ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী আগমন উপলক্ষে ছাত্রদলের স্বাগত মিছিল সাংবাদিক জহিরুলের মামলা প্রত্যাহার ও আলিফ ফকির হত্যার বিচারের দাবিতে শ্রীপুরে মানববন্ধন মো: আব্দুল বাতেন বাচ্চু, সিলেটের সম্প্রীতির ঐতিহ্য ভবিষ্যতেও ধরে রাখতে হবে – সিসিক প্রশাসক প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী আগমন উপলক্ষে ছাত্রদলের স্বাগত মিছিল কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’ উদ্বোধন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ, বিচারের দাবিতে থানায় বাবা নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীকে গুলি নাগরপুরে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, বিপিএম সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে ভালুকায় মানববন্ধন গোসলে নেমে নিখোঁজ স্কুল শিক্ষর্থীর মরদেহ উদ্ধার,

আদর্শ মানুষ গড়ার কারিগর এর কখনও মৃত্যু হয় না

এম. রহমানঃ একজন আদর্শ মানুষ গড়ার কারিগর এর কখনও মৃত্যু হয় না। তিনি তাঁর সততা, দক্ষতা, যোগ্যতা, দেশপ্রেম, ত্যাগের মহিমা ও নৈতিকতার মাধ্যমে ছাত্রদের মনোজগতে অমরত্বের বীজ বপন করে যান। ৩১ জুলাই ২০২১ খ্রীঃ বরেণ্য শিক্ষাবিদ, আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর, সমাজ সংস্কারক,দৌলতপুর স্কাউটের ব্যাডেন পাওয়েল খ্যাত,স্বপ্নের ফেরিওয়ালা, সাবেক উপজেলা শিক্ষা অফিসার, ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মরহুম আলহাজ্ব মুহাঃ শাহ্জাহান স্যারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী।

তিনি সমকালীন বিরল একজন আদর্শবান শিক্ষক হিসেবে ছাত্রদের শুধু স্বপ্নই নয়, স্বপ্ন পূরণের পথ বাতলে দিতেন এবং সঠিক রাস্তা দেখাতেন। আমাদের দেশের প্রায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আজ সততা নির্বাসিত, শিষ্টাচার দুর্লভ, বেশীর ভাগ শিক্ষার্থীরা আজ পথভ্রষ্ট ও বিভ্রান্ত। সমাজ ও রাষ্ট্রে নৈতিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর অগ্নি-মশাল নিয়ে ব্রতী যে শিক্ষক তিনিই পারেন আলোর পথ দেখাতে। আর সেই আলোর ফেরিওয়ালা মরহুম আলহাজ্ব মুহাঃ শাহ্জাহান স্যারের কর্ম ও শিক্ষাজীবন ছিল সাফল্যে পরিপূর্ণ। গণতন্ত্র, সুশাসন, কথা বলার স্বাধীনতা, মানবাধিকার এবং সমাজকর্ম শিক্ষার প্রসারে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রেখে গেছেন। মরহুম আলহাজ্ব মুহাঃ শাহ্জাহান স্যারের সক্রিয় উদ্যোগ এবং বলিষ্ট নেতৃত্বে কুষ্টিয়া জেলার সকল উপজেলায় স্কাইট আন্দোলনকে বেগবান করতে অগ্রনী ভুমিকা পালন করেছেন।

আমি স্যারের সরাসরি ছাত্র হওয়াতে স্যারের সাথে ব্যক্তিগতভাবে আমার ঘনিষ্ট হবার সুযোগ হয়েছিল। আমার যতদূর মনে পড়ে ১৯৮৮ সাল থেকে স্যারের মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেলার মধ্যে স্কাউট আন্দোলনে স্যারের প্রায় সবক’টি সভা-সেমিনারে শ্রোতা হিসেবে অংশগ্রহণের সুযোগ হয়েছিল। তিনি আমাদেরকে বেশ সময় দিতেন এবং সকল প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রীদের খোঁজ খবর নিতেন। স্থানীয়, জাতীয় সকল পর্যায়ের মানুষের সাথে খুব ভাল একটি সুসম্পর্ক ছিল স্যারের।

স্যার বিভিন্ন সভা-সেমিনারে বলতেন, ‘মানুষকে ভালবাসার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়া যায়, সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যেতে হবে। দেশ-জাতি ও সমাজের উন্নয়নে নারী শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শিক্ষা মানুষের মানবীয় বৃত্তিগুলোর বিকাশ ঘটায়। আমাদের স্বাধীনতার মূল চেতনা সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে আমাদের দলমত নির্বিশেষে কাজ করে যেতে হবে।’

ইসলামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সরকার জহুরুল ইসলাম স্যার সম্পর্কে মূল্যায়নে বলেন, ‘মানুষের মঙ্গলচিন্তাা শিক্ষাবিদ অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মরহুম আলহাজ্ব মুহাঃ শাহ্জাহানকে সবসময় আচ্ছন্ন করে রাখত। তার জীবনে সাম্যবাদ ও অসাম্প্রদায়িকতা ছিল ধ্রæবতারার মতো। সব ধরণের গোঁড়ামি, ধর্মান্ধতা ও কূপমন্ডুকতার বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সোচ্চার। তাঁর নৈতিকতা থেকে বর্তমান প্রজন্মের অনেক কিছু শেখার আছে।’

