ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দৌলতপুরে বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে দুই গরু চুরি খানাখন্দ রাস্তাদিয়ে চলে ছাত্রীদের কলেজে আসাযাওয়া, টিনসেটে চলে পাঠদান বরিশালে বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ‘ঈদ পুনর্মিলনী’ অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত কালকিনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ৫ ওয়ারেন্টের দুই আসামি গ্রেফতার দৌলতপুরে কথিত ভণ্ড পীরের আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ দশমিনায় এক অটোরিকশা চালক ইয়াবা সহ গ্রেফতার মাদকসহ গ্রেপ্তার ও এক বছরের কারাদণ্ড রাজশাহীতে ফিলিং স্টেশনকে দু’লাখ টাকা জরিমানা শ্রী সুন্দরী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়: জাতীয়করণ প্রাণের দাবি

খানাখন্দ রাস্তাদিয়ে চলে ছাত্রীদের কলেজে আসাযাওয়া, টিনসেটে চলে পাঠদান

মো.জাকির হোসেন হাওলাদার, দশমিনা(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলা একমাত্র মহিলা কলেজের ছাত্রীদের চলাচলে খানাখন্দ রাস্তা ও পাঠদানে টিনসেট রুমে চলোমান পাঠদান।

সরজমিনে দেখা যায়, দশমিনা উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত নারী শিক্ষা প্রসারের জন্য নির্মান করা হয় ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজ। উপজেলায় নারীরা বর্তমান প্রযুক্তির ব্যবস্থার সাথে গুনগত শিক্ষা থেকে ঝরে না পরে তার জন্য কলেজটি নির্মান করা হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কলেজটি শুনামের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। ছাত্রীদের বর্ষার মৌসুমে কাঁচা রাস্তাদিয়ে আসাযাওয়া কলেজের রাস্তাটি পরে ইটার সলিন করা হয়। দীর্ঘ ৭-৮ বছর রাস্তাটির বেহালদশা।

বর্তমানে ৫শত ফুট রাস্তাটি যেনো মরন ফাঁদ। খানা-খন্দ রাস্তা দিয়ে ছাত্রীরা কলেজে আসা যাওয়া করে এ যেন এক অসহনিও যন্ত্রনা। বর্ষার সময় এবং অসহনিয় গরমে ছাত্রীরা টিন সেট রুমে পাঠদান করে আসছে। ২০২৫ সালে উপজেলা প্রশাসন থেকে জেলায় সেখান থেকে মন্ত্রনালয় রেজুলেশন করে ১ নম্বরে ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজটি ভবনের জন্য প্রেরন করা হলে ছিটকে পরে। কলেজের রাস্তা ও ভবনের জন্য উপজেলা ও জেলায় প্রশাসনের নজরে আনলেও নেই কোন কার্যক্রম।

খানা-খন্দ রাস্তা আর ভবন না থাকায় ২০২৬ সালে একাদশ শ্রেনীতে ভর্তিতে অভিভাবক সহ ছাত্রীদের অনিহা দেখা দেয়। জেলা শহরে গিয়ে পড়াশুনার খরচ যোগাতে অভিভাবকদের বেগপেতে হয় তাই অনেক নারী শিক্ষার্থীর পড়াশুনা বন্ধ হয়ে যায়।

জানা যায় পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় এক মাত্র উচ্চ মাধ্যমিক নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেন। ২০০৯ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত করা হয়। ২০২২ সালে কলেজটি এমপিওভুক্ত হয়। কলেজটি এমপিওভুক্ত হাবার আগথেকেই কাঁচা-পাকা রাস্তাদিয়ে চলাচল আর টিনসেট রুমে পাঠদান চলোমান ছাত্রীদের।

এই কাঁচাপাকা রাস্তা আর টিন সেট রুমের পাঠদানে মেধাবী শিক্ষার্থীরা পাশ করে বের হয়ে আজ মেডিকেল কলেজ সহ বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয় অধ্যায়নরত আছে। সরকার পরিবর্ত হয় নরীদের শিক্ষার জন্য ডঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজের খান-খন্দ রাস্তা ও পাঠদানের জন্য ভবন নির্মান হয়নি আজও। খানা-খন্দ রাস্তা আর ভবন না থাকায় ছাত্রী ভর্তিতে অভিভাবক সহ ছাত্রীরা অনিচ্ছা প্রকাশ করে আসছে।

ডাঃডলি আকবর মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর বিঞ্জান বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহমিদা হক স্মৃতি, সাদিয়া সহ আকাধিক শিক্ষার্থীরা প্রতিনিধিকে জানান, আমাদের পারিবারিক অর্থ সংকটের জন্য উপজেলার আকমাত্র মহিলা কলেজে ভর্তি হয়েছি। কলেজের ভবন নাই টিনসেটে বর্ষার মৌসুমে এবং গরমের সময়ে শ্রেণী কক্ষে পাঠদান করে আসছি।

কলেজের হাফ কিলোমিটার রাস্তাটির বেহালদসা আসা যাওয়ায় আমাদের কষ্ট হচ্ছে। আমাদের কলেজের রাস্তাটি সংস্কার ও ভবন নির্মান একান্ত জরুরি। উপজেলা প্রশাসনের নারী শিক্ষা প্রসারে তাদের সুদৃষ্টি দেওয়া উচিৎ।

দশমিনা উপজেলা আইনজীবী কল্যান সমিতির সদস্য বিশিষ্ঠ সমাজ সেবক এ্যাডঃ এনামুল হক রতন প্রতিনিধিকে জানান, টাকা অনেকের আছে সকলে স্কুল কলেজ করতে পারেনা। উপজেলায় নারী শিক্ষার প্রসারের জন্য কলেজটি নির্মান করা হয়।

উপজেলা আকমাত্র নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির প্রবেশের চলাচলের রাস্তাটির আতটাই বেহালদসা যা দিয়ে শিক্ষার্থীদের চলাচলে অনুপযোগি। আমি উপজেলা প্রশাসন সহ উধর্বতন কতৃপক্ষে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই সামনে বর্ষার মৌসুম এরআগে রাস্তাটি দ্রুত চলাচলে উপযোগি করা একান্ত দরকার।

অধ্যক্ষ মোঃ সোহরব হোসেন জানান, আমি যোগদানের পর প্রথমেই কলেজের রাস্তার বেহালদসা দেখে উপজেলা প্রশাসনের কাছে রাস্তাটির জন্য আকাধিকবার আবেদন দিয়েছি যানিনা রাস্তাটির কেনো হচ্ছেনা।

২০২৫ সালে উপজেলা কমিটি কলেজটির ভবনের জন্য ১ নম্বরে জেলায় ও মন্ত্রনালয়ে রেজুলেশন করে প্রেরন করেন সেখানে কলেজের নামাটি বাদ পরে। খানা খন্দ রাস্তা আর ভবন না থাকায় অনেক অভিভাবক তাদের মেয়েদের একাদশ শ্রেনীতে ভর্তি করায়নি।

নারী শিক্ষার জন্য উপজেলায় একটি কলেজ এখানে প্রশাসন সহ সকল রাজনৈতিক ব্যক্তিদের গুরুত্ব থাকা দরকার। উপজেলায় অনেক বেধাবী ছাত্রী আছে যাহারা উপজেলার বাহিরে গিয়ে পড়া শুনা করতে পারেনা তাই উপজেলায় নারী শিক্ষার অগ্রগতীর জন্য কলেজটির ভবন ও রাস্তাটি নির্মানের জন্য সংশ্লিষ্ঠ কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহ্ আলম শানু জানান, আমাদের সরকার নারী শিক্ষার প্রতি আন্তরিক। ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজ এর রাস্তা ও ভবনের জন্য মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে অবহিত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ করবো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি কলেজের অধ্যক্ষ আমাকে জানিয়েছেন। আমি উধর্বতন কতৃপক্ষকে জানিয়েছি।

উপজেলা প্রেকৌশলী মোঃ মকবুল হোসেন জানান উপজেলা কমিটি ভবনের জন্য আবেদন মন্ত্রনালয়ে পাঠিয়েছিলো। পূনরায় ভবনের জন্য সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরে আবেদন পাঠানো হবে। রাস্তাটি নির্মানের জন্য কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে।

জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান আমি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে বিষয়টি জেনে দ্রুত কলেজের ভবন ও রাস্তাটি নির্মানের জন্য উধর্বতন কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতপুরে বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে দুই গরু চুরি

খানাখন্দ রাস্তাদিয়ে চলে ছাত্রীদের কলেজে আসাযাওয়া, টিনসেটে চলে পাঠদান

আপডেট টাইম : ০৪:০০:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

মো.জাকির হোসেন হাওলাদার, দশমিনা(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলা একমাত্র মহিলা কলেজের ছাত্রীদের চলাচলে খানাখন্দ রাস্তা ও পাঠদানে টিনসেট রুমে চলোমান পাঠদান।

সরজমিনে দেখা যায়, দশমিনা উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত নারী শিক্ষা প্রসারের জন্য নির্মান করা হয় ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজ। উপজেলায় নারীরা বর্তমান প্রযুক্তির ব্যবস্থার সাথে গুনগত শিক্ষা থেকে ঝরে না পরে তার জন্য কলেজটি নির্মান করা হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কলেজটি শুনামের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। ছাত্রীদের বর্ষার মৌসুমে কাঁচা রাস্তাদিয়ে আসাযাওয়া কলেজের রাস্তাটি পরে ইটার সলিন করা হয়। দীর্ঘ ৭-৮ বছর রাস্তাটির বেহালদশা।

বর্তমানে ৫শত ফুট রাস্তাটি যেনো মরন ফাঁদ। খানা-খন্দ রাস্তা দিয়ে ছাত্রীরা কলেজে আসা যাওয়া করে এ যেন এক অসহনিও যন্ত্রনা। বর্ষার সময় এবং অসহনিয় গরমে ছাত্রীরা টিন সেট রুমে পাঠদান করে আসছে। ২০২৫ সালে উপজেলা প্রশাসন থেকে জেলায় সেখান থেকে মন্ত্রনালয় রেজুলেশন করে ১ নম্বরে ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজটি ভবনের জন্য প্রেরন করা হলে ছিটকে পরে। কলেজের রাস্তা ও ভবনের জন্য উপজেলা ও জেলায় প্রশাসনের নজরে আনলেও নেই কোন কার্যক্রম।

খানা-খন্দ রাস্তা আর ভবন না থাকায় ২০২৬ সালে একাদশ শ্রেনীতে ভর্তিতে অভিভাবক সহ ছাত্রীদের অনিহা দেখা দেয়। জেলা শহরে গিয়ে পড়াশুনার খরচ যোগাতে অভিভাবকদের বেগপেতে হয় তাই অনেক নারী শিক্ষার্থীর পড়াশুনা বন্ধ হয়ে যায়।

জানা যায় পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় এক মাত্র উচ্চ মাধ্যমিক নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেন। ২০০৯ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত করা হয়। ২০২২ সালে কলেজটি এমপিওভুক্ত হয়। কলেজটি এমপিওভুক্ত হাবার আগথেকেই কাঁচা-পাকা রাস্তাদিয়ে চলাচল আর টিনসেট রুমে পাঠদান চলোমান ছাত্রীদের।

এই কাঁচাপাকা রাস্তা আর টিন সেট রুমের পাঠদানে মেধাবী শিক্ষার্থীরা পাশ করে বের হয়ে আজ মেডিকেল কলেজ সহ বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয় অধ্যায়নরত আছে। সরকার পরিবর্ত হয় নরীদের শিক্ষার জন্য ডঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজের খান-খন্দ রাস্তা ও পাঠদানের জন্য ভবন নির্মান হয়নি আজও। খানা-খন্দ রাস্তা আর ভবন না থাকায় ছাত্রী ভর্তিতে অভিভাবক সহ ছাত্রীরা অনিচ্ছা প্রকাশ করে আসছে।

