ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক

রাজশাহীতে চুরির এক মাস পর নাটকীয় মামলা, মুক্তি পেতে সংবাদ সম্মেলন   

রাজশাহীতে চুরির এক মাস পর নাটকীয় মামলা, মুক্তি পেতে সংবাদ সম্মেলন   

রাজশাহী ব্যুরো: গত ২৩ মার্চ রাজশাহীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় একটি ভাংচুর ও চুরির নাটক সাজিয়ে তিন জনকে আসামী করে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে বাদী মাসুদুর রহমান। মামলা নাম্বার ২০/৬৬ বোয়ালিয়া। যার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
১৯ এপ্রিল (শনিবার) দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগী হামীম ও সাইফুল ইসলাম। এই মাসুদুর রহমান নগরীর হেঁতেম খাঁ এলাকার (বর্ণালী মোড়ের পেছনে) আব্দুর রহমানের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, বাদী মামলায় যে ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন সেটি প্রায় ১ মাসের আগের ঘটনা। এটি একটি জমি সংক্রান্ত সমস্যা। ২০২৩ সালে আমার ভাই টনি বাদি মাসুদুর রহমানের বোন শিরিন আক্তার ও ছকিনা আক্তারের থেকে জমি ক্রয় করেন। এরপর তিনি সেই জমি দখল দিবে না মর্মে প্রভাব খাটাই এবং আজ অবদি জমির দখল দেননি। বরং উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। মামলায় যে ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন সেটি ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারীর ঘটনা। ঘটনার সময় বোয়ালিয়া থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ভাংচুর ও চুরির কোন ঘটনায় ঘটেনি। সেই ঘটনার পর বাদী-বিবাদি ও পুলিশ এক সাথে থানায় বসে মিমাংসার চেষ্টা করেন তৎকালীন ওসি মেহেদী হাসান। তাতে কোন সুরুহা না হওয়ায় এক মাস পর মাসুদুর রহমান হয়রানি করতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।
তবে এঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগীরা। তাদের দাবী, তদন্তকারি কর্মকর্তা বোয়ালিয়া থানার ওসি তদন্ত জমি দখল নিতে তাদের থেকে মোটা অংকের উৎকোচ দিতে হবে। তারা চাহিদা মেটাতে না পারায় এই ধরনের মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের দাবি , দ্রুত এই ধরনের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার অথবা পুলিশ ফাইনাল প্রতিবেদন দাখিল করবে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালেও বাদীর অন্য বোনদের থেকে জমি কিনেছিলেন টনি। সেখান থেকে শত্রুতার শুরু। এই টনি পরিবারকে হয়রারি করতে নানা ভাবে চেষ্টা করেছে মাসুদুর। অবশেষে ২৩ মার্চ এই মিথ্যা মামলা। অবশ্য এই মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে ভুক্তভোগীরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইজিপি কমপ্লিন সেল, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, আরএমপি পুলিশ কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। এই মামলায় বিবাদীরা জামিনে রয়েছেন।
ব্যাপারটি নিয়ে বোয়ালিয়া থানার ওসি তদন্ত মোতালেব হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি কোন সদোত্তর দিতে পারেন নি। সাংবাদিকের প্রশ্নের কথা শুনে ফোন কেটে দেন। পরে থানার অফিসার ইনচার্জ মুস্তাক আহমেদ এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, এই ধরনের ঘটনা জানা নাই। তবে এমন হওয়ার কথা না। ঘটনাটি আমি আসার আগের ঘটনা তাই জানতে হবে।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন

রাজশাহীতে চুরির এক মাস পর নাটকীয় মামলা, মুক্তি পেতে সংবাদ সম্মেলন   

আপডেট টাইম : ০৬:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

রাজশাহীতে চুরির এক মাস পর নাটকীয় মামলা, মুক্তি পেতে সংবাদ সম্মেলন   

রাজশাহী ব্যুরো: গত ২৩ মার্চ রাজশাহীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় একটি ভাংচুর ও চুরির নাটক সাজিয়ে তিন জনকে আসামী করে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে বাদী মাসুদুর রহমান। মামলা নাম্বার ২০/৬৬ বোয়ালিয়া। যার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
১৯ এপ্রিল (শনিবার) দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগী হামীম ও সাইফুল ইসলাম। এই মাসুদুর রহমান নগরীর হেঁতেম খাঁ এলাকার (বর্ণালী মোড়ের পেছনে) আব্দুর রহমানের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, বাদী মামলায় যে ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন সেটি প্রায় ১ মাসের আগের ঘটনা। এটি একটি জমি সংক্রান্ত সমস্যা। ২০২৩ সালে আমার ভাই টনি বাদি মাসুদুর রহমানের বোন শিরিন আক্তার ও ছকিনা আক্তারের থেকে জমি ক্রয় করেন। এরপর তিনি সেই জমি দখল দিবে না মর্মে প্রভাব খাটাই এবং আজ অবদি জমির দখল দেননি। বরং উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। মামলায় যে ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন সেটি ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারীর ঘটনা। ঘটনার সময় বোয়ালিয়া থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ভাংচুর ও চুরির কোন ঘটনায় ঘটেনি। সেই ঘটনার পর বাদী-বিবাদি ও পুলিশ এক সাথে থানায় বসে মিমাংসার চেষ্টা করেন তৎকালীন ওসি মেহেদী হাসান। তাতে কোন সুরুহা না হওয়ায় এক মাস পর মাসুদুর রহমান হয়রানি করতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।
তবে এঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগীরা। তাদের দাবী, তদন্তকারি কর্মকর্তা বোয়ালিয়া থানার ওসি তদন্ত জমি দখল নিতে তাদের থেকে মোটা অংকের উৎকোচ দিতে হবে। তারা চাহিদা মেটাতে না পারায় এই ধরনের মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের দাবি , দ্রুত এই ধরনের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার অথবা পুলিশ ফাইনাল প্রতিবেদন দাখিল করবে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালেও বাদীর অন্য বোনদের থেকে জমি কিনেছিলেন টনি। সেখান থেকে শত্রুতার শুরু। এই টনি পরিবারকে হয়রারি করতে নানা ভাবে চেষ্টা করেছে মাসুদুর। অবশেষে ২৩ মার্চ এই মিথ্যা মামলা। অবশ্য এই মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে ভুক্তভোগীরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইজিপি কমপ্লিন সেল, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, আরএমপি পুলিশ কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। এই মামলায় বিবাদীরা জামিনে রয়েছেন।
ব্যাপারটি নিয়ে বোয়ালিয়া থানার ওসি তদন্ত মোতালেব হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি কোন সদোত্তর দিতে পারেন নি। সাংবাদিকের প্রশ্নের কথা শুনে ফোন কেটে দেন। পরে থানার অফিসার ইনচার্জ মুস্তাক আহমেদ এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, এই ধরনের ঘটনা জানা নাই। তবে এমন হওয়ার কথা না। ঘটনাটি আমি আসার আগের ঘটনা তাই জানতে হবে।