মোঃ জাকির হোসেন হাওলাদার, দশমিনা(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: পটুয়াখালী দশমিনায় অসহায় পরিবারে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নে সোমবার অসহায় ও দুস্তদের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরনে কম চাল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়ন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নে ২হাজার৬শত ৪৫ জন অসহায় ও দুস্তদের চাল বিতরনের জন্য ২৬টন ৪শত ৫০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।
জনসংখ্যার অনুপাতে ০৯ টি ওয়ার্ডে ৯ জন ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যদের মাঝে চাল বিতরনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসন এস.এম আরিফ হোসেন এর নির্দেশে ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ সোহাগ খান ইউপি সদস্যদের মাঝে ভাগ করে দেন। সোমবার সকালে চাল বিতরন শুরু হলে ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ইউপি সদস্যরা ৫ জনকে ৩০ কেজির আকবস্তা চাল বিতরন শুরু করেন এতে করে ২ হাজার ৬শত ৪৫ জনকে ১৫ টন ৮শত ৮০ কেজি চাল বিতরন করা হয়। এ ঘটনায় অসহায় পরিবার গুলো ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছে তাদের নেয্য ১০ কেজি চালের কথা বললে তারা ইউপি সদসদের সাথে কথা বলার জন্য বলেন। আলাকার লোকজন যা চাল পান তা নিয়ে বাড়ি চলে যায়।
সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের অসহায় ও দুস্ত পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে ২হাজার ৬শত৪৫ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করার কথা। এত করে ওই ইউনিয়নে ২৬ টন ৪শত ৫০ গ্রাম চাল বরাদ্দ থকলেও সেখানে ৫জনকে ৩০ কেজির এক বস্তা চাল দেওয়া হয় তাতে জনপ্রতি প্রাপ্য অনুসারে ৪ কেজি করে চাল কম দেওয়া হয়। বহরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ড সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সুখি বেগম ও ১ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য জলিল কে চাল কম দেওয়ার বিষয় জানতে চাইলে তারা বলেন আমাদের ওয়ার্ডে জনসংখ্যার তুলনায় বরাদ্দ কম দেওয়ায় ১০ কেজি করে চাল দিতে পারিনি কিন্তুু যারা আসছে সকলকে সমহারে চাল বিতরন করছি।
৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভুক্তোভোগী মুন্নি বেগম ও আল আমিন বলেন আমরা অসহায় সরকার আমাদের ১০ কিেজ করে চাল দিয়েছে সুখি মেম্বার আমাদের ৫জনকে ৩০ কেজির একটি বস্তা দিয়ে বলে যা দিয়েছি এর বেশি নাই। আমরা গরিব মানুষ কি বলবো।
০১ নম্বর ওয়ার্ডের নিজিম, মোসলেম ও বেগম বলেন, আমরা গরিব যা পাই তাই বেশি। চাল দেবে ১০ কেজি দেয় ৬ কেজি। আমাদের কথা শোনার কেহ নাই। মেম্বারকে বললে জারি দেয়। তাই চুপ থাকি।
বহরমপুর ইউনিয়ানের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ সোহাগ খান জানান, চাল সমহারে বন্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইউপি সদস্যদের। কোন ইউপি সদস্য চাল কম দিলে তা তার বিষয় আমার জানান নেই। ওই ইউপি সদস্যের কাছে যান তিনি ভালো বলতে পারবেন। বরাদ্দ অনুপাতে লোক বেশি হলে ইউপি সদস্যরা সকলকে দিলে কম হতে পারে।
বহরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসন এস.এম আরিফুর রহমান জানান, ইউনিয়নে মাট ২হাজার ৬ শত৪৫ জনের নামে ১০ কেজি কওে ২৬টন ৪শত কেজি ৫০গ্রাম চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।আমি ১০ কেজি হারে ১২ জন ইউপি সদস্যকে বন্টন করে দিয়েছি। চাল কম দেওয়ার বিষয়টি আমার কাছে মৌখিকভাবে আসলে আমি তাৎক্ষনিক ইউপি সদস্যদের সতর্ককরি। পরে চাল কম দেওয়ার বিষয় জানা নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, চাল কম দেওয়ার বিষয় জানা নেই অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক 






















