মো.জাকির হাওলাদার দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় শনিবার দিবাগত রাতে তিনটি বসতঘর আগুনে পুড়ে ছাই ক্ষতির পরিমান ২০ লাখ টাকা।
শনিবার রাত পোনে চারটার সময় উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের ০৩ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ রনগোপালদী হাবিব মৃধা বাড়ি এ অগ্নিকান্ডের ঘটান ঘটে।
অগ্নিকান্ডে উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের দক্ষিণ রনগোপালদী গ্রামের হাবিব মৃধা, কামাল মৃধা ও জাফর মৃধার ঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দক্ষীণ রনগোপালদী গ্রামে হাবিব মৃধা বাড়ি শনিবার দিবাগগ রাতে কালাম মৃধার রন্না ঘর থেকে অগুনের সূত্রপাত হয়। একই বাড়ির বিউটি বেগম সেহরি খেতে উঠলে দেখেন কামলা মৃধার রান্না ঘরে আগুনের ফুলকি দেখতে পায় তখোন ডাকচিৎকার করে। ডাকচিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য পাশের পুকুর থেকে পানি ও কাদামাটি ছুড়তে থাকলে তাতেও আগুন নিয়ন্ত্রণে না এলে পাশের ঘরে ছড়ি পরে। এলাকার লোকজন দশমিনা ফায়ারসার্ভিস ইউনিটকে খবর দিলে তারা দ্রুত ঘটনা স্থলে গিয়ে ১ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকান্ডের ক্ষতির পরিমান ২০ লাখ টাকা হবে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক পরিবারকে ৫হাজার টাকা ও ১শত কেজি চাল সহায়তা দেওয়া হয়।
কামাল মৃধা জানান, রোজা রেখে ছিলাম। রোজা খুলে তারবীহ নামাজ পরে রাত ১০ টার সময় ঘুমিয়ে পরি। কি ভাবে আগুন লাগলো বুজতে পারিনা। পাশের ঘরের নিউটি ডাকচিৎকার না করলে স্ত্রী, সন্তান ও আমি আজ আগুনে পুড়ে মরতাম। আমাদের তিনটি পরিবার নিঃশ্ব হয়ে গেলাম। দিন আনি দিন খাই। জানিনা কি করে আবার নতুন করে ঘর করবো।
জাফর মৃধা অভিযোগ করে বলেন, আমাদের সাথে পাশের বাড়ির হারুন মৃধার সাথে দীর্ঘদিন রাস্তাদিয়ে চলাচল করা নিয়ে বাজাবাজি তারা গত শুক্রবার বিকেলে হারুন মৃধা ও শাকিল মৃধা হুমকি দিয়েছে আমাদের খুন করবে ও ঘর দুয়ার জ্বালিয়ে দিবে। ঐ রাতেই ঘটনা ঘটে। আমরা আজ নিশ্বহয়ে গিয়াছি। আমরা আইনের আশ্রয় নিবো।
দশমিনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর স্টেশন মাস্টার মিজানুর রহমান জানান, শনিবার রাত ৪টার সময় ফোন পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে ১ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিবাতে সমর্থ হই। প্রাথমিক ভাবে আগুনের উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত নই। ভূক্তভোগীদের তথ্যমতে তিনটি বসত ঘর, স্বর্নলংকার, মালামাল ও তিনটি ছাগল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আনুমানি ক্ষতির পরিমান ২০ লাখ টাকা হব।
থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আবু সাহাদৎ মোঃ হাচনাইন পারভেজ জানান, ঘটনার বিষয় শুনে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ারসার্ভিস সদস্যদের পাশপাশি থানা পুলিশ কাজ করেছে। কেহ শত্রুতা মূলক
আগুন দিয়ে থাকলে এমন অভিযোপেলে অইনগত বয়বস্থা গ্রহন করা হবে।
রনগোপালদী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারময়ান মোঃ রুবেল সরদার জানান, ঘটনার বিষয় শুনে রাতে যেতে পারিনি। সকালে গিয়ে দেখি হাবিব মৃধূা, কামাল মৃধা ও জাফর মৃধার ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গিয়াছে। আমি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসককে অবহিত করি তিনি তাৎক্ষনিক ঘটনা স্থলে আসেন।
রনগোপালদী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা সমাজসেনা কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান জানান, ঘটনার বিষয় শুনে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনার বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহেদয়কে জানিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃসাইফুল ইসলাম জানান, রনগোপালদী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও প্যানেল চেয়ারময়ান অগ্নিকান্ডের বিষয় অবহিত করলে বিকেলে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে প্রত্যেক পরিবারকে ৫হাজার টাকা কারে আর্থিক সহায়তা ও ১শত কেজি করে প্রাথমিক সহায়তা প্রদান করা হয়। নতুন ঘর পওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক মহোদয়কে লিখিত আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন সার্বিক সহযোগিতায় পাশে থাকবে।
ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক 





















