ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
লালপুরে প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন তানোরে প্রবেশপত্র আটকে টাকা আদায় নওগাঁয় পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৩ রাজশাহীতে বর্ডারে বিজিবি নজরদারিতে অবহেলার অভিযোগ রাণীশংকৈলে ​নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে নেমে শ্রমিকের মৃত্যু কে.পি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবীন বরণ,বিদায় সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রাজশাহীতে বর্ডারে বিজিবি নজরদারিতে অবহেলার অভিযোগ, কৃষকের থেকে নিলেন জরিমানা কালকিনিতে হত্যা মামলার আসামি ইউপি চেয়ারম্যান চাঁনমিয়া সিকদার গ্রেপ্তার ভেড়ামারায় বালুর স্তূপে ঢাকা পড়েছে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতু পিকআপ ভর্তি ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন জব্দ

মহাদেবপুর থেকে ফেনীতে পাঠানোর পথে নিখোঁজ চালের ২৪২ বস্তা উদ্ধার: আটক ২

মো.আককাস আলী,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর মহাদেবপুর থেকে
ফেনিতে নেয়ার সময় লাপাত্তা হওয়া ৫ লাখ টাকা মূল্যের ২৪২ বস্তা চাল উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে। আটকরা হলো পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের জনাব আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৮) ও আট ঘরিয়া উপজেলার কুমারেশ^র গ্রামের ছইমুদ্দিনের ছেলে শাহাজান আলী (৫০)।

গতকাল রবিবার দুপুরে থানা প্রাঙ্গনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজম উদ্দিন মাহমুদ এ তথ্য জানান। ওসি বলেন, ‘গত ১ ডিসেম্বর দুপুরে মহাদেবপুর উপজেলার আখেড়া এলাকার ওসমান এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের গোডাউন থেকে আদিব ট্রেডিং কর্পোরেশনের মালিক আবু নাসিম মশিউর রহমান বকুল একটি কাভার্ডভ্যানে ২৮০ বস্তা পাইজাম চাল ফেনী জেলার ইসলামপুর রোডের মেসার্স এবি সিদ্দিকী ট্রেডার্সের নামে পাঠান।

কিন্তু সে চাল আর ফেনিতে পৌঁছেনি। ঘটনার পর থেকে ওই কাভার্ডভ্যানের চালক ও মালিকের মোবাইলফোন বন্ধ পাওয়া যায়। দুদিন পর পাবনার একজন চাল ব্যবসায়ী মোবাইলফোনে বকুলকে জানান যে, তার প্রতিষ্ঠানের নাম ও মোবাইল নম্বর খোদাই করা বস্তায় ভরা চাল তিনি
কিনেছেন।

তিনি আরো চাল কিনতে চান। বকুল এ ব্যাপারে মহাদেবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে মহাদেবপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ ও এসআই আবু রায়হান সরদার শনিবার (৪ ডিসেম্বর) অভিযান চালিয়ে পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার বাহাদুরপুর বাজার থেকে লাপাত্তা হওয়া চালের মধ্যে ২৪২ বস্তা উদ্ধার করেন ও ওই দুইজনকে আটক করে মহাদেবপুর নিয়ে আসেন।’ মামলার বাদী বকুল জানান, তিনি নওগাঁ জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের মহাদেবপুর শাখার মাধ্যমে কাভার্ডভ্যানটি (খুলনা মেট্রো ট ১১- ১০৯০) ভাড়া নেন।

এর চালক ছিলেন ঢাকার সাভার এলাকার মৃত আনসার আলী শেখের
ছেলে মো. ছালাম হোসেন। পরে জানা যায় এর রেজিষ্ট্রেশন নং ভূয়া। চালকের ঠিকানাও সঠিক নয়।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লালপুরে প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

মহাদেবপুর থেকে ফেনীতে পাঠানোর পথে নিখোঁজ চালের ২৪২ বস্তা উদ্ধার: আটক ২

আপডেট টাইম : ০৫:৩৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২১

মো.আককাস আলী,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর মহাদেবপুর থেকে
ফেনিতে নেয়ার সময় লাপাত্তা হওয়া ৫ লাখ টাকা মূল্যের ২৪২ বস্তা চাল উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে। আটকরা হলো পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের জনাব আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৮) ও আট ঘরিয়া উপজেলার কুমারেশ^র গ্রামের ছইমুদ্দিনের ছেলে শাহাজান আলী (৫০)।

গতকাল রবিবার দুপুরে থানা প্রাঙ্গনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজম উদ্দিন মাহমুদ এ তথ্য জানান। ওসি বলেন, ‘গত ১ ডিসেম্বর দুপুরে মহাদেবপুর উপজেলার আখেড়া এলাকার ওসমান এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের গোডাউন থেকে আদিব ট্রেডিং কর্পোরেশনের মালিক আবু নাসিম মশিউর রহমান বকুল একটি কাভার্ডভ্যানে ২৮০ বস্তা পাইজাম চাল ফেনী জেলার ইসলামপুর রোডের মেসার্স এবি সিদ্দিকী ট্রেডার্সের নামে পাঠান।

কিন্তু সে চাল আর ফেনিতে পৌঁছেনি। ঘটনার পর থেকে ওই কাভার্ডভ্যানের চালক ও মালিকের মোবাইলফোন বন্ধ পাওয়া যায়। দুদিন পর পাবনার একজন চাল ব্যবসায়ী মোবাইলফোনে বকুলকে জানান যে, তার প্রতিষ্ঠানের নাম ও মোবাইল নম্বর খোদাই করা বস্তায় ভরা চাল তিনি
কিনেছেন।

তিনি আরো চাল কিনতে চান। বকুল এ ব্যাপারে মহাদেবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে মহাদেবপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ ও এসআই আবু রায়হান সরদার শনিবার (৪ ডিসেম্বর) অভিযান চালিয়ে পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার বাহাদুরপুর বাজার থেকে লাপাত্তা হওয়া চালের মধ্যে ২৪২ বস্তা উদ্ধার করেন ও ওই দুইজনকে আটক করে মহাদেবপুর নিয়ে আসেন।’ মামলার বাদী বকুল জানান, তিনি নওগাঁ জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের মহাদেবপুর শাখার মাধ্যমে কাভার্ডভ্যানটি (খুলনা মেট্রো ট ১১- ১০৯০) ভাড়া নেন।

এর চালক ছিলেন ঢাকার সাভার এলাকার মৃত আনসার আলী শেখের
ছেলে মো. ছালাম হোসেন। পরে জানা যায় এর রেজিষ্ট্রেশন নং ভূয়া। চালকের ঠিকানাও সঠিক নয়।