ভেড়ামারা বাহাদুরপুর ঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, উপজেলা প্রশাসনের হানা
হেলাল মজুমদার কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাহাদুরপুর ঘাট এলাকায় পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে লক্ষ লক্ষ টাকার বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। প্রতিদিন বালুবাহী গাড়ি দিয়ে নদী থেকে বালু পরিবহণ করছে একটি চক্র।
যত্রতত্র বালু উত্তোলনের ফলে বাহাদুরপুর ঘাটে চলমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হুমকির মুখে পড়বে বলে সচেতন মহল মনে করছে। সেই সাথে নদী-তীরবর্তী গ্রামের মানুষের বসতভিটা ও আবাদি জমি ভাঙনের সম্মুখিন হয়ে পড়বে।
সরেজমিনে বাহাদুরপুর ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নিজের ইচ্ছা মতো বালু উত্তোলন করছে। কিন্তু কারও যেন কিছু বলার নেই। এই বালু উত্তোলনের মাধ্যমে একদল মানুষ অবৈধভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা কামাচ্ছে, ভেকু দিয়ে যত্রতত্রভাবে বালু উত্তোলন করলে নদীর গতি পরিবর্তিত হয় এবং নদীর পাড় ভেঙে যায়। অর্থাৎ নদী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে প্রকৃতিরও ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, গুটিকয়েক লোকের স্বার্থসিদ্ধির জন্য এভাবে সর্বনাশ মেনে নেওয়া যায় না। এ ক্ষতি রোধ করতে হবে। তাদের দাবি, অবিলম্বে এই অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দোষী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
আসন্ন বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই শত শত বাড়িঘর ও ফসলী জমি পদ্মা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। আর প্রতিদিন ট্রাকে করে অবৈধভাবে বালু পরিবহনের কারণে রাস্তার মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।
ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা: গাজী আশিক বাহার বলেন, পদ্মা নদী থেকে যারা অবৈধভাবে ফিলিং বালু উত্তোলন করছেন সেই সব জড়িতদের রিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। “
ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক 



















