হোসেনপুরে সরকারি চাউল জব্দ। খাদ্য কর্মকর্তার ভূমিকা রহস্যজনক।

হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতাঃ
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল জব্দ করেছে এলাকাবাসী। কিন্তু খাদ্য কর্মকর্তার ভুমিকা রহস্যজনক হওয়ায় স্থানীয় এলাকাবাসী এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করে জরুরি প্রতিকার দাবি করেছেন।
 খোঁজ নিয়ে জানাযায় হোসেনপুর  উপজেলা সরকারি খাদ্যবান্ধব ভিজিএফ কার্ডের বিপুল পরিমাণ  সরকারি চাল জব্দ করেন কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার  হাজিপুর কাচারী বাজারে। উপস্থিত কয়েশত উৎসুক জনতা একটি লড়িভর্তি বস্তা দেখে সন্দেহ হলে গাড়িটি গতিরোধ করেন তারা। পরে চালকের কথাবার্তা আরো সন্দেহ বাড়তে থাকে পরে বস্তা খুলে দেখেন সরকারি চাউল। পরে স্থানীয় বিএনপির সভাপতি বাহার উদ্দিন কে জানালে বিষয়টি প্রশাসনে কে অভিহিত করেন। এরই ধারাবাহিকতায়
উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি )কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক  মোহসীন মাসনাদ এ অভিযান পরিচালনার জন্য ঘটনাস্থলে আসেন বস্তাগুলোর নমুনা চাউল সংগ্রহ করেন। উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিটন মিয়া জানান,  এগুলো সরকারি চাউল নয় এগুলো সাধারন চাউল। কর্মকর্তার এমন  কথা শুনে উপস্থিত উৎসুকজনতা হতঘুম্ব হয়ে পড়েন। বিষয়টি এলাকায় দারুন চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
কর্মকর্তার এমন কথা শুনে সরেজমিনে উপস্থিত সাংবাদিকরা হোসেনপুর তৌফিক এন্টারপ্রাইজের জব্দকৃত চাউল আর  বর্তমান  জব্দকৃত চাউলের মধ্যে পাথক্য জানতে চাইলে তিনি কোন সৎত্তর না দিয়ে চলে যান।
এ বিষয়ে হোসেনপুর উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা  মোহসী মাসনাদ বলেন, সরকারি চাল কিনা আমি বলতে পারবো না।  বলতে পারবেন খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা   আমি  শুধু অনিয়ম  অভিযোগের বিত্তিতে  সাজা পরিচালনা  করি ।