারাই এখন ওসব ধান বাজারে এনে চড়া দামে বিক্রি করছেন। এ সিন্ডিকেটের কারণে কখনোই কৃষকরা ফসলের ন্যায্যমূল্য পায় না।’
এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফরহাদ খন্দকার জানান, গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে জিরাশাইল ও সম্পা কাটারী জাতের চালের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা কমেছে।
তিনি বলেন, চালের দাম কমতে থাকায় মজুতবিরোধী অভিযান কিছুটা ধীরগতিতে চলছিল। অবৈধ মজুত করে বাজারে আবারও কেউ অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে। অবৈধ মজুতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার

সিন্ডিকেটের বেড়াজালে বন্দি বরেন্দ্র অঞ্চলের  ধান চাষীরা

আপডেট টাইম : ০৮:৩৪:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৫

সিন্ডিকেটের বেড়াজালে বন্দি বরেন্দ্র অঞ্চলের  ধান চাষীরা

মোহাম্মদ আককাস আলী : সিন্ডিকেটের বেড়াজালে বন্দি বরেন্দ্র অঞ্চলে ধান চাষীরা। এ অঞ্চলের চাষীরা সিন্ডিকেটের বেড়া ভাঙতে না পারায় বছরের পর বছর তাদেরকে লোকশানের মুখে পরতে হচ্ছে।
গত এক মাসের ব্যবধানে বাজারগুলোতে ধান বিক্রি করতে আসা কৃষকের তুলনায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। যার প্রভাবে সরবরাহ সংকটে প্রায়ই টালমাটাল পরিস্থিতি বিরাজ করছে ধানের বাজারদরে। বিষয়টিকে ‘সিন্ডিকেট’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে খুব শিগগির মজুতবিরোধী অভিযানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে প্রতিমণ স্বর্ণা-৫ জাতের ধান ১ হাজার ৪৪০ টাকা থেকে ১ হাজার ৪৫০ টাকা, শুভলতা ১ হাজার ৭০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৭৫০ টাকা, ব্রিধান-৪৯ ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৫৪০ টাকা, জিরাশাইল ১ হাজার ৮৭০ টাকা থেকে ১ হাজার ৯২০ টাকা, সম্পা কাটারি ১ হাজার ৭৬০ টাকা থেকে ১ হাজার ৮৭০ টাকা এবং হাইব্রিড ১ হাজার ৩৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা মণ দরে বেচাকেনা হচ্ছে। এক মাস আগে এই হাটে মানভেদে প্রতিমণ স্বর্ণা-৫ জাতের ধান ১ হাজার ৪৮০ টাকা থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, সুভলতা ১ হাজার ৬৬০ টাকা থেকে ১ হাজার ৭১০ টাকা, ব্রিধান-৪৯ ১ হাজার ৫৮০ টাকা থেকে ১ হাজার ৫৯০ টাকা, জিরাশাইল ১ হাজার ৬৮০ টাকা থেকে ১ হাজার ৭২০ টাকা, সম্পা কাটারী ১ হাজার ৭০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং হাইব্রিড ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৩৫০ টাকা মণ দরে বেচাকেনা হয়েছে।
ঈশ্বরপুর গ্রামের ধানচাষী পাঞ্জু সরদার জানান,
 ‘বাজারে বেচাকেনা হওয়া স্বর্ণা-৫ জাতের ধান ছাড়া বাকি চারটি জাতের ধানের কোনোটিই কৃষকের হাতে নেই। মৌসুমের শুরুতেই বিভিন্ন ফড়িয়া ব্যবসায়ী ও মজুতদাররা ধান কিনে রেখেছেন। তারাই এখন ওসব ধান বাজারে এনে চড়া দামে বিক্রি করছেন। এ সিন্ডিকেটের কারণে কখনোই কৃষকরা ফসলের ন্যায্যমূল্য পায় না।’
এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফরহাদ খন্দকার জানান, গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে জিরাশাইল ও সম্পা কাটারী জাতের চালের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা কমেছে।
তিনি বলেন, চালের দাম কমতে থাকায় মজুতবিরোধী অভিযান কিছুটা ধীরগতিতে চলছিল। অবৈধ মজুত করে বাজারে আবারও কেউ অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে। অবৈধ মজুতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।