ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দৌলতপুরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, বন্ধ তিন ফিলিং স্টেশন ভেড়ামারায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, মহড়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দৌলতপুরে টেকসই প্রকল্পের মূল্যায়ণ ও পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা ভেড়ামারা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে উত্তাল রাজশাহীর মোহনপুর রাজশাহীতে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত রেখে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন আ: রাজ্জাক ভেড়ামারায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত পবা’র নওহাটায় প্রাননাশের হুমকিসহ ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মোহনপুরে ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের হট্টোগোলে একজনের মৃত্যু ভেড়ামারায় বিএনপির নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীদের  বোম ও গুলি, গুলিতে আহত ১জন

দৌলতপুরে বন বিভাগের মালী থেকে, মালিক হয়েছে কবির হোসেন!

ছবি: দৌলতপুর বন বিভাগ।

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বন বিভাগের মালি কবির হোসেনই বন বিভাগের মালিক বনে গেছেন। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে এখানে কোন কর্মকর্তা আসেন না তাই মালী থেকে শুরু করে কর্মকর্তার কাজ সবই করে আসছেন কবির হোসেন। ফলে তার দৌরাত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ। গাছের চারা উৎপাদন, পরিচর্যা ও বিক্রয়, গাছের নিলাম, বিক্রয়, বনায়ন সহ নানাবিধ কর্ম সম্পাদন করে থাকেন তিনি। এখানকার দায়িত্বরত কর্মকর্তা কুষ্টিয়া জেলা শহরে থাকেন। কোন মাসে আসেন আবার কোন মাসে আসেন না।

গত দুদিন ধরে গোয়ালগ্রাম-শরিষাডুলি-নাটনাপাড়া সড়কের বনায়ন কর্মসুচির আওতায় বন বিভাগ সমিতির ৫৯জন উপকারভোগীর জনপ্রতি লাভের অংশ ৪৬০১ টাকার চেক বিতরণ কালে ৫’শ টাকা করে আদায় করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বন বিভাগের মালির বিরুদ্ধে। জানাযায়, গত ৭ই জানুয়ারী সামাজিক বন বিভাগ সমিতির আওতায় উপকার ভোগীদের মাঝে চেক বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও জেলা সামাজিক বন বিভাগ কর্মকর্তা। ঐ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের খরচের নামে ৫৯জন উপকার ভোগীদের মাঝে ৪৬০১ টাকার চেক প্রদান করার সময় নগদ ৫‘শ টাকা নেবার পরই চেক দিয়েছে মালী কবির হোসেন।

উপকার ভোগীরা জানায়, দৌলতপুর উপজেলা সামাজিক বন বিভাগের একমাত্র কর্মচারী কবির হোসেন উপকারভোগীদের চেক প্রদানের সময় বিভিন্ন খরচের কথা বলে তাদের কাছ থেকে নগদ ৫‘শ টাকা নিয়ে তারপর চেক দিয়েছেন। এ ব্যাপারে ব্যাপারে অভিযুক্ত মালী কবির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিষয়টি কাউকে না বলার কথা বলেন এবং নানা ভাবে এই প্রতিবেদক কে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন। উপজেলা বন সম্প্রসারন কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি তেমন কিছুই জানিনা। তিনি নিয়মিত অফিসে আসেন না। তাই যাবতীয় কাজ কর্মচারী কবির সম্পাদন করে থাকেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতপুরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, বন্ধ তিন ফিলিং স্টেশন

দৌলতপুরে বন বিভাগের মালী থেকে, মালিক হয়েছে কবির হোসেন!

আপডেট টাইম : ০৮:৫৭:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২১

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বন বিভাগের মালি কবির হোসেনই বন বিভাগের মালিক বনে গেছেন। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে এখানে কোন কর্মকর্তা আসেন না তাই মালী থেকে শুরু করে কর্মকর্তার কাজ সবই করে আসছেন কবির হোসেন। ফলে তার দৌরাত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ। গাছের চারা উৎপাদন, পরিচর্যা ও বিক্রয়, গাছের নিলাম, বিক্রয়, বনায়ন সহ নানাবিধ কর্ম সম্পাদন করে থাকেন তিনি। এখানকার দায়িত্বরত কর্মকর্তা কুষ্টিয়া জেলা শহরে থাকেন। কোন মাসে আসেন আবার কোন মাসে আসেন না।

গত দুদিন ধরে গোয়ালগ্রাম-শরিষাডুলি-নাটনাপাড়া সড়কের বনায়ন কর্মসুচির আওতায় বন বিভাগ সমিতির ৫৯জন উপকারভোগীর জনপ্রতি লাভের অংশ ৪৬০১ টাকার চেক বিতরণ কালে ৫’শ টাকা করে আদায় করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বন বিভাগের মালির বিরুদ্ধে। জানাযায়, গত ৭ই জানুয়ারী সামাজিক বন বিভাগ সমিতির আওতায় উপকার ভোগীদের মাঝে চেক বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও জেলা সামাজিক বন বিভাগ কর্মকর্তা। ঐ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের খরচের নামে ৫৯জন উপকার ভোগীদের মাঝে ৪৬০১ টাকার চেক প্রদান করার সময় নগদ ৫‘শ টাকা নেবার পরই চেক দিয়েছে মালী কবির হোসেন।

উপকার ভোগীরা জানায়, দৌলতপুর উপজেলা সামাজিক বন বিভাগের একমাত্র কর্মচারী কবির হোসেন উপকারভোগীদের চেক প্রদানের সময় বিভিন্ন খরচের কথা বলে তাদের কাছ থেকে নগদ ৫‘শ টাকা নিয়ে তারপর চেক দিয়েছেন। এ ব্যাপারে ব্যাপারে অভিযুক্ত মালী কবির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিষয়টি কাউকে না বলার কথা বলেন এবং নানা ভাবে এই প্রতিবেদক কে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন। উপজেলা বন সম্প্রসারন কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি তেমন কিছুই জানিনা। তিনি নিয়মিত অফিসে আসেন না। তাই যাবতীয় কাজ কর্মচারী কবির সম্পাদন করে থাকেন বলে তিনি জানিয়েছেন।