ঢাকা ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক

মনে পড়ে মায়ের কথা,সকাল হলেই শুরু হয় মায়েদের আত্মত্যাগ 

মনে পড়ে মায়ের কথা,সকাল হলেই শুরু হয় মায়েদের আত্মত্যাগ 

 
“মা নেই,চলে গেছে আল্লাহর কাছে
মা দিবসে মনে পড়ে মায়ের কথা”
সকাল হলেই শুরু হয় মায়েদের আত্মত্যাগ।
মোহাম্মদ আককাস আলী : একজন মা কেবল একটি দিনের নয়, তিনি প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ, প্রতি মুহূর্তের। তবুও, মা দিবস একটি উপলক্ষ্য। ভালোবাসা প্রকাশের, আত্মত্যাগের কৃতজ্ঞতা জানানোর, মায়ের সঙ্গে সময় কাটানোর ছোট্ট একটি সুযোগ।
একজন মা প্রতিদিনই নিজের অস্তিত্বকে ছাড়িয়ে সন্তানদের জন্য বাঁচেন। তাদের এই নিরব, নিঃস্বার্থ জীবনযুদ্ধ আমাদের চোখে পড়ে না।
৬০বছর বয়সী একজন মা দশ বছর ধরে চা বিক্রি করছেন। জীবনের এই সন্ধিক্ষণে বিশ্রামের কথা ভাবার কথা থাকলেও তিনি রোজ যুদ্ধ করেন নিজের সন্তানকে মানুষ করার জন্য। শত দুঃখ-কষ্ট অপেক্ষা করে সন্তানদের জন্য যুদ্ধ করেই চলে মায়েরা।
কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, সেই সন্তানেরাই বড় হয়ে প্রায়শঃ ভুলে যান এই সব ত্যাগের কথা। আজকের এই মা দিবসে কত শত বৃদ্ধা মা রয়েছেন, যারা বৃদ্ধাশ্রমে একটি ফোন কলের জন্য অপেক্ষায় দিন কাটান। এই বুঝি ফোনটা এলো-এই আশায় তারা বারবার ফোনের দিকে তাকান। কেউ কেউ জানেন, ফোনটা আর আসবে না; তবুও অপেক্ষা করেন। তারা সন্তানকে নিজের কাছে চায় না, কেবল জানতে চায় সন্তান ভালো আছে কি না।
যারা এখনো মায়ের সঙ্গে আছেন, তাদের এক বিরাট অংশই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মা দিবস পালন করেন। যেমন-মায়ের সঙ্গে ছবি তোলা, মাকে পোস্ট করা ইত্যাদি। এটি নিঃসন্দেহে ভালো কাজ। কিন্তু আজকের এই দিনটি মায়ের জন্য রাখতে পারেন। ব্যস্ততার কারণে হয়তো অধিকাংশ সময়ই মাকে সময় দিতে পারেন না। মা চুপচাপ থেকে অনেক কথা জমিয়ে রাখেন। ব্যস্ত জীবনে আমরা সে কথাগুলো শুনি না।তাই আজকের এই দিনে মায়ের না বলা কথা গুলো শুনতে পারেন।
আপনি কি জানেন, আপনার মায়ের সবচেয়ে প্রিয় খাবার কোনটি? তার ছোটবেলার কোনো প্রিয় গল্প? কোনো অপূর্ণ স্বপ্ন? হয়তো জানেন না। কারণ জানার চেষ্টাই করা হয়নি। কিন্তু এইসব ছোট ছোট খেয়াল রাখাটাই তো ভালোবাসা।
একজন মা কোনো বিনিময়ের আশায় সন্তানদের লালন করেন না। তিনি শুধু চান সন্তানের মুখে হাসি ফুটুক। আর সেই হাসির জন্য তিনি নিজের কষ্টগুলো হেসে হেসে সয়ে যান। তাই তার প্রতি দায়িত্ববোধটাও আমাদের প্রতিদিনের হওয়া উচিত। মা’কে শুধু একদিনের নয়, প্রতিদিনই ভালোবাসার দিন।
মায়ের আত্মত্যাগের মূল্য কোনো শব্দে বা উপহারেই মেটানো সম্ভব নয়। তবে আমরা যদি অন্তত তার পাশে থাকি, তার সুখ-দুঃখ ভাগ করি, তাতেই মা খুশি। আজকের এই মা দিবসে প্রতিজ্ঞা হোক মায়ের ভালোবাসাকে কেবল একদিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতিদিন তার প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও যত্ন প্রকাশ করার।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন

মনে পড়ে মায়ের কথা,সকাল হলেই শুরু হয় মায়েদের আত্মত্যাগ 

আপডেট টাইম : ০৮:৩২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

মনে পড়ে মায়ের কথা,সকাল হলেই শুরু হয় মায়েদের আত্মত্যাগ 

 
“মা নেই,চলে গেছে আল্লাহর কাছে
মা দিবসে মনে পড়ে মায়ের কথা”
সকাল হলেই শুরু হয় মায়েদের আত্মত্যাগ।
মোহাম্মদ আককাস আলী : একজন মা কেবল একটি দিনের নয়, তিনি প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ, প্রতি মুহূর্তের। তবুও, মা দিবস একটি উপলক্ষ্য। ভালোবাসা প্রকাশের, আত্মত্যাগের কৃতজ্ঞতা জানানোর, মায়ের সঙ্গে সময় কাটানোর ছোট্ট একটি সুযোগ।
একজন মা প্রতিদিনই নিজের অস্তিত্বকে ছাড়িয়ে সন্তানদের জন্য বাঁচেন। তাদের এই নিরব, নিঃস্বার্থ জীবনযুদ্ধ আমাদের চোখে পড়ে না।
৬০বছর বয়সী একজন মা দশ বছর ধরে চা বিক্রি করছেন। জীবনের এই সন্ধিক্ষণে বিশ্রামের কথা ভাবার কথা থাকলেও তিনি রোজ যুদ্ধ করেন নিজের সন্তানকে মানুষ করার জন্য। শত দুঃখ-কষ্ট অপেক্ষা করে সন্তানদের জন্য যুদ্ধ করেই চলে মায়েরা।
কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, সেই সন্তানেরাই বড় হয়ে প্রায়শঃ ভুলে যান এই সব ত্যাগের কথা। আজকের এই মা দিবসে কত শত বৃদ্ধা মা রয়েছেন, যারা বৃদ্ধাশ্রমে একটি ফোন কলের জন্য অপেক্ষায় দিন কাটান। এই বুঝি ফোনটা এলো-এই আশায় তারা বারবার ফোনের দিকে তাকান। কেউ কেউ জানেন, ফোনটা আর আসবে না; তবুও অপেক্ষা করেন। তারা সন্তানকে নিজের কাছে চায় না, কেবল জানতে চায় সন্তান ভালো আছে কি না।
যারা এখনো মায়ের সঙ্গে আছেন, তাদের এক বিরাট অংশই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মা দিবস পালন করেন। যেমন-মায়ের সঙ্গে ছবি তোলা, মাকে পোস্ট করা ইত্যাদি। এটি নিঃসন্দেহে ভালো কাজ। কিন্তু আজকের এই দিনটি মায়ের জন্য রাখতে পারেন। ব্যস্ততার কারণে হয়তো অধিকাংশ সময়ই মাকে সময় দিতে পারেন না। মা চুপচাপ থেকে অনেক কথা জমিয়ে রাখেন। ব্যস্ত জীবনে আমরা সে কথাগুলো শুনি না।তাই আজকের এই দিনে মায়ের না বলা কথা গুলো শুনতে পারেন।
আপনি কি জানেন, আপনার মায়ের সবচেয়ে প্রিয় খাবার কোনটি? তার ছোটবেলার কোনো প্রিয় গল্প? কোনো অপূর্ণ স্বপ্ন? হয়তো জানেন না। কারণ জানার চেষ্টাই করা হয়নি। কিন্তু এইসব ছোট ছোট খেয়াল রাখাটাই তো ভালোবাসা।
একজন মা কোনো বিনিময়ের আশায় সন্তানদের লালন করেন না। তিনি শুধু চান সন্তানের মুখে হাসি ফুটুক। আর সেই হাসির জন্য তিনি নিজের কষ্টগুলো হেসে হেসে সয়ে যান। তাই তার প্রতি দায়িত্ববোধটাও আমাদের প্রতিদিনের হওয়া উচিত। মা’কে শুধু একদিনের নয়, প্রতিদিনই ভালোবাসার দিন।
মায়ের আত্মত্যাগের মূল্য কোনো শব্দে বা উপহারেই মেটানো সম্ভব নয়। তবে আমরা যদি অন্তত তার পাশে থাকি, তার সুখ-দুঃখ ভাগ করি, তাতেই মা খুশি। আজকের এই মা দিবসে প্রতিজ্ঞা হোক মায়ের ভালোবাসাকে কেবল একদিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতিদিন তার প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও যত্ন প্রকাশ করার।