ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
গোদাগাড়ীতে মাদকসহ আটক ৪ ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড যমুনাপারের মানুষের জীবনগাথা নিয়ে আসছে নাটক ‘নতুন স্বপ্নের তরী’ মহাদেবপুর মোমিনপুর কাঁচা মরিচের হাটে মাসে বিক্রি হয় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা   তিন জেলার সীমান্ত করতোয়া নদীর চরে জুয়ার আসর -যৌথ অভিযান ছাড়া ধরাছোঁয়ার বাইরে মূল হোতারা ভেড়ামারায় পাবনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১ ‎ ভেড়ামারায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউন রাজশাহী প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদককে ঘিরে ষড়যন্ত্র, কল রেকর্ড কাটছাট করে অপপ্রচার! ‎ ‎অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি: ভেড়ামারায় ‘পাবনা সুইটস’কে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ‎ভেড়ামারায় বিএনপির পার্টি অফিস ভাঙচুর ‎ সাবেক মেম্বারকে প্রাণনাশের হুমকি টাকা ছিনতাই ‎ তানোর স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ 

মহাদেবপুর মোমিনপুর কাঁচা মরিচের হাটে মাসে বিক্রি হয় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা  

মহাদেবপুর মোমিনপুর কাঁচা মরিচের হাটে মাসে বিক্রি হয় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা  

মোহাম্মদ আককাস আলী,নওগাঁ 
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের  মোমিনপুর জেলার সবচেয়ে বড় পাইকারি কাঁচা মরিচের হাট। সপ্তাহে মঙ্গলবার ও শুক্রবার দুই দিন হাটবার। এ’হাটে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকারেরা কাঁচা মরিচ কেনার জন্য আসেন।
মঙ্গলবার(২৩জুন) হাটে গিয়ে দেখা যায়,প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। যা এক সপ্তাহ আগে দাম ছিল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা। হঠাৎ দাম কমে যাওয়ায় হতাশায় কৃষকরা। কৃষকরা বলছেন, এ রকম দাম থাকলে অনেক লোকসান হবে।
পাটাকাটা  এলাকা থেকে আসা কৃষক ওসমান আলী ও খালেক জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কাঁচা মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু হাটে দাম কমে যাওয়ায় কৃষকদের উৎপাদন খরচই উঠবে না। মরিচ চাষে খরচ হয়েছে অনেক। এখন পর্যন্ত তারা যে পরিমাণ বিক্রি করেছেন তা দিয়ে শ্রমিকের মজুরি, কীটনাশক খরচ মিটিয়ে কিছুই থাকবে না। প্রথমে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হয়েছিল ১৩০-১৫০ টাকায় আর এখন তা ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বগুড়ার কাঁচা মরিচের ব্যবসায়ী সুব্রত পাল জানান,এই হাটের মরিচ ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় যায়।
মোমিনপুর হাট কমিটির সাধারণত সম্পাদক ফিরোজ হোসেন জানান, জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় কাঁচা মরিচের হাট এটি। বছরে ৬ থেকে ৭ মাস চলে এ হাট। আর প্রতি মাসে কাঁচা মরিচের বেচাকেনা হয় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা। তবে এখন যেভাবে দাম কমে গেছে কৃষকদের লোকসান হচ্ছে।
হাট কমিটির সভাপতি সাদেক হোসেন জানান,এ হাটে কৃষকদের কাছ থেকে কোন টোল আদায় করা হয় না।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো.মনজুর রহমান জানান, আবহাওয়া ভালো হওয়ায় কাঁচা মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। প্রথমে বাজার ভালো দাম ছিল, কিন্তু এখন কিছুটা কম হলে কৃষকরা বেশ লাভবান হবেন। তাই কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শসহ সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। এ বছর নওগাঁ জেলায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের চাষ হয়েছে।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গোদাগাড়ীতে মাদকসহ আটক ৪ ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

মহাদেবপুর মোমিনপুর কাঁচা মরিচের হাটে মাসে বিক্রি হয় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা  

আপডেট টাইম : ০৯:১৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

মহাদেবপুর মোমিনপুর কাঁচা মরিচের হাটে মাসে বিক্রি হয় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা  

মোহাম্মদ আককাস আলী,নওগাঁ 
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের  মোমিনপুর জেলার সবচেয়ে বড় পাইকারি কাঁচা মরিচের হাট। সপ্তাহে মঙ্গলবার ও শুক্রবার দুই দিন হাটবার। এ’হাটে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকারেরা কাঁচা মরিচ কেনার জন্য আসেন।
মঙ্গলবার(২৩জুন) হাটে গিয়ে দেখা যায়,প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। যা এক সপ্তাহ আগে দাম ছিল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা। হঠাৎ দাম কমে যাওয়ায় হতাশায় কৃষকরা। কৃষকরা বলছেন, এ রকম দাম থাকলে অনেক লোকসান হবে।
পাটাকাটা  এলাকা থেকে আসা কৃষক ওসমান আলী ও খালেক জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কাঁচা মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু হাটে দাম কমে যাওয়ায় কৃষকদের উৎপাদন খরচই উঠবে না। মরিচ চাষে খরচ হয়েছে অনেক। এখন পর্যন্ত তারা যে পরিমাণ বিক্রি করেছেন তা দিয়ে শ্রমিকের মজুরি, কীটনাশক খরচ মিটিয়ে কিছুই থাকবে না। প্রথমে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হয়েছিল ১৩০-১৫০ টাকায় আর এখন তা ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বগুড়ার কাঁচা মরিচের ব্যবসায়ী সুব্রত পাল জানান,এই হাটের মরিচ ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় যায়।
মোমিনপুর হাট কমিটির সাধারণত সম্পাদক ফিরোজ হোসেন জানান, জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় কাঁচা মরিচের হাট এটি। বছরে ৬ থেকে ৭ মাস চলে এ হাট। আর প্রতি মাসে কাঁচা মরিচের বেচাকেনা হয় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা। তবে এখন যেভাবে দাম কমে গেছে কৃষকদের লোকসান হচ্ছে।
হাট কমিটির সভাপতি সাদেক হোসেন জানান,এ হাটে কৃষকদের কাছ থেকে কোন টোল আদায় করা হয় না।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো.মনজুর রহমান জানান, আবহাওয়া ভালো হওয়ায় কাঁচা মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। প্রথমে বাজার ভালো দাম ছিল, কিন্তু এখন কিছুটা কম হলে কৃষকরা বেশ লাভবান হবেন। তাই কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শসহ সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। এ বছর নওগাঁ জেলায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের চাষ হয়েছে।