তিনি ছিলেন লিডার অব দ্যা লিডার্স, একজন সক্রিয় চিন্তার মানুষ আলোর ফেরিওয়ালা, সুচিন্তাবিদ, সমাজবিজ্ঞানী ও সমাজ গবেষক। মুক্তবুদ্ধির প্রবক্তা, প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক, মানবতাবাদী, বৈষম্যবিরোধী, সু-শাসনের একজন দিশারী, এই খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ এবং সমাজসেবীর জন্ম কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে।

ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মোঃ আসাদুজ্জামান স্যার সম্পর্কে তার মূল্যায়নে বলেন মরহুম আলহাজ্ব মুহাঃ শাহ্জাহান স্যার একজন সুদক্ষ প্রশাসক হিসেবে কর্মক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করতে পেরেছিলেন এবং তাঁর আমলে ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সুনাম ও সুকীর্তি বৃদ্ধি পায়। তিনি যেমন পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন, জীবনের শেষদিন পর্যন্ত লেখাপড়ার মধ্যেই তিনি নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মরহুম আলহাজ্ব মুহাঃ শাহ্জাহান স্যার আজকে আমাদের জন্য রোলমডেল। তিনি যে কর্মগুলো রেখে গেছেন সেটাকে লালন ও পালন করতে পারলে প্রতিষ্ঠিত হবে একটি সুখী, সুন্দর ও আলোকিত বাংলাদেশ। মুক্ত চিন্তা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একজন আদর্শিক সৈনিক আলহাজ্ব মুহাঃ শাহ্জাহান স্যার মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। সামাজিক প্রচলিত কুসংস্কার, অন্ধকার ও ধর্মীয় গোঁড়ামি দূর করতে হলে সাংস্কৃতিক চর্চার কোন বিকল্প নেই বলে তিনি বিশ্বাস করতেন। তিনি আধুনিক রাষ্ট্র এবং উদার সমাজ ব্যবস্থা গঠনের স্বপ্ন দেখেছেন আজীবন। বিভিন্ন সময় তিনি বিভিন্ন দলমতের সিনিয়র, জুনিয়র, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে বসতেন এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতেন। তিনি সহজেই ক্ষমা করতে পারতেন।

মানবতা ও আলোর ফেরিওয়ালা এই কীর্তিমান পুরুষ ৩১ জুলাই ২০২১ সালে অগণিত শুভাকাঙ্খী, শিক্ষার্থী ও আপনজনকে ছেড়ে এই পৃথিবী থেকে বিদায় নেন। স্যারের ১ম মৃত্যু বার্ষিকীতে আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী আগমন উপলক্ষে ছাত্রদলের স্বাগত মিছিল

আদর্শ মানুষ গড়ার কারিগর এর কখনও মৃত্যু হয় না

আপডেট টাইম : ০২:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০২২

এম. রহমানঃ একজন আদর্শ মানুষ গড়ার কারিগর এর কখনও মৃত্যু হয় না। তিনি তাঁর সততা, দক্ষতা, যোগ্যতা, দেশপ্রেম, ত্যাগের মহিমা ও নৈতিকতার মাধ্যমে ছাত্রদের মনোজগতে অমরত্বের বীজ বপন করে যান। ৩১ জুলাই ২০২১ খ্রীঃ বরেণ্য শিক্ষাবিদ, আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর, সমাজ সংস্কারক,দৌলতপুর স্কাউটের ব্যাডেন পাওয়েল খ্যাত,স্বপ্নের ফেরিওয়ালা, সাবেক উপজেলা শিক্ষা অফিসার, ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মরহুম আলহাজ্ব মুহাঃ শাহ্জাহান স্যারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী।

তিনি সমকালীন বিরল একজন আদর্শবান শিক্ষক হিসেবে ছাত্রদের শুধু স্বপ্নই নয়, স্বপ্ন পূরণের পথ বাতলে দিতেন এবং সঠিক রাস্তা দেখাতেন। আমাদের দেশের প্রায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আজ সততা নির্বাসিত, শিষ্টাচার দুর্লভ, বেশীর ভাগ শিক্ষার্থীরা আজ পথভ্রষ্ট ও বিভ্রান্ত। সমাজ ও রাষ্ট্রে নৈতিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর অগ্নি-মশাল নিয়ে ব্রতী যে শিক্ষক তিনিই পারেন আলোর পথ দেখাতে। আর সেই আলোর ফেরিওয়ালা মরহুম আলহাজ্ব মুহাঃ শাহ্জাহান স্যারের কর্ম ও শিক্ষাজীবন ছিল সাফল্যে পরিপূর্ণ। গণতন্ত্র, সুশাসন, কথা বলার স্বাধীনতা, মানবাধিকার এবং সমাজকর্ম শিক্ষার প্রসারে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রেখে গেছেন। মরহুম আলহাজ্ব মুহাঃ শাহ্জাহান স্যারের সক্রিয় উদ্যোগ এবং বলিষ্ট নেতৃত্বে কুষ্টিয়া জেলার সকল উপজেলায় স্কাইট আন্দোলনকে বেগবান করতে অগ্রনী ভুমিকা পালন করেছেন।

