ঢাকা ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ভেড়ামারায় ২৪ হাজার শিশুকে হামের টিকা দেবে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এবার ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০৯ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিবে নওগাঁয় শুরু হয়েছে হামের টিকাদান লালপুরে জামাতের কর্মীর অবৈধ মাটি খননের বিরুদ্ধে অভিযান ২ লক্ষ টাকা জরিমানা  লালপুরে প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন তানোরে প্রবেশপত্র আটকে টাকা আদায় নওগাঁয় পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৩ রাজশাহীতে বর্ডারে বিজিবি নজরদারিতে অবহেলার অভিযোগ রাণীশংকৈলে ​নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে নেমে শ্রমিকের মৃত্যু কে.পি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবীন বরণ,বিদায় সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

৫০ বছর পর ভারতের কাছ থেকে ফিরে পেল বাংলাদেশ ৭৫শতাংশ জমি

মোহাম্মদ আককাস আলী : নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় ৭৫ শতাংশ জমির মালিকানা ভারতের কাছ থেকে ফিরে পেল বাংলাদেশ। উপজেলার আগ্রাদিগুন ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী রামচন্দ্রপুর এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ৫০ বছরের বিবাদ নিষ্পত্তি শেষে এই জমি ফিরে পেল বাংলাদেশ। বুধবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১৪ বিজিবি, পত্নীতলা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হামিদ উদ্দিন, পিএসসি।
বিজিবি জানায়, উপজেলার আগ্রাদিগুন সীমান্তে ২৫৭ /২০ আর পিলারে কাছে জমি নিয়ে বিজিবির সঙ্গে বিএসএফের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। অপরদিকে ওই জমিটি বাংলাদেশের ১০০ গজ অভ্যন্তরে হওয়ায় সেখানে বাংলাদেশের কৃষকেরা চাষাবাদ করে আসছিলো। বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পতাকা বৈঠকের আহ্বান করা হলে এতে সাড়া দেয় বিএসএফ। এরপর বুধবার (১২ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ১৪ বিজিবি, পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন এবং ১৬৪ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ আরাদপুরের মধ্যে সীমান্ত পিলার ২৫৮ /৬-এস এর নিকটবর্তী বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর ফুটবল মাঠে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বিজিবির পক্ষে ৬ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পত্নীতলা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হামিদ উদ্দিন, পিএসসি। অপরদিকে ১২ সদস্য বিশিষ্ট বিএসএফের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ভারতের আরাদপুর ১৬৪ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ কমান্ড্যান্ট শ্রী শঞ্জয় কুমার মিশ্রা।
এরপর উভয় দেশের সার্ভেয়ার দ্বারা জমির পরিমাপ করা হয়। মাপ শেষে ৭৫ শতাংশ জমিসহ অতিরিক্ত কিছু জমি পায় বাংলাদেশ। তবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষই ওই জমি ভোগদখল করতে পারবে না। এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পতাকা বৈঠকটি শেষ হয়। এ সময় ভারতের ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও বাংলাদেশের ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারায় ২৪ হাজার শিশুকে হামের টিকা দেবে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ

৫০ বছর পর ভারতের কাছ থেকে ফিরে পেল বাংলাদেশ ৭৫শতাংশ জমি

আপডেট টাইম : ১১:০০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩
মোহাম্মদ আককাস আলী : নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় ৭৫ শতাংশ জমির মালিকানা ভারতের কাছ থেকে ফিরে পেল বাংলাদেশ। উপজেলার আগ্রাদিগুন ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী রামচন্দ্রপুর এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ৫০ বছরের বিবাদ নিষ্পত্তি শেষে এই জমি ফিরে পেল বাংলাদেশ। বুধবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১৪ বিজিবি, পত্নীতলা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হামিদ উদ্দিন, পিএসসি।
বিজিবি জানায়, উপজেলার আগ্রাদিগুন সীমান্তে ২৫৭ /২০ আর পিলারে কাছে জমি নিয়ে বিজিবির সঙ্গে বিএসএফের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। অপরদিকে ওই জমিটি বাংলাদেশের ১০০ গজ অভ্যন্তরে হওয়ায় সেখানে বাংলাদেশের কৃষকেরা চাষাবাদ করে আসছিলো। বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পতাকা বৈঠকের আহ্বান করা হলে এতে সাড়া দেয় বিএসএফ। এরপর বুধবার (১২ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ১৪ বিজিবি, পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন এবং ১৬৪ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ আরাদপুরের মধ্যে সীমান্ত পিলার ২৫৮ /৬-এস এর নিকটবর্তী বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর ফুটবল মাঠে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বিজিবির পক্ষে ৬ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পত্নীতলা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হামিদ উদ্দিন, পিএসসি। অপরদিকে ১২ সদস্য বিশিষ্ট বিএসএফের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ভারতের আরাদপুর ১৬৪ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ কমান্ড্যান্ট শ্রী শঞ্জয় কুমার মিশ্রা।
এরপর উভয় দেশের সার্ভেয়ার দ্বারা জমির পরিমাপ করা হয়। মাপ শেষে ৭৫ শতাংশ জমিসহ অতিরিক্ত কিছু জমি পায় বাংলাদেশ। তবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষই ওই জমি ভোগদখল করতে পারবে না। এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পতাকা বৈঠকটি শেষ হয়। এ সময় ভারতের ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও বাংলাদেশের ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।