ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক

রিমান্ডের পর আরো তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার

রিমান্ডের পর আরো তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার
বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে আলোচিত আন্ত: জেলা মোটরসাইকেল চোর চত্রের সক্রিয় সদস্য মো. সোহেল মোল্যার (৩৫) কাছ থেকে আরো তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে বোয়ালমারী থানা পুলিশ।
থানা সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসের শুরুতে পার্শ্ববর্তী আলাফাডাঙ্গায় একটি মোটরসাইকেল চুরিকে কেন্দ্র করে হাতেনাতে সোহেলকে আটক করে পুলিশ। তার স্বীকারক্তি অনুযায়ী  ৪ তারিখে মামলার ঘটনার সময় বোয়ালমারী থেকে দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছিল। সে সময় আলফাডাঙ্গা থানার এসআই মো. মোশাররফ হোসেন বাদি হয়ে বোয়ালমারী থানায় ৪১৩ ধারায় একটি মামলা করেন। মামলা নং ০১। ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হন এসআই আব্দুর রহমান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে আসামির ৪ দিনের রিমান্ড চান। বিজ্ঞ আদালত আসামি সোহেলের দুই দিনের রিমান্ড মুঞ্জুর করেন। সোমবার (১৫ মে) আসামিকে রিমান্ডে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী থানা এলাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি সুজুকি, একটি লাল রংয়ের ফেজার এবং একটি লাল রংয়ের হোন্ডা এসএম ১০০ সিসি সর্ব মোট তিনটি মোটরসাইকেল চোরাই সন্ধিগ্ধ হিসেবে উদ্ধার করেন।
থানা অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আব্দুল ওহাব বলেন, সোহেল আন্তজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য। আন্ত জেলা চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার সাথেও সে জড়িত। তাকে রিমান্ডে আনার পর তার দেওয়া তথ্য মোতাবেক তিনটি মোটরসাইকলে উদ্ধার করা হয়েছে। মোটরসাইকেলের চেচিস নম্বর পরিবর্তন ও ভূয়া নম্বর প্লেট বানিয়ে অসংখ্য চোরাই মোটরসাইকেল বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করেছে বলে জানতে পেরেছি। এ কাজের সাথে অনেকেই জড়িত বলে আমরা জানতে পেরেছি। তদন্তের স্বার্থে এখনই সব কিছু বলা সম্ভব নয়। বাকি জড়িতদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন

রিমান্ডের পর আরো তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার

আপডেট টাইম : ০৫:০০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩
রিমান্ডের পর আরো তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার
বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে আলোচিত আন্ত: জেলা মোটরসাইকেল চোর চত্রের সক্রিয় সদস্য মো. সোহেল মোল্যার (৩৫) কাছ থেকে আরো তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে বোয়ালমারী থানা পুলিশ।
থানা সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসের শুরুতে পার্শ্ববর্তী আলাফাডাঙ্গায় একটি মোটরসাইকেল চুরিকে কেন্দ্র করে হাতেনাতে সোহেলকে আটক করে পুলিশ। তার স্বীকারক্তি অনুযায়ী  ৪ তারিখে মামলার ঘটনার সময় বোয়ালমারী থেকে দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছিল। সে সময় আলফাডাঙ্গা থানার এসআই মো. মোশাররফ হোসেন বাদি হয়ে বোয়ালমারী থানায় ৪১৩ ধারায় একটি মামলা করেন। মামলা নং ০১। ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হন এসআই আব্দুর রহমান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে আসামির ৪ দিনের রিমান্ড চান। বিজ্ঞ আদালত আসামি সোহেলের দুই দিনের রিমান্ড মুঞ্জুর করেন। সোমবার (১৫ মে) আসামিকে রিমান্ডে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী থানা এলাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি সুজুকি, একটি লাল রংয়ের ফেজার এবং একটি লাল রংয়ের হোন্ডা এসএম ১০০ সিসি সর্ব মোট তিনটি মোটরসাইকেল চোরাই সন্ধিগ্ধ হিসেবে উদ্ধার করেন।
থানা অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আব্দুল ওহাব বলেন, সোহেল আন্তজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য। আন্ত জেলা চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার সাথেও সে জড়িত। তাকে রিমান্ডে আনার পর তার দেওয়া তথ্য মোতাবেক তিনটি মোটরসাইকলে উদ্ধার করা হয়েছে। মোটরসাইকেলের চেচিস নম্বর পরিবর্তন ও ভূয়া নম্বর প্লেট বানিয়ে অসংখ্য চোরাই মোটরসাইকেল বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করেছে বলে জানতে পেরেছি। এ কাজের সাথে অনেকেই জড়িত বলে আমরা জানতে পেরেছি। তদন্তের স্বার্থে এখনই সব কিছু বলা সম্ভব নয়। বাকি জড়িতদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।