ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
পরিকল্পিত নগরায়ণ ও গুণগত মান নিশ্চিতে ভেড়ামারা পৌরসভায় অবকাঠামো অনুমোদন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাদক ও বিপুল পরিমাণ চোরাচালান পণ্যসহ বিজিবি’র হাতে গ্রেফতার-২ তিস্তা সেচ ক্যানেলে ডুবে প্রাণ গেল খালা-ভাগ্নির নাগরপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ শুরু: রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভরতা অর্জনের আহ্বান মণিপুরী ললিতকলা একাডেমির পরিচালক হলেন সাবেক পরিচালক রাম কান্ত সিংহ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা কারাগারে ভেড়ামারায় পদ্মার গ্রাসে বিলীন জনপদ: পাউবোর উদাসীনতায় দিশেহারা হাজারো কৃষক ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর প্রতিবাদে নাগরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলন

মহাদেবপুর মোমিনপুর কাঁচা মরিচের হাটে মাসে বিক্রি হয় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা  

মহাদেবপুর মোমিনপুর কাঁচা মরিচের হাটে মাসে বিক্রি হয় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা  

মোহাম্মদ আককাস আলী,নওগাঁ 
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের  মোমিনপুর জেলার সবচেয়ে বড় পাইকারি কাঁচা মরিচের হাট। সপ্তাহে মঙ্গলবার ও শুক্রবার দুই দিন হাটবার। এ’হাটে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকারেরা কাঁচা মরিচ কেনার জন্য আসেন।
মঙ্গলবার(২৩জুন) হাটে গিয়ে দেখা যায়,প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। যা এক সপ্তাহ আগে দাম ছিল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা। হঠাৎ দাম কমে যাওয়ায় হতাশায় কৃষকরা। কৃষকরা বলছেন, এ রকম দাম থাকলে অনেক লোকসান হবে।
পাটাকাটা  এলাকা থেকে আসা কৃষক ওসমান আলী ও খালেক জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কাঁচা মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু হাটে দাম কমে যাওয়ায় কৃষকদের উৎপাদন খরচই উঠবে না। মরিচ চাষে খরচ হয়েছে অনেক। এখন পর্যন্ত তারা যে পরিমাণ বিক্রি করেছেন তা দিয়ে শ্রমিকের মজুরি, কীটনাশক খরচ মিটিয়ে কিছুই থাকবে না। প্রথমে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হয়েছিল ১৩০-১৫০ টাকায় আর এখন তা ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বগুড়ার কাঁচা মরিচের ব্যবসায়ী সুব্রত পাল জানান,এই হাটের মরিচ ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় যায়।
মোমিনপুর হাট কমিটির সাধারণত সম্পাদক ফিরোজ হোসেন জানান, জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় কাঁচা মরিচের হাট এটি। বছরে ৬ থেকে ৭ মাস চলে এ হাট। আর প্রতি মাসে কাঁচা মরিচের বেচাকেনা হয় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা। তবে এখন যেভাবে দাম কমে গেছে কৃষকদের লোকসান হচ্ছে।
হাট কমিটির সভাপতি সাদেক হোসেন জানান,এ হাটে কৃষকদের কাছ থেকে কোন টোল আদায় করা হয় না।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো.মনজুর রহমান জানান, আবহাওয়া ভালো হওয়ায় কাঁচা মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। প্রথমে বাজার ভালো দাম ছিল, কিন্তু এখন কিছুটা কম হলে কৃষকরা বেশ লাভবান হবেন। তাই কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শসহ সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। এ বছর নওগাঁ জেলায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের চাষ হয়েছে।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পরিকল্পিত নগরায়ণ ও গুণগত মান নিশ্চিতে ভেড়ামারা পৌরসভায় অবকাঠামো অনুমোদন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

মহাদেবপুর মোমিনপুর কাঁচা মরিচের হাটে মাসে বিক্রি হয় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা  

আপডেট টাইম : ০৯:১৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

মহাদেবপুর মোমিনপুর কাঁচা মরিচের হাটে মাসে বিক্রি হয় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা  

মোহাম্মদ আককাস আলী,নওগাঁ 
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের  মোমিনপুর জেলার সবচেয়ে বড় পাইকারি কাঁচা মরিচের হাট। সপ্তাহে মঙ্গলবার ও শুক্রবার দুই দিন হাটবার। এ’হাটে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকারেরা কাঁচা মরিচ কেনার জন্য আসেন।
মঙ্গলবার(২৩জুন) হাটে গিয়ে দেখা যায়,প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। যা এক সপ্তাহ আগে দাম ছিল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা। হঠাৎ দাম কমে যাওয়ায় হতাশায় কৃষকরা। কৃষকরা বলছেন, এ রকম দাম থাকলে অনেক লোকসান হবে।
পাটাকাটা  এলাকা থেকে আসা কৃষক ওসমান আলী ও খালেক জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কাঁচা মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু হাটে দাম কমে যাওয়ায় কৃষকদের উৎপাদন খরচই উঠবে না। মরিচ চাষে খরচ হয়েছে অনেক। এখন পর্যন্ত তারা যে পরিমাণ বিক্রি করেছেন তা দিয়ে শ্রমিকের মজুরি, কীটনাশক খরচ মিটিয়ে কিছুই থাকবে না। প্রথমে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হয়েছিল ১৩০-১৫০ টাকায় আর এখন তা ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বগুড়ার কাঁচা মরিচের ব্যবসায়ী সুব্রত পাল জানান,এই হাটের মরিচ ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় যায়।
মোমিনপুর হাট কমিটির সাধারণত সম্পাদক ফিরোজ হোসেন জানান, জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় কাঁচা মরিচের হাট এটি। বছরে ৬ থেকে ৭ মাস চলে এ হাট। আর প্রতি মাসে কাঁচা মরিচের বেচাকেনা হয় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা। তবে এখন যেভাবে দাম কমে গেছে কৃষকদের লোকসান হচ্ছে।
হাট কমিটির সভাপতি সাদেক হোসেন জানান,এ হাটে কৃষকদের কাছ থেকে কোন টোল আদায় করা হয় না।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো.মনজুর রহমান জানান, আবহাওয়া ভালো হওয়ায় কাঁচা মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। প্রথমে বাজার ভালো দাম ছিল, কিন্তু এখন কিছুটা কম হলে কৃষকরা বেশ লাভবান হবেন। তাই কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শসহ সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। এ বছর নওগাঁ জেলায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের চাষ হয়েছে।