ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ।

রাজশাহীতে ভারতীয় ভিসা দালাল চক্রের সদস্য গ্রেফতার 

রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীস্থ ভারতীয় ভিসা সেন্টারের নানা অনিয়ম-দুর্নীতির খবর থাকলেও অবশেষে গ্রেফতার হয়েছে  একজন ভিসা দালাল চক্রের সদস্য। গ্রেফতারকৃত সদস্যদের নাম মোঃ শহিদুল ইসলাম (৩৫), পিতা- মাইনুল ইসলাম, সাং- হড়গ্রাম (লিলি হল মোড়), থানা- কাশিয়াডাঙ্গা, মহানগর রাজশাহী।
০৩ অক্টোবর (সোমবার) সকালে দুর্দুরান্ত থেকে আসা ভারতীয় ভিসা প্রত্যাশীদের থেকে অবৈধভাবে প্রকাশ্যে টাকা গ্রহনের সময় জনরোষানলে পড়ে শহিদুল। এরপর   ভিসা প্রত্যাশীরা হট্টোগোল শুরু করলে ভিসা সেন্টারের গেট বন্ধ করে দেয়। পরে মিডিয়াকর্মী জানতে পারলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা মিলে চিৎকার চেচামেচির। সাংবাদিক  তাদের সাথে কথা বলতে (ভিসা ষ্টাফ) গেলে উল্টো তাদের রোষানলে পড়তে হয় সাংবাদিককে। গার্ড সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে বলেন আপনাকে কি ভিসার জন্য আসতে হবে না? তখন দেখবো!! সাংবাদিক ছবি নিতে গেলেও মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন দ্বায়িত্বরত সিকিউরিটি গার্ড। হাত ধরে টানা হেচড়া করেন। এরপর সেখানে আরও মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত হলে তারা গেটে তালা লাগিয়ে ভিতরে চলে যায়। মিডিয়ারকর্মীরা সেখানকার দ্বায়িত্বরত ইনচার্জের সাথে কথা বলতে চাইলেও তাদের কোন সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। পরে রাজশাহীস্থ ভারতীয় ভিসা সেন্টারের ইনচার্জ বিপ্লব সাহা’র (01735274534) মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে হাতেনাতে টাকা নেওয়া ও জনগণের হট্টোগোলের কারনে  আটক করেছে সেখানকার দ্বায়িত্বরত পুলিশ। পরে বোয়ালিয়া থানাধিন শিরইল পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই শহিদুল্লাহ কাইসার নেতৃত্বে রোমিও ১৩ দ্বায়িত্বরত অফিসার এএসআই মনিরের সহযোগিতায় গ্রেফতার করে দালাল চক্রের সদস্য শহিদুলকে নিয়ে আসে পুলিশ ফাঁড়িতে। এবিষয়ে শিরইল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শহিদুল্লাহ কাইসারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমরা একজনকে ধরেছি। তার নাম শহিদুল। আপাতত তাকে জিজ্ঞেসাবাদের জন্য ফাঁড়িতে আটক রাখা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি শহিদুল ভিসা সেন্টারের বিল্ডিং মালিকের ড্রাইভার। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বাঁকি তথ্য জানা যাবে। মামলা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি থানায় পাঠাবো বাঁকিটা ওসি স্যার দেখবেন। তার এমন সুর শুনে বোঝা যাচ্ছে আদৌও মামলা হবে কিনা!!
তবে ভারতীয় ভিসা সেন্টারে এমন কার্যক্রমে হতাশ ভারতীয় ভিসা প্রত্যাশীরা। তারা বলছে আপনারা দেখেন, আপনাদের উপস্থিতিতে যদি এমন হয়। তাহলে আমরা সাধারণ পাবলিক কি অবস্থায় আছি? তারা আমাদের সাথে খুব খারাপ আচরন করে। আজকেও অনেক জন এভাবে টাকা দিয়ে ঢুকেছে। আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদের ভিসা আবেদন বাতিল করা হবে। তাই আমদের চোখের সামনে অনেক কিছু দেখেও চুপ থাকতে হয়। তাদের এমন আচরন দেখে মনে হয় বাংলাদেশের মানুষ যেন তাদের কাছে জিম্মি!! তবে এমন দুর্নীতির বিষয়ে বাংলাদেশে দ্বায়িত্বরত ভারতীয় ভিসা অফিসার (ডেকো) গৌরব চক্রবর্তীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আপনি অভিযোগগুলো মেইল করে দেন। আমি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে ভারতীয় ভিসা দালাল চক্রের সদস্য গ্রেফতার 

