ঢাকা ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে ভালুকায় মানববন্ধন গোসলে নেমে নিখোঁজ স্কুল শিক্ষর্থীর মরদেহ উদ্ধার, মাগুরা জেলা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে দুইজন নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক দৌলতপুরে শরিফ উদ্দিন জুয়েলের উদ্যোগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. একরামুল হক পত্নীতলায় ১৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার ১ বিল্লী বাজারে সার ডিলার নিয়োগে কৃষকদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ নওগাঁয় কুড়াল দিয়ে প্রতিমা ভাঙার অভিযোগে এক যুবক গ্রেফতা দৌলতপুর সীমান্তে হেরোইনসহ যুবক আটক ভেড়ামারায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

“ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন” ফরিদপুর -১ আসনে ৮ জনের মধ্যে ৬ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

“ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন” ফরিদপুর -১ আসনে ৮ জনের মধ্যে ৬ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত


তৈয়বুর রহমান কিশোর, বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ সংসদীয় আসনে বিভিন্ন ছোট দল ও স্বতন্ত্রসহ মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ৬ জন প্রার্থীর জামানত জব্দ হয়েছে। অর্থাৎ মোট প্রার্থীর প্রায় ৬৮ শতাংশ (৬৭.৮৫%) জামানত হারিয়েছেন। গণ প্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও ১৯৭২) এর আর্টিকেল

৪৪-এর তিন ধারায় বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী যদি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ বা ১২.৫ শতাংশের কম ভোট পান, তবে তার জমা দেওয়া জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত আসন ভিত্তিক ফলাফলে দেখা গেছে, ফরিদপুর-১ আসনে বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া অধিকাংশ প্রার্থীই উল্লেখযোগ্য ভোট পাননি। ফরিদপুর-১ আসনে বিজয়ী ও রানারআপ ছাড়া সকলের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

ফরিদপুর-১ আসন (বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা-মধুখালী)। এ আসনে মোট প্রার্থী ৮ জন। পেয়েছেন-মোট বৈধ ভোট: ৩,১৮,৯৯৮টি। তাদের জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ৩৯,৮৭৫ ভোট। এ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্লা বিজয়ী হন এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির খন্দকার নাসিরুল ইসলাম।

বাকি ছয়জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, মো. আবুল বাশার খান (ফুটবল)- ৩৪,৩৮৭ ভোট, মৃন্ময় কান্তি দাস (রকেট) ৭৮৬ ভোট, মো. গোলাম কবির মিয়া (মোটরসাইকেল) ২,১৫৯ ভোট, মো. হাসিবুল রহমান (হরিণ) ৪৫৫ ভোট, শেখ আব্দুর রহমান জিকো (উট) ৮৪ ভোট ও সুলতান আহম্মেদ খান (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৫০৬ ভোট।

জানতে চাইলে ফরিদপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্লা জানান, ফরিদপুর -১ আসনের ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে অনেকে খুব কম ভোট পেয়েছেন। যারা নির্ধারিত ভোটের সীমা অর্জন করতে পারেননি, তাদের জামানতের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে ভালুকায় মানববন্ধন

“ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন” ফরিদপুর -১ আসনে ৮ জনের মধ্যে ৬ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

আপডেট টাইম : ০৫:৩৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

“ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন” ফরিদপুর -১ আসনে ৮ জনের মধ্যে ৬ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত


তৈয়বুর রহমান কিশোর, বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ সংসদীয় আসনে বিভিন্ন ছোট দল ও স্বতন্ত্রসহ মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ৬ জন প্রার্থীর জামানত জব্দ হয়েছে। অর্থাৎ মোট প্রার্থীর প্রায় ৬৮ শতাংশ (৬৭.৮৫%) জামানত হারিয়েছেন। গণ প্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও ১৯৭২) এর আর্টিকেল

৪৪-এর তিন ধারায় বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী যদি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ বা ১২.৫ শতাংশের কম ভোট পান, তবে তার জমা দেওয়া জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত আসন ভিত্তিক ফলাফলে দেখা গেছে, ফরিদপুর-১ আসনে বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া অধিকাংশ প্রার্থীই উল্লেখযোগ্য ভোট পাননি। ফরিদপুর-১ আসনে বিজয়ী ও রানারআপ ছাড়া সকলের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

ফরিদপুর-১ আসন (বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা-মধুখালী)। এ আসনে মোট প্রার্থী ৮ জন। পেয়েছেন-মোট বৈধ ভোট: ৩,১৮,৯৯৮টি। তাদের জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ৩৯,৮৭৫ ভোট। এ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্লা বিজয়ী হন এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির খন্দকার নাসিরুল ইসলাম।

বাকি ছয়জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, মো. আবুল বাশার খান (ফুটবল)- ৩৪,৩৮৭ ভোট, মৃন্ময় কান্তি দাস (রকেট) ৭৮৬ ভোট, মো. গোলাম কবির মিয়া (মোটরসাইকেল) ২,১৫৯ ভোট, মো. হাসিবুল রহমান (হরিণ) ৪৫৫ ভোট, শেখ আব্দুর রহমান জিকো (উট) ৮৪ ভোট ও সুলতান আহম্মেদ খান (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৫০৬ ভোট।

জানতে চাইলে ফরিদপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্লা জানান, ফরিদপুর -১ আসনের ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে অনেকে খুব কম ভোট পেয়েছেন। যারা নির্ধারিত ভোটের সীমা অর্জন করতে পারেননি, তাদের জামানতের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে।