ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার মৌলীবাজার মডেলনথানার ওসি সাইফুলের উক্তি ১৯ সালে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি হলে ও থানার অফিসার ইনচার্জ ভাগ্যে জোটেছে২৫ সালে এক লাখ টাকা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কম্বোডিয়ায় মানবপাচারের দম্পতি গ্রেফতার বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন

বগুড়ায় পেঁপে চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা

বগুড়ায় পেঁপে চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা

(বগুড়া) প্রতিনিধি: অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর ভালো লাগায় ছোট বেলা থেকে কৃষির প্রতি আগ্রহ হায়দার আলীর। অর্জন করেছেন কৃষি অফিস রাজশাহী বিভাগ থেকে বেশ কিছু ক্রেস ও সার্টিফিকেট। নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নে দীর্ঘ ১৮ বছর গবেষনা করেন পেঁপের চারা নিয়ে। সফল হয়ে ১ বিঘা জমি লিজ নিয়ে দৃষ্টিনন্দন বাগান করে ফলিয়েছেন বিস্ময়কর পেঁপে। দিয়েছেন নিজ নামের জাত ‘হায়দার পেঁপে’। শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের গুয়াগাছি গ্রামের পেঁপে চাষি হায়দার আলীর। স্ত্রী ও দুই ছেলে নিয়ে চার সদস্যের পরিবার তার। নিজের আত্মতৃপ্তি আর ভালোলাগা থেকেই ১৯৯৮ সাল থেকে কৃষি চাষাবাদ শুরু করেন। শেরপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য মতে  এ উপজেলায় প্রায় ৬৩ হাজার কৃষকের মধ্যে এক হাজার ৮০০ জন পেঁপে চাষাবাদ করলেও বাণিজ্যিকভাবে চাষ করেন ৬০ জন। চলতি মৌসুমে উপজেলার ৩৫ হেক্টর জমিতে পেঁপের চাষাবাদ হয়েছে। সরেজমিন গুয়াগাছি গ্রামে গিয়ে দেখা যায় সারি সারি পেঁপে গাছ। পেঁপে বাগানে শ্রমিকদের সঙ্গে জমি পরিচর্যায় ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে সফল উদ্যোক্তা হায়দারকে। এক বিঘা জমি চাষে এ পর্যন্ত ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আর দুই মাসেই বিক্রি করেছেন দুই লাখ ৫০ হাজার টাকার পেপে। পেঁপে চাষি হায়দারের ছেলে মহাব্বত বলেন, পড়ালেখার পাশাপাশি বাবার সাথে চাষবাদ করি। এর আগে মালটা চাষেও সফল হয়েছে। তবে কমলা ও আঙুর চাষে তেমন সফল হয়নি। সফল উদ্যোক্তা হায়দার আলী জানান  কৃষি কাজ করেই আমার বছরে ৬-৭ লাখ টাকা আয় করি। সব খরচ বাদে আমার লাভ থাকবে প্রায় ৫ লাখ টাকা। তিনি আরো বলেন, এক একটি গাছ থেকে মৌসুমে সর্বোচ্চ চার মণ পর্যন্ত পেঁপে সংগ্রহ করা যায়। এর মধ্যে প্রথম দিকের পেঁপেগুলো ৩ থেকে ৬ কেজি থেকে কখনো কখনো ৮-৯ কেজি পর্যন্ত হতে পারে একটি পেঁপের ওজর। উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার আব্দুল হান্নান জানান হায়দার আলী নিজ উদ্দ্যোগে ১ বিষা জমিতে পেঁপে চাষ করে এলাকায় তাক লাগিয়েছেন। পেঁপে চাষে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। বেকার যুবকরা পেঁপে চাষে এগিয়ে এলে তারা লাভবান হবেন।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় পেঁপে চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা

আপডেট টাইম : ০৮:১২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৪

বগুড়ায় পেঁপে চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা

(বগুড়া) প্রতিনিধি: অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর ভালো লাগায় ছোট বেলা থেকে কৃষির প্রতি আগ্রহ হায়দার আলীর। অর্জন করেছেন কৃষি অফিস রাজশাহী বিভাগ থেকে বেশ কিছু ক্রেস ও সার্টিফিকেট। নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নে দীর্ঘ ১৮ বছর গবেষনা করেন পেঁপের চারা নিয়ে। সফল হয়ে ১ বিঘা জমি লিজ নিয়ে দৃষ্টিনন্দন বাগান করে ফলিয়েছেন বিস্ময়কর পেঁপে। দিয়েছেন নিজ নামের জাত ‘হায়দার পেঁপে’। শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের গুয়াগাছি গ্রামের পেঁপে চাষি হায়দার আলীর। স্ত্রী ও দুই ছেলে নিয়ে চার সদস্যের পরিবার তার। নিজের আত্মতৃপ্তি আর ভালোলাগা থেকেই ১৯৯৮ সাল থেকে কৃষি চাষাবাদ শুরু করেন। শেরপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য মতে  এ উপজেলায় প্রায় ৬৩ হাজার কৃষকের মধ্যে এক হাজার ৮০০ জন পেঁপে চাষাবাদ করলেও বাণিজ্যিকভাবে চাষ করেন ৬০ জন। চলতি মৌসুমে উপজেলার ৩৫ হেক্টর জমিতে পেঁপের চাষাবাদ হয়েছে। সরেজমিন গুয়াগাছি গ্রামে গিয়ে দেখা যায় সারি সারি পেঁপে গাছ। পেঁপে বাগানে শ্রমিকদের সঙ্গে জমি পরিচর্যায় ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে সফল উদ্যোক্তা হায়দারকে। এক বিঘা জমি চাষে এ পর্যন্ত ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আর দুই মাসেই বিক্রি করেছেন দুই লাখ ৫০ হাজার টাকার পেপে। পেঁপে চাষি হায়দারের ছেলে মহাব্বত বলেন, পড়ালেখার পাশাপাশি বাবার সাথে চাষবাদ করি। এর আগে মালটা চাষেও সফল হয়েছে। তবে কমলা ও আঙুর চাষে তেমন সফল হয়নি। সফল উদ্যোক্তা হায়দার আলী জানান  কৃষি কাজ করেই আমার বছরে ৬-৭ লাখ টাকা আয় করি। সব খরচ বাদে আমার লাভ থাকবে প্রায় ৫ লাখ টাকা। তিনি আরো বলেন, এক একটি গাছ থেকে মৌসুমে সর্বোচ্চ চার মণ পর্যন্ত পেঁপে সংগ্রহ করা যায়। এর মধ্যে প্রথম দিকের পেঁপেগুলো ৩ থেকে ৬ কেজি থেকে কখনো কখনো ৮-৯ কেজি পর্যন্ত হতে পারে একটি পেঁপের ওজর। উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার আব্দুল হান্নান জানান হায়দার আলী নিজ উদ্দ্যোগে ১ বিষা জমিতে পেঁপে চাষ করে এলাকায় তাক লাগিয়েছেন। পেঁপে চাষে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। বেকার যুবকরা পেঁপে চাষে এগিয়ে এলে তারা লাভবান হবেন।