মাটিকাটা ইউনিয়নের বাতিঘর  ‘জনবন্ধু’ উকিল মিয়া

আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী  গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের (ইউপি)পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) ও জনবান্ধব সাদা মনের মানুষ
উকিল মিয়া।তিনি মানবতার বাতি ঘর সাধারণ মানুষের আশ্রয় স্থল।তিনি এখন আর কেবল একজন জনপ্রতিনিধি নন, তিনি হয়ে উঠেছেন অসহায় মানুষের শেষ আশ্রয় স্থল। তার মানবিক কর্মকাণ্ড এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ তাকে নিয়ে গেছে অন্য এক উচ্চতায়।
দিনরাত জনতার সেবায় একজন সত্যিকারের জনসেবকের পরিচয় পাওয়া যায় তার কর্ম তৎপরতায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, গভীর রাতেও যদি কোনো বিপদগ্রস্ত মানুষ তার বাড়ির দরজায় কড়া নাড়ে, তিনি বিন্দুমাত্র বিরক্ত হন না। বরং হাসিমুখে তাদের সমস্যার কথা শোনেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের চেস্টা করেন। তার বাড়ি ও হাবাসপুর কার্যালয়টি এখন মানুষের জন্য ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকা এক সেবাকেন্দ্র।
​অসাম্প্রদায়িক চেতনার অগ্রদূত
মেম্বার উকিল মিয়া সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বিশেষ করে ক্ষুদ্রনৃ-গোষ্ঠী, খৃষ্টান এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের  উন্নয়নে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে। ব্যক্তি উদ্যোগে তিনি বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের জন্য মসজিদ,
মন্দির,গীর্জা, কবরস্থান,শ্বসান ইত্যাদি সংস্কার ও নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার কাছে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষই সমান সম্মান ও ভালোবাসা পায়।
​অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের পরম বন্ধু
সমাজের অবহেলিত অংশ যেমন প্রতিবন্ধী, বিধবা ও বয়স্ক মানুষদের জন্য তিনি বিশেষ নজর দেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও সনাতন ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর যারা প্রতিবন্ধী বা দুস্থ, তাদের জন্য সরকারি প্রতিবন্ধী কার্ড এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দিতে তিনি শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছেন। অনেক কার্ড তিনি নিজে তদারকি করে অসহায় পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছেন।
এমনকি সরাসরি নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য (মেম্বার) জনসাধারণের যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগের জন্য তার নম্বর সংবলিত লিফলেট প্রতিটি বাড়ি বাড়ি সরবরাহ করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রশিদ ও মোজাম্মেল হক বলেন, তারা  ধন্য উকিল মিয়ার মতো একজন সৎ ও কর্মঠ মেম্বারকে পেয়ে। তারা বলেন,
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা উকিল মিয়ার রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি।