ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ।

 তিন যুগেও শেষ হয়নি যাত্রী বিশ্রামাগারের কাজ

 তিন যুগেও শেষ হয়নি যাত্রী বিশ্রামাগারের কাজ

 (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়া জেলার  সোনাতলা উপজেলার ভেলুরপাড়া রেল স্টেশনে তিন যুগেও শেষ হয়নি যাত্রী বিশ্রামাগারের কাজ। ফলে রেল যাত্রীদের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হয় গাছতলায়। ঝড়-বৃষ্টির দিনে বৃষ্টিতে ভিজে থাকতে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা। যাত্রীদের এই দুর্ভোগ এখন চরমে উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৮ সালে প্রায় ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে রেল কর্তৃপক্ষ সান্তাহার-বোনারপাড়া রুটের এই উপজেলার ভেলুরপাড়া স্টেশনে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহবান করে। পরে লটারির মাধ্যমে ঠিকাদার নিযুক্ত হয়। প্রায় ছয় মাস চলে ওই বিশ্রামাগারের নির্মাণ কাজ। এতে করে প্রায় ৭৫ ভাগ নির্মাণ কাজ শেষ হয়। এরপর ওই বছরের ভয়াবহ বন্যার পর আর শুরু হয়নি ওই বিশ্রামাগারের অবশিষ্ট কাজ। ফলে রেল বিভাগ যে উদ্দেশ্য ওই স্টেশনে যাত্রী বিশ্রামাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেয় তা বর্তমানে ভেস্তে গেছে। দীর্ঘ প্রায় তিন যুগ আগে বিশ্রামাগারটি নির্মাণ কাজ শুরু হলেও শেষ হয়নি আজও। অভিযোগ রয়েছে, যাত্রী ছাউনি নির্মাণ ওই ঠিকাদার রেল বিভাগের লোকজনের সাথে আতাঁত করে কাজ শেষ না করেই বরাদ্দকৃত টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এতে করে সরকারের মোটা অঙ্কের টাকা গচ্চা গেছে। এ বিষয়ে ভেলুরপাড়া এলাকার রোস্তম আলী মন্ডল, গোলাম রব্বানী, পেস্তা মিয়া, এনামুল হক বলেন, এক সময় এই স্টেশন থেকে সরকার প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আয় করলেও গত ৬/৭ বছর আগে জনবল সংকটে স্টেশনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এখনও এই স্টেশন থেকে এলাকার শতশত লোকজন প্রতিনিয়ত ট্রেনযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন। যাত্রী বিশ্রামাগারটি এখন ছিন্নমূল লোকজনের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগের বগুড়া দপ্তরের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান জানান, তিনি ২০২১ সালে এখানে যোগদান করেছেন। এর আগের কোন নথিপত্র সম্পর্কে তার জানা নেই। তিনি আরও জানান ভেলুরপাড়া স্টেশনে যাত্রী বিশ্রামাগারে বিষয়টি কেউ তাকে জানায়নি। তার দপ্তরে এ সংক্রান্ত কোন ফাইলপত্রও নেই।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 তিন যুগেও শেষ হয়নি যাত্রী বিশ্রামাগারের কাজ

আপডেট টাইম : ০৭:৪৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪

 তিন যুগেও শেষ হয়নি যাত্রী বিশ্রামাগারের কাজ

 (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়া জেলার  সোনাতলা উপজেলার ভেলুরপাড়া রেল স্টেশনে তিন যুগেও শেষ হয়নি যাত্রী বিশ্রামাগারের কাজ। ফলে রেল যাত্রীদের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হয় গাছতলায়। ঝড়-বৃষ্টির দিনে বৃষ্টিতে ভিজে থাকতে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা। যাত্রীদের এই দুর্ভোগ এখন চরমে উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৮ সালে প্রায় ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে রেল কর্তৃপক্ষ সান্তাহার-বোনারপাড়া রুটের এই উপজেলার ভেলুরপাড়া স্টেশনে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহবান করে। পরে লটারির মাধ্যমে ঠিকাদার নিযুক্ত হয়। প্রায় ছয় মাস চলে ওই বিশ্রামাগারের নির্মাণ কাজ। এতে করে প্রায় ৭৫ ভাগ নির্মাণ কাজ শেষ হয়। এরপর ওই বছরের ভয়াবহ বন্যার পর আর শুরু হয়নি ওই বিশ্রামাগারের অবশিষ্ট কাজ। ফলে রেল বিভাগ যে উদ্দেশ্য ওই স্টেশনে যাত্রী বিশ্রামাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেয় তা বর্তমানে ভেস্তে গেছে। দীর্ঘ প্রায় তিন যুগ আগে বিশ্রামাগারটি নির্মাণ কাজ শুরু হলেও শেষ হয়নি আজও। অভিযোগ রয়েছে, যাত্রী ছাউনি নির্মাণ ওই ঠিকাদার রেল বিভাগের লোকজনের সাথে আতাঁত করে কাজ শেষ না করেই বরাদ্দকৃত টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এতে করে সরকারের মোটা অঙ্কের টাকা গচ্চা গেছে। এ বিষয়ে ভেলুরপাড়া এলাকার রোস্তম আলী মন্ডল, গোলাম রব্বানী, পেস্তা মিয়া, এনামুল হক বলেন, এক সময় এই স্টেশন থেকে সরকার প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আয় করলেও গত ৬/৭ বছর আগে জনবল সংকটে স্টেশনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এখনও এই স্টেশন থেকে এলাকার শতশত লোকজন প্রতিনিয়ত ট্রেনযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন। যাত্রী বিশ্রামাগারটি এখন ছিন্নমূল লোকজনের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগের বগুড়া দপ্তরের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান জানান, তিনি ২০২১ সালে এখানে যোগদান করেছেন। এর আগের কোন নথিপত্র সম্পর্কে তার জানা নেই। তিনি আরও জানান ভেলুরপাড়া স্টেশনে যাত্রী বিশ্রামাগারে বিষয়টি কেউ তাকে জানায়নি। তার দপ্তরে এ সংক্রান্ত কোন ফাইলপত্রও নেই।