সাভার আশুলিয়া প্রতিনিধি:
ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ১৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি এবং ডাকাতির প্রস্তুতির মামলায় এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে চারটি মাদক মামলা রয়েছে। অপরজনের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে চারটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।
ডিবি পুলিশ জানায়, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় ও ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই মো. শাহাদাৎ হোসেনসহ একটি দল বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাভারের সিন্ধুরিয়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মো. গিয়াস উদ্দিন (৩২) ও মো. নজরুল ইসলাম (৩৫) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের কাছ থেকে ১৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য ৩৯ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডিবি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে চারটি মাদক মামলা রয়েছে। তাঁর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার কালতা দিঘিরপাড় এলাকায়। তিনি সাভারের বক্তারপুর বেদেপাড়ায় বসবাস করতেন। অপর গ্রেপ্তার নজরুল ইসলামের বাড়ি ঢাকার ধামরাই থানার সোমভাগ ইউনিয়নের ফুকুটিয়া গ্রামে। তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত ১২টা ৫ মিনিটে আশুলিয়া থানার পবনারটেক এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে মো. এরশাদ হোসেন (৪৫) নামের আরেক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে ডিবি উত্তর। ওসি মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই মো. আব্দুল মুত্তালিবসহ ডিবির একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
ডিবির ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এরশাদ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চুরি ও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার তথ্য দিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে চুরির দুটি, ডাকাতির একটি এবং অন্যান্য অপরাধে একটি মামলাসহ মোট চারটি মামলা রয়েছে। তাঁকে ডাকাতির প্রস্তুতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, “মাদক কারবারি, চোর, ডাকাতসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে ডিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ করে কেউ যেন পার পেয়ে যেতে না পারে, সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।