আমি স্যারের সরাসরি ছাত্র হওয়াতে স্যারের সাথে ব্যক্তিগতভাবে আমার ঘনিষ্ট হবার সুযোগ হয়েছিল। আমার যতদূর মনে পড়ে ১৯৮৮ সাল থেকে স্যারের মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেলার মধ্যে স্কাউট আন্দোলনে স্যারের প্রায় সবক’টি সভা-সেমিনারে শ্রোতা হিসেবে অংশগ্রহণের সুযোগ হয়েছিল। তিনি আমাদেরকে বেশ সময় দিতেন এবং সকল প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রীদের খোঁজ খবর নিতেন। স্থানীয়, জাতীয় সকল পর্যায়ের মানুষের সাথে খুব ভাল একটি সুসম্পর্ক ছিল স্যারের।

স্যার বিভিন্ন সভা-সেমিনারে বলতেন, ‘মানুষকে ভালবাসার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়া যায়, সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যেতে হবে। দেশ-জাতি ও সমাজের উন্নয়নে নারী শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শিক্ষা মানুষের মানবীয় বৃত্তিগুলোর বিকাশ ঘটায়। আমাদের স্বাধীনতার মূল চেতনা সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে আমাদের দলমত নির্বিশেষে কাজ করে যেতে হবে।’

ইসলামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সরকার জহুরুল ইসলাম স্যার সম্পর্কে মূল্যায়নে বলেন, ‘মানুষের মঙ্গলচিন্তাা শিক্ষাবিদ অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মরহুম আলহাজ্ব মুহাঃ শাহ্জাহানকে সবসময় আচ্ছন্ন করে রাখত। তার জীবনে সাম্যবাদ ও অসাম্প্রদায়িকতা ছিল ধ্রæবতারার মতো। সব ধরণের গোঁড়ামি, ধর্মান্ধতা ও কূপমন্ডুকতার বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সোচ্চার। তাঁর নৈতিকতা থেকে বর্তমান প্রজন্মের অনেক কিছু শেখার আছে।’

তিনি ছিলেন লিডার অব দ্যা লিডার্স, একজন সক্রিয় চিন্তার মানুষ আলোর ফেরিওয়ালা, সুচিন্তাবিদ, সমাজবিজ্ঞানী ও সমাজ গবেষক। মুক্তবুদ্ধির প্রবক্তা, প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক, মানবতাবাদী, বৈষম্যবিরোধী, সু-শাসনের একজন দিশারী, এই খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ এবং সমাজসেবীর জন্ম কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে।

ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মোঃ আসাদুজ্জামান স্যার সম্পর্কে তার মূল্যায়নে বলেন মরহুম আলহাজ্ব মুহাঃ শাহ্জাহান স্যার একজন সুদক্ষ প্রশাসক হিসেবে কর্মক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করতে পেরেছিলেন এবং তাঁর আমলে ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সুনাম ও সুকীর্তি বৃদ্ধি পায়। তিনি যেমন পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন, জীবনের শেষদিন পর্যন্ত লেখাপড়ার মধ্যেই তিনি নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মরহুম আলহাজ্ব মুহাঃ শাহ্জাহান স্যার আজকে আমাদের জন্য রোলমডেল। তিনি যে কর্মগুলো রেখে গেছেন সেটাকে লালন ও পালন করতে পারলে প্রতিষ্ঠিত হবে একটি সুখী, সুন্দর ও আলোকিত বাংলাদেশ। মুক্ত চিন্তা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একজন আদর্শিক সৈনিক আলহাজ্ব মুহাঃ শাহ্জাহান স্যার মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। সামাজিক প্রচলিত কুসংস্কার, অন্ধকার ও ধর্মীয় গোঁড়ামি দূর করতে হলে সাংস্কৃতিক চর্চার কোন বিকল্প নেই বলে তিনি বিশ্বাস করতেন। তিনি আধুনিক রাষ্ট্র এবং উদার সমাজ ব্যবস্থা গঠনের স্বপ্ন দেখেছেন আজীবন। বিভিন্ন সময় তিনি বিভিন্ন দলমতের সিনিয়র, জুনিয়র, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে বসতেন এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতেন। তিনি সহজেই ক্ষমা করতে পারতেন।

মানবতা ও আলোর ফেরিওয়ালা এই কীর্তিমান পুরুষ ৩১ জুলাই ২০২১ সালে অগণিত শুভাকাঙ্খী, শিক্ষার্থী ও আপনজনকে ছেড়ে এই পৃথিবী থেকে বিদায় নেন। স্যারের ১ম মৃত্যু বার্ষিকীতে আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।