দৌলতপুরে জুয়েলের নারী সমাবেশে ভিড় জমালেন পাঁচ হাজারের বেশি নারী কর্মী
দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
রবিবার বিকেল। দৌলতপুর গার্লস কলেজ চত্বর তখন কানায় কানায় পূর্ণ। শুধু কলেজ মাঠই নয়, আশপাশের সড়ক আর ফাঁকা জায়গাগুলোও ভরে ওঠে হাজারো নারী কর্মীতে। হাতে পতাকা, কাঁধে ব্যাগ, কারও মুখে স্লোগান, কেউ আবার চুপচাপ বসে শোনেন মঞ্চের বক্তব্য। দৃশ্যটা যেন এক উৎসবের।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি ও নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে আলোচনা করতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
আয়োজক ছিলেন কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ও ঢাকা উত্তর মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন জুয়েল।
মঞ্চে উঠেই জুয়েল বলেন, “নারীর উন্নয়ন ছাড়া জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনায় এলে নারীদের জন্য আলাদা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।” তাঁর বক্তব্যে করতালি দিয়ে সাড়া দেন মাঠভরা নারী কর্মীরা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জুয়েল নিজে, আর সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবিদ হাসান মন্টি সরকার। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি আলহাজ আলতাফ হোসেন। আরও বক্তব্য দেন কৃষক দলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম নান্নু, সাবেক সদস্য আলাউদ্দিন বাদল, কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সুরাইয়া আকতার কাজলি, দৌলতপুর ইউনিয়ন বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শারমিন আকতারসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নির্বাচিত নারী সদস্য।

সমাবেশ শুরুর আগে থেকেই গ্রাম থেকে দল বেঁধে মিছিল করে নারীরা কলেজ চত্বরে আসতে থাকেন। কারও গলায় দলীয় স্লোগান, কারও হাতে ব্যানার–ফেস্টুন। ভিড় সামলাতে মাঠের চারপাশে বিশেষ টিমও কাজ করেছে।
একই সঙ্গে সাধারণ নারীদের মধ্যেও ছিল উচ্ছ্বাস।
কলেজগেটের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারী কর্মী বললেন, “এত বড় নারী সমাবেশ এই এলাকায় আগে দেখিনি। আমরা চাই বিএনপি আবার ক্ষমতায় আসুক, যাতে নারীরা আরও সুযোগ পায়।”
সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলেও সমাবেশের মাঠ ফাঁকা হয়নি। হাজারো নারী কর্মীর উপস্থিতিতে দৌলতপুরের রাজনীতি যেন নতুন মাত্রা পেল।
ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক 



