ডাঃডলি আকবর মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর বিঞ্জান বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহমিদা হক স্মৃতি, সাদিয়া সহ আকাধিক শিক্ষার্থীরা প্রতিনিধিকে জানান, আমাদের পারিবারিক অর্থ সংকটের জন্য উপজেলার আকমাত্র মহিলা কলেজে ভর্তি হয়েছি। কলেজের ভবন নাই টিনসেটে বর্ষার মৌসুমে এবং গরমের সময়ে শ্রেণী কক্ষে পাঠদান করে আসছি।

কলেজের হাফ কিলোমিটার রাস্তাটির বেহালদসা আসা যাওয়ায় আমাদের কষ্ট হচ্ছে। আমাদের কলেজের রাস্তাটি সংস্কার ও ভবন নির্মান একান্ত জরুরি। উপজেলা প্রশাসনের নারী শিক্ষা প্রসারে তাদের সুদৃষ্টি দেওয়া উচিৎ।

দশমিনা উপজেলা আইনজীবী কল্যান সমিতির সদস্য বিশিষ্ঠ সমাজ সেবক এ্যাডঃ এনামুল হক রতন প্রতিনিধিকে জানান, টাকা অনেকের আছে সকলে স্কুল কলেজ করতে পারেনা। উপজেলায় নারী শিক্ষার প্রসারের জন্য কলেজটি নির্মান করা হয়।

উপজেলা আকমাত্র নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির প্রবেশের চলাচলের রাস্তাটির আতটাই বেহালদসা যা দিয়ে শিক্ষার্থীদের চলাচলে অনুপযোগি। আমি উপজেলা প্রশাসন সহ উধর্বতন কতৃপক্ষে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই সামনে বর্ষার মৌসুম এরআগে রাস্তাটি দ্রুত চলাচলে উপযোগি করা একান্ত দরকার।

অধ্যক্ষ মোঃ সোহরব হোসেন জানান, আমি যোগদানের পর প্রথমেই কলেজের রাস্তার বেহালদসা দেখে উপজেলা প্রশাসনের কাছে রাস্তাটির জন্য আকাধিকবার আবেদন দিয়েছি যানিনা রাস্তাটির কেনো হচ্ছেনা।

২০২৫ সালে উপজেলা কমিটি কলেজটির ভবনের জন্য ১ নম্বরে জেলায় ও মন্ত্রনালয়ে রেজুলেশন করে প্রেরন করেন সেখানে কলেজের নামাটি বাদ পরে। খানা খন্দ রাস্তা আর ভবন না থাকায় অনেক অভিভাবক তাদের মেয়েদের একাদশ শ্রেনীতে ভর্তি করায়নি।

নারী শিক্ষার জন্য উপজেলায় একটি কলেজ এখানে প্রশাসন সহ সকল রাজনৈতিক ব্যক্তিদের গুরুত্ব থাকা দরকার। উপজেলায় অনেক বেধাবী ছাত্রী আছে যাহারা উপজেলার বাহিরে গিয়ে পড়া শুনা করতে পারেনা তাই উপজেলায় নারী শিক্ষার অগ্রগতীর জন্য কলেজটির ভবন ও রাস্তাটি নির্মানের জন্য সংশ্লিষ্ঠ কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহ্ আলম শানু জানান, আমাদের সরকার নারী শিক্ষার প্রতি আন্তরিক। ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজ এর রাস্তা ও ভবনের জন্য মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে অবহিত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ করবো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি কলেজের অধ্যক্ষ আমাকে জানিয়েছেন। আমি উধর্বতন কতৃপক্ষকে জানিয়েছি।

উপজেলা প্রেকৌশলী মোঃ মকবুল হোসেন জানান উপজেলা কমিটি ভবনের জন্য আবেদন মন্ত্রনালয়ে পাঠিয়েছিলো। পূনরায় ভবনের জন্য সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরে আবেদন পাঠানো হবে। রাস্তাটি নির্মানের জন্য কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে।

জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান আমি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে বিষয়টি জেনে দ্রুত কলেজের ভবন ও রাস্তাটি নির্মানের জন্য উধর্বতন কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।