ঢাকা ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ভেড়ামারায় ‘প্রকৃতি ফাইন আর্টস ক্যাডেট ও বৃত্তি কোচিং সেন্টার’-এর শুভ উদ্বোধন তেল নিয়ে কারসাজি রাজশাহীর রহমান ফিলিং স্টেশনে দৌলতপুরে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, পেরেক ঢুকিয়ে যুবককে হত্যাচেষ্টা কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী নিহত দৌলতপুরে প্রভাবশালীদের তেল নেওয়া ঘিরে হট্টগোল, পুলিশ আহত রাজশাহীতে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ ও  রাজশাহী সেচ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন  পোরশায় স্ত্রীকে প্রেসার কুকার দিয়ে পিটিয়ে হত্যা -ঘাতক স্বামী গ্রেফতার  তানোরে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ফুলবাড়ীতে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ নওগাঁয় ২০ কেজি গাজাসহ এক মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার

সিলেট জুড়ে কৃষকরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বোরো ধান চাষে

সিলেট প্রতিনিধি : সিলেট বিভাগ জুড়ে কৃষকরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বোরো ধান চাষে। সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার জেলার উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষকরা বোরো ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ইতিমধ্যে হাওর গুলো ধান চাষের জন্য নানা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫,১৯৫ হেক্টর জমি। ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় অর্ধেক জমিতে আবাদ সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে মৌলভীবাজার জেলার উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের প্রতিটি মাঠে এখন কৃষকদের কর্মব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ সহজলভ্য হওয়ায় কৃষকরা উৎসাহের সাথে মাঠে নেমেছেন। কৃষি অফিসের তথ্যমতে মোট লক্ষ্যমাত্রা ৫,১৯৫ হেক্টর। বর্তমান অগ্রগতি লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৫০ শতাংশ জমি ইতোমধ্যে চাষের আওতায় এসেছে। উপজেলার ৯টি ইউনিয়নেই পর্যায়ক্রমে বোরো চারা রোপন চলছে।

মাঠে আবাদের তোড়জোড় থাকলেও কৃষকদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সেচ সুবিধা। কৃষকদের মতে, পর্যাপ্ত পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে বোরো চাষের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অনেক এলাকায় নিজস্ব পাম্প বা বিকল্প উপায়ে সেচ দেওয়া হলেও দুর্গম এলাকাগুলোতে পানির অভাব প্রকট।

কৃষকরা জানান, আবহাওয়া ভালো আছে, কিন্তু ঠিকমতো পানি না পেলে ধানের ফলন ব্যাহত হতে পারে। সেচ সুবিধা বাড়লে আমরা আরও বেশি জমিতে আবাদ করতে পারতাম। কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় জানান, বোরো জমিতে আবাদ সম্পন্ন করতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তারা আশা করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রোপন প্রক্রিয়া শেষ হবে। সেচ সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারায় ‘প্রকৃতি ফাইন আর্টস ক্যাডেট ও বৃত্তি কোচিং সেন্টার’-এর শুভ উদ্বোধন

সিলেট জুড়ে কৃষকরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বোরো ধান চাষে

আপডেট টাইম : ১১:১৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিলেট প্রতিনিধি : সিলেট বিভাগ জুড়ে কৃষকরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বোরো ধান চাষে। সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার জেলার উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষকরা বোরো ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ইতিমধ্যে হাওর গুলো ধান চাষের জন্য নানা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫,১৯৫ হেক্টর জমি। ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় অর্ধেক জমিতে আবাদ সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে মৌলভীবাজার জেলার উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের প্রতিটি মাঠে এখন কৃষকদের কর্মব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ সহজলভ্য হওয়ায় কৃষকরা উৎসাহের সাথে মাঠে নেমেছেন। কৃষি অফিসের তথ্যমতে মোট লক্ষ্যমাত্রা ৫,১৯৫ হেক্টর। বর্তমান অগ্রগতি লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৫০ শতাংশ জমি ইতোমধ্যে চাষের আওতায় এসেছে। উপজেলার ৯টি ইউনিয়নেই পর্যায়ক্রমে বোরো চারা রোপন চলছে।

মাঠে আবাদের তোড়জোড় থাকলেও কৃষকদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সেচ সুবিধা। কৃষকদের মতে, পর্যাপ্ত পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে বোরো চাষের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অনেক এলাকায় নিজস্ব পাম্প বা বিকল্প উপায়ে সেচ দেওয়া হলেও দুর্গম এলাকাগুলোতে পানির অভাব প্রকট।

কৃষকরা জানান, আবহাওয়া ভালো আছে, কিন্তু ঠিকমতো পানি না পেলে ধানের ফলন ব্যাহত হতে পারে। সেচ সুবিধা বাড়লে আমরা আরও বেশি জমিতে আবাদ করতে পারতাম। কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় জানান, বোরো জমিতে আবাদ সম্পন্ন করতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তারা আশা করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রোপন প্রক্রিয়া শেষ হবে। সেচ সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।