ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক

মান্দায় মাদ্রাসা ভবন নির্মাণের সামগ্রী নিয়ে উধাও শ্রমিকেরা

মান্দায় মাদ্রাসা ভবন নির্মাণের সামগ্রী নিয়ে উধাও শ্রমিকেরা

 মোহাম্মদ আককাস আলী :

নওগাঁর মান্দা উপজেলার নিবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসায় ভবন নির্মাণকাজের গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী নিয়ে উধাও হয়ে গেছে নির্মাণ শ্রমিকেরা। চারতলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট একতলা ভবনের এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে শিক্ষাপ্রকৌশল অধিদপ্তর। এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভবনের ব্যাচ ঢালাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রড ও সিমেন্ট মাদ্রাসার পুরোনো একটি কক্ষে মজুত রাখা হয়েছিল। শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে সেগুলোর একটি বড় অংশ এবং একটি মিক্সচার মেশিন নিয়ে নিরুদ্দেশ হয়ে যান শ্রমিকেরা।
ঠিকাদারের ম্যানেজার আমজাদ হোসেন বলেন, ‘রাতের খাবার শেষে আমরা সবাই ঘুমিয়ে পড়ি। রাত ১২টার দিকে ঘুম ভেঙে দেখি শ্রমিকেরা নেই। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে ঠিকাদার মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহকে জানাই। পরে দেখি ৫০ বস্তা সিমেন্ট, বেশ কিছু রড আর একটি মিক্সচার মেশিন নেই।’
জানা গেছে, শ্রমিকদের নেতৃত্বে ছিলেন শফিকুল ইসলাম নামের একজন সর্দার। সাতজন শ্রমিক নিয়ে তিনি সেখানে কাজ করছিলেন। তিনি নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর এলাকার বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেন ঠিকাদারের লোকজন।
নিমবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘রাতেই ঠিকাদার মোবাইলফোনে আমাকে বিষয়টি অবহিত করে। এরপর মাদ্রাসায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।’
ঠিকাদার মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ বলেন, ‘এই শ্রমিকেরা দীর্ঘদিন ধরে আমার প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। গত বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) তাদের পাওনা টাকা পরিশোধ করি। তখন শ্রমিক সর্দার শফিকুল প্রয়োজনের কথা বলে অতিরিক্ত কিছু টাকাও নেয়। কেন তারা এমন করল, বুঝতে পারছি না। আমি মান্দা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’ এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান বলেন, ‘এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন

মান্দায় মাদ্রাসা ভবন নির্মাণের সামগ্রী নিয়ে উধাও শ্রমিকেরা

আপডেট টাইম : ০৬:৫৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

মান্দায় মাদ্রাসা ভবন নির্মাণের সামগ্রী নিয়ে উধাও শ্রমিকেরা

 মোহাম্মদ আককাস আলী :

নওগাঁর মান্দা উপজেলার নিবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসায় ভবন নির্মাণকাজের গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী নিয়ে উধাও হয়ে গেছে নির্মাণ শ্রমিকেরা। চারতলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট একতলা ভবনের এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে শিক্ষাপ্রকৌশল অধিদপ্তর। এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভবনের ব্যাচ ঢালাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রড ও সিমেন্ট মাদ্রাসার পুরোনো একটি কক্ষে মজুত রাখা হয়েছিল। শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে সেগুলোর একটি বড় অংশ এবং একটি মিক্সচার মেশিন নিয়ে নিরুদ্দেশ হয়ে যান শ্রমিকেরা।
ঠিকাদারের ম্যানেজার আমজাদ হোসেন বলেন, ‘রাতের খাবার শেষে আমরা সবাই ঘুমিয়ে পড়ি। রাত ১২টার দিকে ঘুম ভেঙে দেখি শ্রমিকেরা নেই। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে ঠিকাদার মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহকে জানাই। পরে দেখি ৫০ বস্তা সিমেন্ট, বেশ কিছু রড আর একটি মিক্সচার মেশিন নেই।’
জানা গেছে, শ্রমিকদের নেতৃত্বে ছিলেন শফিকুল ইসলাম নামের একজন সর্দার। সাতজন শ্রমিক নিয়ে তিনি সেখানে কাজ করছিলেন। তিনি নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর এলাকার বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেন ঠিকাদারের লোকজন।
নিমবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘রাতেই ঠিকাদার মোবাইলফোনে আমাকে বিষয়টি অবহিত করে। এরপর মাদ্রাসায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।’
ঠিকাদার মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ বলেন, ‘এই শ্রমিকেরা দীর্ঘদিন ধরে আমার প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। গত বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) তাদের পাওনা টাকা পরিশোধ করি। তখন শ্রমিক সর্দার শফিকুল প্রয়োজনের কথা বলে অতিরিক্ত কিছু টাকাও নেয়। কেন তারা এমন করল, বুঝতে পারছি না। আমি মান্দা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’ এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান বলেন, ‘এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’