ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ।

বিজয় দিবসে বাঘায় জামায়াতে ইসলামীর বিজয় র‍্যালি

বিজয় দিবসে বাঘায় জামায়াতে ইসলামীর বিজয় র‍্যালি

বাঘা(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃমহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে রাজশাহীর বাঘায়  বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বিজয় র‍্যালি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় ঐতিহাসিক তেতুল তলার সামনে থেকে সংগঠনটির উপজেলা শাখার উদ্যোগে বিজয় র‍্যালি শুরু হয়। যা আমচত্তর মোড় ঘুরে ফের একই স্থানে এসে আলোচনা সভায়  জড়ো হয়।
বিজয় র‍্যালিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের ‘জামায়াত শিবির জনতা, গড়ে তোলা একতা’,  ‘বাধা আসবে যেখানে, প্রতিরোধ সেখানে’, ‘ফ্যাসিবাদ নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’, ‘গোলামি না আজাদী, আজাদী আজাদী’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই’, ‘এই বাংলায় হবে না, বৈষম্যের ঠিকানা’, ‘ভারতীয় আগ্রাসন, রুখে দাও রুখে দাও’ সহ বিভিন্ন স্লোগান শোনা যায়।
র‍্যালি পরে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বাঘা উপজেলা আমির  আবদুল্লাহ আল মামুন  বলেন, একটি দল মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুঁজি করে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। ক্ষমতার মসনদে বসে তারা নানা ধরনের অন্যায় অপরাধ করেছে। বিরোধী মত দমনে এমন কোনো কাজ নেই, যা তারা করেনি। অসংখ্য নিরপরাধ মানুষকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে এবং জেলে বন্দি রেখেছে। কিন্তু ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে তাদের ক্ষমতার মসনদ চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে। যে স্বাধীনতা ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দিয়ে এসেছে, সেটি যেকোনো মূল্যে রক্ষা করা হবে।
বিজয় র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা নায়েবে আমির বাঘা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যাপক মাও:আব্দুল লতিফ,উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মো: ইউনুছ আলী,বাঘা পৌর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মোঃ সাইফুল ইসলাম  পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি সাবদার আলী,জামায়াতের সুরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য সাহাদুল ইসলাম,বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশন বাঘা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক,রেজাউল করিম,বাউসা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মজিবর রহমান,আড়ানী পৌর আমীর মনিরুল ইসলাম,( জিঞ্জু) পাকুড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাহবুব আলী,বাঘা উপজেলা শিবির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ,উত্তর শাখা সভাপতি তরিকুল ইসলাম,সাবেক রাজশাহী জেলা পূর্ব ছাত্রশিবির সভাপতি সবুজ মাহমুদ, সাবেক বাঘা উপজেলা শিবির সভাপতি আইয়ুব আলী,রায়হানুল হক,আব্দুল  মমিন,মাহাবুল ইসলাম।
অপরদিকে দীর্ঘ ১৫ বছর পর বাধাহীনভাবে বিজয় র‍্যালি করতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। তারা বলেন, বিগত ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার আমাদের বিজয় র‍্যালি পর্যন্ত করতে দেয়নি। তারা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। বিরোধী মত দমন করতে তাদের আগ্রাসী মনোভাব ছিল। এবার বাধাহীনভাবে বিজয়ী র্যালি করতে পেরে আমরা আনন্দিত।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বিজয় দিবসে বাঘায় জামায়াতে ইসলামীর বিজয় র‍্যালি

আপডেট টাইম : ০৭:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪

বিজয় দিবসে বাঘায় জামায়াতে ইসলামীর বিজয় র‍্যালি

বাঘা(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃমহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে রাজশাহীর বাঘায়  বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বিজয় র‍্যালি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় ঐতিহাসিক তেতুল তলার সামনে থেকে সংগঠনটির উপজেলা শাখার উদ্যোগে বিজয় র‍্যালি শুরু হয়। যা আমচত্তর মোড় ঘুরে ফের একই স্থানে এসে আলোচনা সভায়  জড়ো হয়।
বিজয় র‍্যালিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের ‘জামায়াত শিবির জনতা, গড়ে তোলা একতা’,  ‘বাধা আসবে যেখানে, প্রতিরোধ সেখানে’, ‘ফ্যাসিবাদ নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’, ‘গোলামি না আজাদী, আজাদী আজাদী’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই’, ‘এই বাংলায় হবে না, বৈষম্যের ঠিকানা’, ‘ভারতীয় আগ্রাসন, রুখে দাও রুখে দাও’ সহ বিভিন্ন স্লোগান শোনা যায়।
র‍্যালি পরে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বাঘা উপজেলা আমির  আবদুল্লাহ আল মামুন  বলেন, একটি দল মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুঁজি করে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। ক্ষমতার মসনদে বসে তারা নানা ধরনের অন্যায় অপরাধ করেছে। বিরোধী মত দমনে এমন কোনো কাজ নেই, যা তারা করেনি। অসংখ্য নিরপরাধ মানুষকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে এবং জেলে বন্দি রেখেছে। কিন্তু ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে তাদের ক্ষমতার মসনদ চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে। যে স্বাধীনতা ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দিয়ে এসেছে, সেটি যেকোনো মূল্যে রক্ষা করা হবে।
বিজয় র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা নায়েবে আমির বাঘা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যাপক মাও:আব্দুল লতিফ,উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মো: ইউনুছ আলী,বাঘা পৌর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মোঃ সাইফুল ইসলাম  পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি সাবদার আলী,জামায়াতের সুরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য সাহাদুল ইসলাম,বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশন বাঘা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক,রেজাউল করিম,বাউসা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মজিবর রহমান,আড়ানী পৌর আমীর মনিরুল ইসলাম,( জিঞ্জু) পাকুড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাহবুব আলী,বাঘা উপজেলা শিবির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ,উত্তর শাখা সভাপতি তরিকুল ইসলাম,সাবেক রাজশাহী জেলা পূর্ব ছাত্রশিবির সভাপতি সবুজ মাহমুদ, সাবেক বাঘা উপজেলা শিবির সভাপতি আইয়ুব আলী,রায়হানুল হক,আব্দুল  মমিন,মাহাবুল ইসলাম।
অপরদিকে দীর্ঘ ১৫ বছর পর বাধাহীনভাবে বিজয় র‍্যালি করতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। তারা বলেন, বিগত ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার আমাদের বিজয় র‍্যালি পর্যন্ত করতে দেয়নি। তারা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। বিরোধী মত দমন করতে তাদের আগ্রাসী মনোভাব ছিল। এবার বাধাহীনভাবে বিজয়ী র্যালি করতে পেরে আমরা আনন্দিত।