ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
তানোরে পরোকিয়া করতে গিয়ে পালিয়ে রক্ষা হ্যান্ডকাপসহ আসামি ছিনতাইয়ের পর হ্যান্ডকাপ ফেরত পেলেও গ্রেফতার হয়নি আসামি বিএনপির সদস্যসচিবের স্থায়ী বহিস্কার, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য হাসান মামুনকে পূর্নবহালের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন। মো.জাকির হোসেন হাওলাদার, গৌরনদীতে সাংবাদিকতা নিয়ে মন্ত্রীর মন্তব্য: “ভুলের কারণে পেশা প্রশ্নবিদ্ধ” নাসিরনগরে সাংসদ এম এ হান্নানকে এম পিকে গণ নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান ভেড়ামারায় অস্ত্র গুলি সহ ৩ আন্ত- জেলা ডাকাত গ্রেফতার পণ্য কিনে ফ্রিজসহ একাধিক উপহার পেয়ে খুশি ক্রেতারা রাজশাহীর পবায় পুলিশের কাছ থেকে হ্যান্ডকাপসহ আসামি ছিনতাই তানোরে শিব নদী পাড়ে বিনোদন পিপাসু মানুষের ভিড় গোলাপগঞ্জের প্রথম সাপ্তাহিক গোলাপ পত্রিকার সম্পাদক আখতারুজ্জামান মারা গেছেন, বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক

বাঘায় পদ্মার চরে পানিবন্দী মানুষের পাশে: আক্কাছ আলী

বাঘা(রাজশাহী)প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় পদ্মার চরে অবস্থিত চকরাজাপুর ইউনিয়ন। দুর্গম এই ইউনিয়নে রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৫শত পরিবার। প্রায় প্রতি বছরেই পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি তে ইউনিয়নের প্রতিটি পরিবার পানিবন্দী হয়েপরে।চলতি বছরে প্রায় এক মাস পানিবন্দী অবস্থায় এই ইউনিয়নের মানুষ।

এলাকার মানুষগুলো আক্কাছ আলী নামের ভক্ত ছিলো ভিসন। আজ তারা বিপদগ্রস্ত আর তাই তাদের ভালোবাসার সেই মানুষটি ( আক্কাছ) সহায়তার হাতবাড়িয়ে তাদের পাশে দাড়ালেন।

শনিবার (২৮ আগস্ট) বিকেল ৩ টার দিকে পদ্মার চরে পানিবন্দী ৩ হাজার পরিবারের মানুষের মধ্যে নিজ উদ্যোগে বাঘা পৌরসভার সাবেক এই মেয়র ও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আক্কাছ আলী ৫ কেজি ময়দা, আলু, পাউরুটি, খাবার স্যালাইন,প্যারাসিটামল (নাপা ট্যাবলেট) বিতরণ করেন।

বাঘা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও রাজশাহী জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আক্কাছ আলী নিজস্ব অর্থায়নে চকরাজাপুর ইউনিয়নের পানিবন্দি এলাকা পলাশি ফতেপুর লক্ষীনগর, পূর্ব চকরাজাপুর, পশ্চিম চরকালিদাসখালী, দাদপুর এলাকায় সঙ্গীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে এই সকল সামগ্রী বিতরণ করেন।

উল্লেখ্য বিষয়, গত ২৩ আগষ্ট চকরাজাপুর ইউনিয়নের পানিবন্দি এলাকার ২হাজার মানুষে মাঝে বাঘা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও রাজশাহী জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আক্কাছ আলী শুখনো খাবার বিতরণ করেন।

এ সকল সামগ্রী বিতরণ কালে আক্কাছ আলী বলেন, চর এলাকার পানিবন্দি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে বার বার ছুটে আসি শুধু ভালবাসার টানে। কোন এক সময় এই চরের মানুষ আমাকে খুব ভালবাসতো। আজ তাদের এই দুর্দশার সময় আমি পাশে খাবারসহ প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিয়ে হাজির হয়েছি।

গত কদিন আগে এসে ২ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার সকলের জন্য বিতরণ করেছিলাম। সবাই খাবারের জন্য কস্টে রয়েছে। যদিও সরকার বিভিন্ন ভাবে ত্রাণের ব্যবস্থা করছে। উদার মনমানসিকতা নিয়ে এইসকল পানীবন্দি মানুষের পাশে একটু সহযোগিতা করা অত্যন্ত প্রয়োজন সমাজের বিত্তবানদের।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তানোরে পরোকিয়া করতে গিয়ে পালিয়ে রক্ষা

বাঘায় পদ্মার চরে পানিবন্দী মানুষের পাশে: আক্কাছ আলী

আপডেট টাইম : ০৮:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২১

বাঘা(রাজশাহী)প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় পদ্মার চরে অবস্থিত চকরাজাপুর ইউনিয়ন। দুর্গম এই ইউনিয়নে রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৫শত পরিবার। প্রায় প্রতি বছরেই পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি তে ইউনিয়নের প্রতিটি পরিবার পানিবন্দী হয়েপরে।চলতি বছরে প্রায় এক মাস পানিবন্দী অবস্থায় এই ইউনিয়নের মানুষ।

এলাকার মানুষগুলো আক্কাছ আলী নামের ভক্ত ছিলো ভিসন। আজ তারা বিপদগ্রস্ত আর তাই তাদের ভালোবাসার সেই মানুষটি ( আক্কাছ) সহায়তার হাতবাড়িয়ে তাদের পাশে দাড়ালেন।

শনিবার (২৮ আগস্ট) বিকেল ৩ টার দিকে পদ্মার চরে পানিবন্দী ৩ হাজার পরিবারের মানুষের মধ্যে নিজ উদ্যোগে বাঘা পৌরসভার সাবেক এই মেয়র ও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আক্কাছ আলী ৫ কেজি ময়দা, আলু, পাউরুটি, খাবার স্যালাইন,প্যারাসিটামল (নাপা ট্যাবলেট) বিতরণ করেন।

বাঘা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও রাজশাহী জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আক্কাছ আলী নিজস্ব অর্থায়নে চকরাজাপুর ইউনিয়নের পানিবন্দি এলাকা পলাশি ফতেপুর লক্ষীনগর, পূর্ব চকরাজাপুর, পশ্চিম চরকালিদাসখালী, দাদপুর এলাকায় সঙ্গীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে এই সকল সামগ্রী বিতরণ করেন।

উল্লেখ্য বিষয়, গত ২৩ আগষ্ট চকরাজাপুর ইউনিয়নের পানিবন্দি এলাকার ২হাজার মানুষে মাঝে বাঘা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও রাজশাহী জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আক্কাছ আলী শুখনো খাবার বিতরণ করেন।

এ সকল সামগ্রী বিতরণ কালে আক্কাছ আলী বলেন, চর এলাকার পানিবন্দি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে বার বার ছুটে আসি শুধু ভালবাসার টানে। কোন এক সময় এই চরের মানুষ আমাকে খুব ভালবাসতো। আজ তাদের এই দুর্দশার সময় আমি পাশে খাবারসহ প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিয়ে হাজির হয়েছি।

গত কদিন আগে এসে ২ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার সকলের জন্য বিতরণ করেছিলাম। সবাই খাবারের জন্য কস্টে রয়েছে। যদিও সরকার বিভিন্ন ভাবে ত্রাণের ব্যবস্থা করছে। উদার মনমানসিকতা নিয়ে এইসকল পানীবন্দি মানুষের পাশে একটু সহযোগিতা করা অত্যন্ত প্রয়োজন সমাজের বিত্তবানদের।