ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
তানোরের কাশিমবাজার-বায়া রাস্তা সংস্কার মান নিয়ে সন্তুষ্ট স্থানীয়রা সিলেটের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাদাপাথর বন্ধ ঘোষণা সিলেটের জেলাপ্রশাসক সারওয়ার আরম প্রত্যাহার, শাহজালাল (রহ.) মাজার কর্তৃপক্ষ খুশি শিবগঞ্জ এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অপপ্রচার  মহাদেবপুর থানার নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষ কমিউনিটি পুলিশিং এর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মানবতার বাহক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সোহাগ’র উপর আস্থা দু:সময়ের তৃণমূল নেতৃবৃন্দের। ভেড়ামারায় নিরাময় ক্লিনিক বন্ধ: কুষ্টিয়া সিভিল সার্জনের আকস্মিক অভিযান ও কড়া নির্দেশ রাজশাহীতে স্বর্ণের দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, কয়েক কোটি টাকার স্বর্ণ লুট দৌলতপুরের বিলপাড়ায় বখাটেদের উৎপাত, আতঙ্কে স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা শরীফ উদ্দিন মুন্সীকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চাই

লালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ এর অফিসের সামনে বিদ্যুতের মিটার চুরি

ছবি মিটার চুরির ঘটনা তদন্তে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ

এ জেড সুজন, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি : নাটোরের লালপুরে বৈদ্যুতিক অফিসের সামনে বিদ্যুতের মিটার চুরি তাড়াও বিভিন্ন জায়গায় মিটার চুরির হিড়িক পড়ে গেছে। গত দুই দিনে উপজেলার কয়েকটি স্থানে ৯টি মিটার চুরির ঘটনা ঘটে। লালপুর পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিস ও লালপুর থানা সূত্রে জানা গেছে গত ৯ মার্চ রাতে উপজেলার লালপুর কলেজ মোড়ের ইছার উদ্দিন মন্ডল এবং লালপুর বাজারের দুলাল মন্ডল, শাজাহান আলী সরকার, মাজদার রহমান ও রইস উদ্দিনের ৩ ফেজের মিটার চুরি হয়ে যায়।

এরপর ১১ মার্চ রাতে উপজেলার দক্ষিণ লালপুর ও কলসনগর গ্রামে দুটি মিটার চুরি করে দুর্বৃত্তরা। চুরি হওয়া আরো দুটি মিটারের তথ্য মৌখিক ভাবে জানালেও অফিসে লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন পল্লী বিদ্যুতের লালপুর জোনাল অফিস। চুরির সময় মিটারের পাশে চিরকূটে মোবাইল নম্বর (০১৮৫৭-৪৬৯৯১১) রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

রেখে যাওয়া নম্বরে যোগাযোগ করা হলে প্রতি মিটারের দাম ৬ হাজার টাকা দাবি করা হয়। এঘটনায় ভুক্তভোগীরা লালপুর পল্লী বিদ্যুৎ ও থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। লালপুর বাজারের ওয়ার্কসপ মালিক দুলাল মন্ডল জানান গত ৯ মার্চ রাতে দোকানে কাজ করা অবস্থায় হঠাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। বাইরে এসে দেখি মিটার চুরি হয়ে গেছে। মিটার না থাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তাই ব্যবসার অনেক ক্ষতি হচ্ছে।

পল্লী বিদ্যুতের লালপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রেজাউল করিম ব্যাপারী মিটার চুরির ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চুরি প্রতিরোধে গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। লালপুর থানাথ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান মিটার চুরির ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তানোরের কাশিমবাজার-বায়া রাস্তা সংস্কার মান নিয়ে সন্তুষ্ট স্থানীয়রা

লালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ এর অফিসের সামনে বিদ্যুতের মিটার চুরি

আপডেট টাইম : ০৪:০৭:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

এ জেড সুজন, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি : নাটোরের লালপুরে বৈদ্যুতিক অফিসের সামনে বিদ্যুতের মিটার চুরি তাড়াও বিভিন্ন জায়গায় মিটার চুরির হিড়িক পড়ে গেছে। গত দুই দিনে উপজেলার কয়েকটি স্থানে ৯টি মিটার চুরির ঘটনা ঘটে। লালপুর পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিস ও লালপুর থানা সূত্রে জানা গেছে গত ৯ মার্চ রাতে উপজেলার লালপুর কলেজ মোড়ের ইছার উদ্দিন মন্ডল এবং লালপুর বাজারের দুলাল মন্ডল, শাজাহান আলী সরকার, মাজদার রহমান ও রইস উদ্দিনের ৩ ফেজের মিটার চুরি হয়ে যায়।

এরপর ১১ মার্চ রাতে উপজেলার দক্ষিণ লালপুর ও কলসনগর গ্রামে দুটি মিটার চুরি করে দুর্বৃত্তরা। চুরি হওয়া আরো দুটি মিটারের তথ্য মৌখিক ভাবে জানালেও অফিসে লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন পল্লী বিদ্যুতের লালপুর জোনাল অফিস। চুরির সময় মিটারের পাশে চিরকূটে মোবাইল নম্বর (০১৮৫৭-৪৬৯৯১১) রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

রেখে যাওয়া নম্বরে যোগাযোগ করা হলে প্রতি মিটারের দাম ৬ হাজার টাকা দাবি করা হয়। এঘটনায় ভুক্তভোগীরা লালপুর পল্লী বিদ্যুৎ ও থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। লালপুর বাজারের ওয়ার্কসপ মালিক দুলাল মন্ডল জানান গত ৯ মার্চ রাতে দোকানে কাজ করা অবস্থায় হঠাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। বাইরে এসে দেখি মিটার চুরি হয়ে গেছে। মিটার না থাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তাই ব্যবসার অনেক ক্ষতি হচ্ছে।

পল্লী বিদ্যুতের লালপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রেজাউল করিম ব্যাপারী মিটার চুরির ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চুরি প্রতিরোধে গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। লালপুর থানাথ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান মিটার চুরির ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।