আপডেট টাইম : ০৬:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২
রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীস্থ ভারতীয় ভিসা সেন্টারের নানা অনিয়ম-দুর্নীতির খবর থাকলেও অবশেষে গ্রেফতার হয়েছে  একজন ভিসা দালাল চক্রের সদস্য। গ্রেফতারকৃত সদস্যদের নাম মোঃ শহিদুল ইসলাম (৩৫), পিতা- মাইনুল ইসলাম, সাং- হড়গ্রাম (লিলি হল মোড়), থানা- কাশিয়াডাঙ্গা, মহানগর রাজশাহী।
০৩ অক্টোবর (সোমবার) সকালে দুর্দুরান্ত থেকে আসা ভারতীয় ভিসা প্রত্যাশীদের থেকে অবৈধভাবে প্রকাশ্যে টাকা গ্রহনের সময় জনরোষানলে পড়ে শহিদুল। এরপর   ভিসা প্রত্যাশীরা হট্টোগোল শুরু করলে ভিসা সেন্টারের গেট বন্ধ করে দেয়। পরে মিডিয়াকর্মী জানতে পারলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা মিলে চিৎকার চেচামেচির। সাংবাদিক  তাদের সাথে কথা বলতে (ভিসা ষ্টাফ) গেলে উল্টো তাদের রোষানলে পড়তে হয় সাংবাদিককে। গার্ড সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে বলেন আপনাকে কি ভিসার জন্য আসতে হবে না? তখন দেখবো!! সাংবাদিক ছবি নিতে গেলেও মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন দ্বায়িত্বরত সিকিউরিটি গার্ড। হাত ধরে টানা হেচড়া করেন। এরপর সেখানে আরও মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত হলে তারা গেটে তালা লাগিয়ে ভিতরে চলে যায়। মিডিয়ারকর্মীরা সেখানকার দ্বায়িত্বরত ইনচার্জের সাথে কথা বলতে চাইলেও তাদের কোন সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। পরে রাজশাহীস্থ ভারতীয় ভিসা সেন্টারের ইনচার্জ বিপ্লব সাহা’র (01735274534) মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে হাতেনাতে টাকা নেওয়া ও জনগণের হট্টোগোলের কারনে  আটক করেছে সেখানকার দ্বায়িত্বরত পুলিশ। পরে বোয়ালিয়া থানাধিন শিরইল পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই শহিদুল্লাহ কাইসার নেতৃত্বে রোমিও ১৩ দ্বায়িত্বরত অফিসার এএসআই মনিরের সহযোগিতায় গ্রেফতার করে দালাল চক্রের সদস্য শহিদুলকে নিয়ে আসে পুলিশ ফাঁড়িতে। এবিষয়ে শিরইল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শহিদুল্লাহ কাইসারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমরা একজনকে ধরেছি। তার নাম শহিদুল। আপাতত তাকে জিজ্ঞেসাবাদের জন্য ফাঁড়িতে আটক রাখা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি শহিদুল ভিসা সেন্টারের বিল্ডিং মালিকের ড্রাইভার। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বাঁকি তথ্য জানা যাবে। মামলা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি থানায় পাঠাবো বাঁকিটা ওসি স্যার দেখবেন। তার এমন সুর শুনে বোঝা যাচ্ছে আদৌও মামলা হবে কিনা!!
তবে ভারতীয় ভিসা সেন্টারে এমন কার্যক্রমে হতাশ ভারতীয় ভিসা প্রত্যাশীরা। তারা বলছে আপনারা দেখেন, আপনাদের উপস্থিতিতে যদি এমন হয়। তাহলে আমরা সাধারণ পাবলিক কি অবস্থায় আছি? তারা আমাদের সাথে খুব খারাপ আচরন করে। আজকেও অনেক জন এভাবে টাকা দিয়ে ঢুকেছে। আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদের ভিসা আবেদন বাতিল করা হবে। তাই আমদের চোখের সামনে অনেক কিছু দেখেও চুপ থাকতে হয়। তাদের এমন আচরন দেখে মনে হয় বাংলাদেশের মানুষ যেন তাদের কাছে জিম্মি!! তবে এমন দুর্নীতির বিষয়ে বাংলাদেশে দ্বায়িত্বরত ভারতীয় ভিসা অফিসার (ডেকো) গৌরব চক্রবর্তীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আপনি অভিযোগগুলো মেইল করে দেন। আমি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব।