ঢাকা ১২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
কুষ্টিয়া-১-এ ধানের শীষের ঝড়- ৮০ হাজার ভোটে রেজা আহমেদ বাচ্চুর জয় দৌলতপুরে ভোটগ্রহণ শুরু, এজেন্ট সংকট নিয়ে অভিযোগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন রাজশাহীর ৬ আসনে ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন, ভেড়ামারায় বিএনপি’র বিশাল জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত বাগমারায় জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে না থাকলে প্রাণনাশের হুমকি ও সহিংসতার অভিযোগ উঠেছে ভেড়ামারায় হোমিও দোকানের আড়ালে ভারতীয় মদ, ৩৬০ বোতল উদ্ধার পঞ্চগড় ২ আসনে বিএনপি জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১৫, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক  নওগাঁয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সমন্বয়  সভা আমরা দায়িত্ব পেলে পাঁচ বছরে দেশের চেহারা পাল্টে যাবে: সিলেটে জামায়াত আমির  প্রকাশ্যে সহযোগিতা করলেও, গোপনে বিদ্রোহ” বোয়ালমারীতে বিএনপির তিন নেতা বহিষ্কৃত: দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার কঠোর বার্তা

বাউফলে ০২ জুয়েলার্স ব‍্যবসায়ী সহ ৪  ডাকাত গ্রেফতার.

 মাসুদ রানা (বাউফল):  পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের চার সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (৪ জুলাই) দুপুরে বরিশালের কাউনিয়া এলাকার মরকখোলা থেকে রিয়াজ হাওলাদার (৩৫) ও অরুণ দাসকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়। পরে বিকেলে তাদের দেওয়া তথ্যমতে বাউফলের কেশবপুর গ্রাম থেকে ইসমাইল গাজী (৫৫) ও নুরাইনপুর গ্রাম থেকে হেমায়েদ সিকদারকে (৪৭) গ্রেফতার করা হয়।
এছাড়াও ডাকাতির সোনা ক্রয়ের জন্য বাউফলের রাজনগর এলাকার জুয়েলার্সের মালিক গৌতম কর্মকার (৪৪) ও মনোজ কর্মকার (৩৮) কে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুরে পটুয়াখালী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ সব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল হাসান। গ্রেফতারকৃত সকলের বাড়ি বাউফল উপজেলায় বলে জানা গেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল হাসান জানান, গত ১ জুলাই দিবাগত রাতে বাউফলের নুরাইনপুর এলাকার রুহুল আমিন সিকদারের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়। এ সময় ৮ থেকে ১০ জনের মুখোশধারী ডাকাত জানালার গ্রিল কেটে তার ঘরে প্রবেশ করে। পরে পরিবারের সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ মোট ১৩ লাখ ১৩ হাজার টাকার মালামাল লুটে নেয়।
এ ঘটনায় গত রোববার (৩ জুলাই) রুহুল আমিন বাদী হয়ে বাউফল থানায় অজ্ঞাত ১০ জনের বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার পরই বাউফল থানা পুলিশের তৎপরতায়  চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যমতে দুই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও ডাকাত ইসমাইলের বাড়ি থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রুহুল আমিনের বাড়িতে ডাকাতির বিষয়টি স্বীকার করেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  মাইনুল হাসান আরও প্রতিবেদককে জানান, “গ্রেফতার চার জন পেশাদার ডাকাত। ইসমাইল ডাকাতি মামলায় ৭ বছর জেল খেটেছে। রিয়াজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় ৬টি ডাকাতি মামলা রয়েছে, হেমায়েতের বিরুদ্ধে ৪টি ডাকাতি মামলা এবং অরুন দাসের বিরুদ্ধে ঝালকাঠিতে একটি মামলা রয়েছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হবে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়া-১-এ ধানের শীষের ঝড়- ৮০ হাজার ভোটে রেজা আহমেদ বাচ্চুর জয়

বাউফলে ০২ জুয়েলার্স ব‍্যবসায়ী সহ ৪  ডাকাত গ্রেফতার.

আপডেট টাইম : ০৯:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২
 মাসুদ রানা (বাউফল):  পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের চার সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (৪ জুলাই) দুপুরে বরিশালের কাউনিয়া এলাকার মরকখোলা থেকে রিয়াজ হাওলাদার (৩৫) ও অরুণ দাসকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়। পরে বিকেলে তাদের দেওয়া তথ্যমতে বাউফলের কেশবপুর গ্রাম থেকে ইসমাইল গাজী (৫৫) ও নুরাইনপুর গ্রাম থেকে হেমায়েদ সিকদারকে (৪৭) গ্রেফতার করা হয়।
এছাড়াও ডাকাতির সোনা ক্রয়ের জন্য বাউফলের রাজনগর এলাকার জুয়েলার্সের মালিক গৌতম কর্মকার (৪৪) ও মনোজ কর্মকার (৩৮) কে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুরে পটুয়াখালী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ সব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল হাসান। গ্রেফতারকৃত সকলের বাড়ি বাউফল উপজেলায় বলে জানা গেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল হাসান জানান, গত ১ জুলাই দিবাগত রাতে বাউফলের নুরাইনপুর এলাকার রুহুল আমিন সিকদারের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়। এ সময় ৮ থেকে ১০ জনের মুখোশধারী ডাকাত জানালার গ্রিল কেটে তার ঘরে প্রবেশ করে। পরে পরিবারের সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ মোট ১৩ লাখ ১৩ হাজার টাকার মালামাল লুটে নেয়।
এ ঘটনায় গত রোববার (৩ জুলাই) রুহুল আমিন বাদী হয়ে বাউফল থানায় অজ্ঞাত ১০ জনের বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার পরই বাউফল থানা পুলিশের তৎপরতায়  চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যমতে দুই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও ডাকাত ইসমাইলের বাড়ি থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রুহুল আমিনের বাড়িতে ডাকাতির বিষয়টি স্বীকার করেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  মাইনুল হাসান আরও প্রতিবেদককে জানান, “গ্রেফতার চার জন পেশাদার ডাকাত। ইসমাইল ডাকাতি মামলায় ৭ বছর জেল খেটেছে। রিয়াজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় ৬টি ডাকাতি মামলা রয়েছে, হেমায়েতের বিরুদ্ধে ৪টি ডাকাতি মামলা এবং অরুন দাসের বিরুদ্ধে ঝালকাঠিতে একটি মামলা রয়েছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হবে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”